বরিশালে ইজতেমায় লাখো মানুষের জুমার নামাজ আদায়

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১০:৫৮ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৬, ২০১৮ | আপডেট: ১০:৫৮:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৬, ২০১৮

বরিশালে তিন দিনব্যাপি জেলা ইজতেমা শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় দিন শুক্রবার জুমার নামাজ আদায়ের জন্য লাখোও মুসল্লি ইজতেমা মাঠ প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন। জায়গা পেতে অনেকে সকাল ১০টা থেকে ইজতেমা ময়দানে জমায়েত হতে শুরু করেন। জুমার নামাজের আগেই ইজতেমা মাঠ কানায় কানায় ভরে যায়।

বরিশালের ধর্মাদী মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা মোজাম্মেল হক জুমার নামাজে ইমামতি করেন।

তাবলিগ জামাতের সুরা সদস্য মাওলানা আব্দুল মান্নান জানান, বিদেশি ৬৩ জন মুসল্লি এসেছেন ইজতেমায়। এরা সৌদি আরব, ফিলিস্তিন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, কেনিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে এসেছেন। এক সঙ্গে আড়াই লাখ মুসল্লির বরিশাল ইজতেমা মাঠে নামাজ আদায় করার ব্যবস্থা রয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ইজতেমার শুরু হয়। আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ২৭ জানুয়ারি যোহরের নামাজের আগে শেষ হবে এবারের ইজতেমা।

নগরীর নবগ্রাম রোড এলাকার ১৪ একর জমিতে ইজতেমার আয়োজন করা হয়েছে। এক সঙ্গে আড়াই লাখ লোকের নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া সোয়া লাখ লোক এক সঙ্গে বয়ান শুনতে পারবেন। ৩৬ হাজার লোকের ঘুমের জায়গা রয়েছে ইজতেমা মাঠে। মুসল্লিদের জন্য ৮শ টয়লেট, ওজুর জন্য ৫শ ট্যাপ ও ৪টি পুকুর এবং ১৪টি টিউবওয়েলের ব্যবস্থা হয়েছে। রাতে আলোর জন্য ১৬শ বৈদ্যুতিক লাইটের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ কমিশনার (বিশেষ শাখা) জাহাঙ্গীর মল্লিক জানান, ইজতেমা মাঠের নিরাপত্তায় পুলিশ বাহিনীর ৩শ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। জঙ্গিবাদ ও নাশকতা রোধে ইজতেমার আশপাশের প্রত্যেকটি ছাত্রাবাস, মেস ও আবাসিক হোটেলগুলোতে নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে।

২০১৫ সালের ১০ ডিসেম্বর থেকে তিন দিনব্যাপী বরিশালে প্রথম জেলা ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। তখন ইজতেমা মাঠ উপচে আশপাশের সড়ক ও বাসা-বাড়িতে মুসল্লিরা অবস্থান নেন। বিশেষ করে জুমার নামাজ ও আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে লক্ষাধিক মুসল্লির সমাগম ঘটেছিল।