তালতলীতে শিক্ষক হারুন হত্যা গ্রেপ্তার ও খুনীদের ফাঁসির দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত: ৬:৪৯ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৬, ২০১৮ | আপডেট: ৬:৪৯:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৬, ২০১৮
তালতলীতে শিক্ষক হারুন হত্যা গ্রেপ্তার ও খুনীদের ফাঁসির দাবীতে সংবাদ সম্মেলন
  • তালতলীতে শিক্ষক হারুন হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার ও খুনীদের ফাঁসির দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

বরগুনার তালতলী উপজেলার দক্ষিণ পশ্চিম ঝাড়াখালী গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন মোল্লার ছেলে ও দক্ষিণ ঝাড়াখালী এসইএসডিপি মডেল উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হারুন অর রশিদ মোল্লার (৩২) হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের ও খুনীদের ফাঁসির দাবীতে বৃহস্পতিবার রাতে আমতলী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে তার ছোট ভাই জামাল মোল্লা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নিহত হারুন অর রশিদের ছোট ভাই মো: জামাল মোল্লা বলেন, গত ১৪ ডিসেম্বর নিহত শিক্ষক হারুন মোল্লাসহ আমরা ৫ থেকে ৬ জন আমার চাচা জহির উদ্দিন মোল্লার জিয়াফত অনুষ্ঠান শেষে সেখান থেকে বিকেল আনুমানিক ৫ টার সময় নিওপাড়া বাজার হয়ে তালতলী ফিরছিলাম। এসময় নিওপাড়া বাজারে পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা মুনসুর মাওলানার নেতেৃত্বে জলিল রাঢ়ী, ছলেমান হাওলাদার ও মিরাজ হাওলাদারসহ ১০ থেকে ১৫ জন সন্ত্রাসী আমাদের উপর হামলা করে। হামলায় আমি এবং হারুনসহ ৬ জন আহত হই। হামলার সময় ছলেমান হাওলাদার তার হাতে থাকা রামদা দিয়ে হারুনকে হত্যার উদ্দেশে তার মাথায় আঘাত করে। এসয় সে রক্তাত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এর পর তাকে এলোপাথারি ভাবে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। এসময় স্থানীয় লোকজন ডাক চিৎকার শুনে আমাদের উদ্দার করে তালতলী হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর আমাদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ওই দিন রাতে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিক্ষক হারুনের অবস্থা মুমুর্ষ জনক হওয়ায় ১৬ ডিসেম্বর তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে চিকিৎসার পর বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসাপালে ভতি করা হয়। সেখানে ১ মাস চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় গত ১৭ জানুয়ারি রাত সাড়ে ১২ টার দিকে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় ১৬ ডিসেম্বর আমার বাবা আমির হোসেন মোল্লা বাদী হয়ে মাওলানা মুনসুর, জলিল রাঢ়ীসহ ১৮ জনকে আসামী করে ১টি মামলা করেন। মামলায় ১৮ নং আসামী বশির ছাড়া এ পর্যন্ত আর কাউকে গেপ্তার করেনি পুলিশ। সংবাদ সম্মেলনে জামাল মোল্লা পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও অদৃশ্য কারনে তাদের গ্রেপ্তার করছে না। তিনি হারুন হত্যকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও খুনীদের ফাঁসির দাবী জানান। সংবাদ সম্মেলনে নিহত হারুনের ভগ্নিপতি মো: সিদ্দিকুর রহমানও উপস্থিত ছিল। তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কমলেশ চন্দ্র হালদার জানান, পুলিশের বিরুদ্ধে আসামী না ধরার যে অভিযোগ করা হয়েছে তা ঠিক নয়। হারুন হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের জন্য আমরা জোর তৎপরতা চালাচ্ছি। #