রিং আইডি এখন এশিয়ার অন্যতম ডিজিটাল আকর্ষন

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৪:০২ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১ | আপডেট: ৪:০২:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১

২০১৪ সালে ম্যাসেজিং, ভয়েসকল, ভিডিওকল ও নিউজফিড (টাইমলাইন) নিয়ে একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে যাত্রার শুরু রিং আইডির এবং প্রাথমিক যাত্রাকালেই বিভিন্ন (প্রায় ২৫০টিরও অধিক) অন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রশংসিত হয়

 

এটি নিঃসন্দেহে একটি গর্বের বিষয় যে রিং আইডি ডিজিটাল ক্ষেত্রে এমন প্রথম প্রযুক্তিগত প্রতিষ্ঠান যারা সিক্রেট চ্যাটের মত স্বয়ংক্রিয়-মুছনিয় খুদে বার্তা প্রযুক্তির সঙ্গে নেটিজেনদের পরিচয় করিয়ে দেয় সেই জন্য রিং আইডিকে স্ন্যাপচ্যাটের মত বহুল জনপ্রিয় আন্তর্জাতিক একটি অ্যাপ থেকেও ব্যবহারকারীবান্ধব হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।

 

মাত্র দুই বছরেই ১০ লাখ ব্যবহারকারী আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয় রিং আইডি এবং গুগল প্লেস্টোরের সর্বোচ্চ ডাউনলোডের শীর্ষ দশের তালিকার প্রথমদিকে স্থান করে নেয়। কালের পরিক্রমায় এবং ক্রমাগত প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একে একে বিভিন্ন ব্যবহার উপযোগী ফিচার যুক্ত করে চলেছে রিং আইডি। ২০১৭ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের নিমিত্তে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্র্রপতি ও হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের নির্দেশিত রুপরেখা বাস্তবায়নের সহযোগী হিসেবে একটি পুর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ইকোসিস্টেমে পরিণত করা হয় রিং আইডিকে যা প্রতিমুহুর্ত ক্রমবর্ধমান ও নিত্য পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি সন্নিবেশন ঘটিয়ে চলেছে।

 

রিং আইডি এখন এশিয়ার অন্যতম ডিজিটাল আকর্ষন যা প্রতিমূহুর্ত ছড়িয়ে পড়ছে দেশ ও দেশের বাহিরে। সক্রিয় ও নিয়মিত ব্যবহারকারী যেকোন ডিজিটাল ব্যবসার প্রধান সম্পদ। কারণ আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে এই সক্রিয় ও নিয়মিত ব্যাবহারকারীগণই ডিজিটাল ব্যবসার মূল্যমান নির্ধারক। আর তাই রিং আইডি সক্রিয় ও নিয়মিত ব্যাবহারকারী তৈরিতে বদ্ধপরিকর। যার ফলশ্রুতিতে অন্তত চারটি বহুজাতিক কম্পানি ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যমানে এবং আগাম বিনিয়োগকারী হিসেবে হ্রাসকৃত মূল্যমান ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে রিং আইডিতে তাদের বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে যা চলমান (Due diligence) রয়েছে এবং যার সফল সম্পাদন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখবে। একইসঙ্গে সেই প্রাপ্তি দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে, বিশ্বদরবারে যা বাংলাদেশকে পৌছে দিবে এক অনন্য উচ্চতায়। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের নিমিত্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষকে করবে আরো সুদৃঢ় ও বিশ্বকে জানান দিবে বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতার। নতুন এই ডিজিটাল অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের উপায় বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ভাবে ভিন্নতার সঙ্গে উপস্থাপন করবে যা হবে অন্যদেশগুলোর জন্য অনুকরণীয়।

 

 

Print Friendly, PDF & Email