স্পিকারের সঙ্গে সিইসির বৈঠক কাল

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১১:২০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০১৮ | আপডেট: ১১:২০:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০১৮

বাংলাদেশের ২১তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। আগামীকাল বুধবার বিকেলে সংসদ সচিবালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকালে সংসদ সচিবালয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের ভোটার তালিকাসহ আনুষঙ্গিক বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছে ইসি। বিকেলেই সংসদ সচিবালয় ইসিকে ওই চিঠির জবাব দিয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার এই নির্বাচন নিয়ে কমিশন বৈঠক রয়েছে। বৈঠক শেষে তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত রয়েছে। আগামী ২৫ জানুয়ারি কমিশন বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার পর এ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে।’

ইসি সচিবালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘বুধবার বিকাল ৩টায় স্পিকারের সঙ্গে সিইসির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বিকালে সংসদ সচিবালয় থেকে চিঠি দিয়ে সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।’

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে সংসদ সদস্যদের সংখ্যা, নাম ও নির্বাচনি এলাকা উল্লেখ করে চিঠিটি পাঠানো হয়।

স্পিকার-সিইসির বৈঠকের পর তফসিল ঘোষণার আনুষ্ঠানিকতা বাকি রয়েছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে করণীয় ঠিক করতে বৃহস্পতিবার কমিশন বৈঠক ডাকা হয়েছে।

এখনও তফসিল ঘোষণা না করা হলেও মঙ্গলবার আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন থেকে এমন তথ্য তিনি জানতে পেরেছেন।’

সংবিধানের ১২৩ (১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি পদের মেয়াদ অবসানের কারণে উক্ত পদ শূন্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখের পূর্ববর্তী ৯০ দিন থেকে ৬০ দিনের মধ্যে শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন ১৯৯১ অনুযায়ী একাধিক প্রার্থী হলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সংসদ সদস্যদের ভোটে। আর প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাতে নির্বাচনী কর্তা হিসেবে কাজ করেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী, একাধিক প্রার্থী হলে সংসদের অধিবেশন কে নির্বাচনী কর্তার সামনে নির্ধারিত ব্যালট পেপারে পছন্দের প্রার্থীর নাম ও নিজের স্বাক্ষর দিয়ে তা জমা দিতে হবে। ভোটের দিন গ্যালারিসহ সংসদ কে প্রার্থী, ভোটার, ভোট নেওয়ায় সহায়তাকারী কর্মকর্তা ছাড়া সবার প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করবেন নির্বাচনী কর্তা। ভোট শেষে নির্বাচন কমিশনার প্রকাশ্যে ভোট গণনা করবেন। সর্বাধিক সংখ্যক ভোটপ্রাপ্তকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে। আর সমান ভোট পেলে প্রার্থীদের মধ্যে লটারির মাধ্যমে ফল নির্ধারণ করা হবে।