বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায় জাতিসংঘ

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৮:২৭ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৩, ২০১৭ | আপডেট: ৮:২৭:পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৩, ২০১৭
বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায় জাতিসংঘ

জাতিসংঘ বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত সংস্থাটির আবাসিক সমন্বয়ক রবার্ট ডি ওয়াটকিনস। তার মতে, কার্যকর গণতন্ত্র ছাড়া কোনো দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। আজ (বৃহস্পতিবার) ঢাকার কূটনৈতিক রিপোর্টারদের সংগঠন ডিক্যাব আয়োজিত ‘ডিক্যাব টকে’ তিনি এসব কথা বলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে ওয়াটকিনস বলেন, সবার অংশগ্রহণে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ হবে এই আশা করি। আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু করতে প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার বিকল্প নেই। জাতিসংঘ বিশ্বাস করে সম্পূর্ণ কার্যকরী গণতন্ত্রই বিশ্বের জন্য ভালো।

তবে, ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতার সুযোগ নেই।

আজ রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটউটের সেমিনার কক্ষে ‘নির্বাচন কমিশনে আওয়ামী লীগের ১১ দফা প্রস্তাবনা, জনগণের প্রস্তাবনা’- শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা জানান।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি সমঝোতার দরজা বন্ধ করে দিয়েছে। ফেনীর ঘটনা উস্কানিমূলক। পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিএনপি ফেনীতে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এই ঘটনা সংঘাতেরই উস্কানি। আমরা চাই বিএনপি নির্বাচনে আসুক। ১৫৩ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার যে কথা বলা হয় সেটার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় আমরা সেটাই চাই।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করুক সেটা আমরা চাই। নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগ বা বিএনপির প্রতি পক্ষপাতিত্ব করুক সেটা আমরা চাই না। আমরা চাই নিরপেক্ষ নির্বাচন।

এ প্রসঙ্গে, নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের সংগঠন ইলেকশন ওয়াকিং গ্রুপের (ইডব্লিউজি) পরিচালক ড. আব্দুল আলীম বলেন, আগামী নির্বাচন নিয়ে এখন পর্যন্ত নেয়া পদক্ষেপ ইতিবাচক। আর আগামী নির্বাচন সবার অংশগ্রহণমূলক হবে, এটাই বুঝা যাচ্ছে। তবে সেই নির্বাচন কতটা অবাধ ও গ্রহণযোগ্য হবে, তা এখনই বলা মুশকিল। এজন্য সব দলের মধ্যে সমঝোতা জরুরি বলেই মনে করেন তিনি।

আদালতে খালেদা জিয়া

এদিকে, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ অভিযোগ করেছেন, অসৎ উদ্দেশ্যে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া এবং নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে ক্ষমতাসীনরা একটি নীল নকশা প্রণয়ন করেছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বকশিবাজারে স্থাপিত অস্থায়ী বিশেষ জজ আদালতে তার বিরুদ্ধে আনীত দুটি মামলার শুনানিতে হাজিরা শেষে বের হয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন খালেদা জিয়া।

এরআগে, নির্বাচন  কমিশনের সাথে  সংলাপে  রাজনৈতিক দল  ও সংশ্লিষ্ট  মহল নির্বাচনের  পুর্বেই  রাজনৈতিক দলগুলির  মাঝে সমঝোতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। কিন্তু  দু’মাস  ধরে চলা  সংলাপ  সমাপ্ত  করে প্রধান  নির্বাচন কমিশনার সাফ বলে দিয়েছেন, রাজনৈতিক দলগুলির মাঝে সমঝোতা করার কোন দায়-দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন নেবে না। #

  • পার্সটুডে