এ কোন আ’লীগ?

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১২:১৮ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০১৮ | আপডেট: ১২:১৯:পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০১৮
এ কোন আ’লীগ?

তারেক : ত্যাগী, যোগ্যদের বঞ্চিত করে বিতর্কিত ও অন্যদলের নেতাদের উপ-কমিটিতে ঠাঁই দেয়াকে কেন্দ্র করে হ য ব র ল অবস্থায় পড়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে আলোর মুখ দেখার আগেই দলের এ উপ-কমিটি পড়েছে ক্ষোভ ও প্রতিরোধের মুখে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হলেও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদকের স্বাক্ষর করা এ কমিটি ‘ভাইরাল’ হয়েছে গত কয়েকদিন ধরেই। কমিটির বিপক্ষে অবস্থানকারীরা চালাচ্ছেন ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা। বঞ্চিতদের ক্ষোভের মুখে পড়ার আশঙ্কায় কোনো নেতাই দায় নিচ্ছেন না এ কমিটির। ক্ষুব্ধদের ভয়ে গত কয়েকদিন ধরে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডি কার্যালয়ও এড়িয়ে চলছেন অনেক নেতা। বঞ্চিতদের অভিযোগের আঙ্গুল যার দিকে সেই দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ গত কয়েকদিন ধরেই কার্যালয়ে আসছেন না। তিনি তার নির্বাচনী এলাকায় রয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। আর দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গত শনি ও রবিবার বঞ্চিত-ক্ষুব্ধ নেতাদের তোপের মুখে পড়েছেন। ছিলেন দীর্ঘসময় এক প্রকার অবরুদ্ধ অবস্থায়। পরপর দুদিন নেতাকর্মীদের তোপের মুখে গত রবিবার সন্ধ্যায় অবশ্য এ আলোচিত-বিতর্কিত উপ-কমিটি তিন মাসের জন্য স্থগিতও ঘোষণা করেছেন তিনি।

ক্ষুব্ধ নেতাদের অভিযোগ, বিএনপি-জামায়াত, সন্ত্রাসী, ধর্ষক এবং হাইব্রিডদের দলে জায়গা না দিয়ে ত্যাগী, পরীক্ষিত নেতাদের কমিটিতে রাখতে কেন্দ্রের নেতারা বারবার তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের হুঁশিয়ারী দিয়ে থাকেন। অথচ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ-কমিটিতেই এ ধরনের বিতর্কিত নেতাদের ঠাঁই হয়েছে। বঞ্চিতদের বক্তব্য, দলের কথা, দলের নীতি আদর্শের কথা চিন্তা না করে নিজের লোক, পকেটের লোক ও অবৈধ অর্থের লেনদেনের মাধ্যমে এ উপ-কমিটি পূরণ করা হয়েছে। তাদের আরও অভিযোগ, টাকার বিনিময়ে পদ বিক্রি করা হয়েছে। এতে কারও কারও অফিসের পিয়ন, বাসার কর্মচারী, বিএনপির লোককে নেতা বানানো হয়েছে। আর দলের সভাপতির অনুমোদনহীন এ কমিটির মাধ্যমে আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রেরও লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আওয়ামী লীগের গঠণতন্ত্রের ২৫-এর ‘ক’ উপধারায় দলের সভাপতির কার্যাবলিতে বলা হয়েছে, ‘সভাপতি বিভাগীয় (সম্পাদকীয় বিভাগ) উপ-কমিটিসমূহ গঠন করিবেন। তিনি প্রত্যেক উপ-কমিটির জন্য অনূর্ধ্ব পাঁচজন সহ-সম্পাদক মনোনীত করিবেন। সভাপতি উপ-কমিটিসমূহের কার্যাদি তদারক ও সমন্বয়ের ব্যবস্থা করিবেন।’ আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রের ২৫-এর ‘চ’ উপধারায়ও একই কথা বলা হয়েছে, ‘সংগঠনের সভাপতি কর্তৃক উপ-কমিটির সদস্য সংখ্যা নির্ধারিত হইবে এবং তিনি উপ-কমিটিসমূহ গঠন করিয়া দিবেন।’ উপ-কমিটি নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই গঠণতন্ত্রের ধারা উল্লেখ করে দলের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা বলছেন, দলীয় সভাপতিকে পাশ কাটিয়ে এ উপকমিটি গঠন ‘অগঠণতান্ত্রিক’।

আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সম্পাদকীয় প্রতিটি পদে সর্বোচ্চ ৫জন করে উপ-কমিটির সহ সম্পাদক মনোনীত করা যাবে। সে মোতাবেক ১৯ সম্পাদকীয় পদের সঙ্গে ৫জন করে সহ সম্পাদক মিলে মোট ৯৫জন সহ সম্পাদক দেয়া যাবে। কিন্তু গঠনতন্ত্রের এ নিয়মাবলী আগে বা বর্তমানেও মেনে চলা হয়নি। এছাড়া, সম্পাদকীয় পদের উপ-কমিটিতে সদস্য সংখ্যা নির্দেশিত নেই। এ সুযোগে আগে বা বর্তমানেও এর সংখ্যা লাগামহীনই হয়ে থাকছে।

আওয়ামী লীগের কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা বলছেন, উপ-কমিটির বিষয়টি দলীয় সভাপতির অগোচরে হয়েছে। দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সিনিয়র এক নেতা বলেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী উপ-কমিটি গঠনের এখতেয়ার দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার। সভাপতির নির্দেশে দলের সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরে এ উপ-কমিটি হতে পারে। কিন্তু দলের দফতর সম্পাদকের স্বাক্ষরে উপ-কমিটি গঠন হলে তা ‘অগঠনতান্ত্রিক’।

আলোচিত উপ-কমিটি নিয়ে দলের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত যেমন আনুষ্ঠানিক ঘোষণাও দেয়া হয়নি তেমনি বাতিল বা স্থগিত বলা হলেও দেয়া হয়নি কোনো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিও। তবে সূত্র জানায়, অনেক উপ-কমিটির সহ সম্পাদককে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে সহ-সম্পাদক দেয়ার বিষয়টি নিয়েও কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রে সাংগঠনিক সম্পাদকদের ‘সংগঠন বিভাগ’ বলে আখ্যা দেয়া হয়েছে। দলের কয়েকজন নেতা সাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে সহ-সম্পাদক দেয়াকেও অগঠনতান্ত্রিক বলে দাবি করেন। কিন্তু যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে সহ সম্পাদক দেয়ার কোনো বিধান গঠনতন্ত্রে নেই।

সর্বশেষ জানা গেছে, গতকাল সোমবার বিকালে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ গণভবনে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বিতর্কিত উপ-কমিটির কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেছেন। দলীয় সভাপতির নির্দেশনা নিয়ে আবদুস সোবহান গোলাপ গতকাল সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির কার্যালয়ে প্রবেশ করেন।

পরপর দুদিন ক্ষুব্ধ নেতাদের তোপের মুখে ওবায়দুল কাদের

ব্যাপক সমালোচনার মধ্যে আলোচিত উপ-কমিটির কোনো ধরণের কার্যকারীতা নেই বলে প্রথম প্রথম দাবি করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ বিষয়ে বিক্ষুব্ধ নেতারা গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দেখা করলে ওবায়দুল কাদের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদকের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে জানান। তিনি বলেন, কিসের সহ-সম্পাদক, কিসের তালিকা! সব বাতিল… আমার স্বাক্ষর আছে সেখানে? আগামী তিন মাসের মধ্যে নেত্রীর (শেখ হাসিনা) অনুমতি নিয়ে সহ-সম্পাদক ঘোষণা করা হবে।’

এ বিষয়ে ক্ষুব্ধ নেতারা বলছেন, কেন্দ্রের দুই-একজন নেতা বলেছেন, এই তালিকা ফাইনাল নয়, তাহলে তালিকার বেশির ভাগ সহ-সম্পাদককে চিঠি দেয়া হল কেন? তারা আরও বলেন, কেন্দ্রের সব নেতাই জানেন এই কমিটি সম্পর্কে। তবে তারা এখন বলছেন, তারা জানেন না। দায় এড়িয়ে একে অন্যের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন।

গত শনিবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক পদ না পাওয়া ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতাদের তোপের মুখে পড়েন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। পরে অন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তিনি বলেন, ফেসবুকে যে তালিকা প্রকাশ হয়েছে, ওটা তারা চূড়ান্ত করেননি। তিন মাস যাচাই-বাছাই শেষে তালিকা প্রকাশ করা হবে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা ছয়টার দিকে নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় উপ-কমিটিতে পদ না পাওয়া ছাত্রলীগের কিছু সাবেক নেতা তার কক্ষের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন। তখন সংগঠনটির সাবেক কয়েকজন নেতা ওই কক্ষে প্রবেশের চেষ্টা করলে কক্ষটির দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে দেয়া হয়। এ সময় সহ-সম্পাদক পদপ্রত্যাশী নেতাকর্মীরা ওই কক্ষের সামনে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকেন এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। প্রায় দেড়ঘন্টা সময় ওবায়দুল কাদের কক্ষের ভেতরেই থাকেন। এ সময় ছাত্রলীগের নেতারা কক্ষের বাইরে থেকে ওবায়দুল কাদেরের কাছে জানতে চান, আওয়ামী লীগের উপ-কমিটিতে কেন বিএনপি-জামায়াত ও ছাত্রদলের সাবেক নেতাকর্মীদের স্থান দেয়া হলো এবং ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের কেন মূল্যায়ন করা হলো না। ওবায়দুল কাদের এর কোনো জবাব দেননি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এর একপর্যায়ে পাশের কক্ষে থাকা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বেরিয়ে আসেন। তারা বিক্ষুব্ধ নেতাদের শান্ত করেন। নানক কক্ষের দরজা খুলতে বললে দরজা খোলা হয়। ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন সাবেক নেতাদের নিয়ে কক্ষে প্রবেশ করেন। এসময় ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা প্রশ্ন করলে ওবায়দুল কাদের বলেন, সহ-সম্পাদকের এই উপকমিটি দেয়া হয়নি। তবু বিভিন্ন মাধ্যমে মানুষ বিষয়টি জেনে গেছে। বর্তমানে এই উপ-কমিটি স্থগিত করা হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে সঠিক যাচাই-বাছাইয়ের পর উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক পদে কমিটি দেয়া হবে। এরপর সন্ধ্যা সাতটার দিকে ছাত্রলীগের বিক্ষুব্ধ নেতারা দলের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

এদিকে গত রবিবার সন্ধ্যায়ও ওবায়দুল কাদেরের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ করেন দলটির উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক পদ না পাওয়া ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা। ধানমন্ডিতে দলের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে ওইদিন দুপুরে সচিবালয়ে ওবায়দুল কাদের দাবি করেন, ধানমন্ডিতে ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের হইচইয়ের ঘটনাটি বিক্ষোভ ছিল না, ছিল ‘আনন্দ মিছিল’। আর সংবাদমাধ্যমে খবরটি যেভাবে এসেছে, তাতে ‘খুব কষ্ট’ পেয়েছেন তিনি। সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তখন তারা আনন্দ মিছিল করছিল। আর এটাকে বলে বিক্ষোভ মিছিল! সেক্রেটারিকে নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল! এটা অন্যায় এটা কষ্টকর।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ওবায়দুল কাদের তার গাড়িতে করে দলীয় কার্যালয়ে সামনে পৌঁছান। সেখানে আগে থেকে অবস্থান করছিলেন দলের উপ-কমিটিতে পদ না পাওয়া ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতারা। দলের সাধারণ সম্পাদকের গাড়ি দেখেই তা ঘিরে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। এ সময় বিক্ষুব্ধ নেতারা নানা ধরনের শ্লোগানও দেন। একপর্যায়ে দলীয় কার্যালয়ে আগে থেকে অবস্থান করা কেন্দ্রীয় নেতারা বাইরে আসেন। তারা ওবায়দুল কাদেরকে নিয়ে কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপরও বিক্ষুব্ধ নেতারা কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করছিলেন।

বিক্ষুব্ধ নেতাদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক পদে ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতাদের মূল্যায়ন না করে বিএনপি-জামায়াত ও ছাত্রদলের লোকজনকে পদ দেয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সাবেক সহ-সম্পাদক বলেন, যারা কেন্দ্রীয় নেতাদের পায়ে ধরে সালাম করে না, তাদের পিয়নের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও বাসার কাজের ছেলের সঙ্গে খাতির রাখে না, তেলবাজি করতে পারে না, তারা ত্যাগী, পরীক্ষিত ও পরিশ্রমী হওয়া সত্তে¡বও উপ-কমিটিতে স্থান পায়নি।

ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা হেমায়েত উদ্দিন বলেন, গত সাত বছর অনেক কষ্ট করেছি। দলের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ করেছি। কিন্তু কী পেলাম? রাজপথে ঘাম ঝরাই আমরা, আর পদ পায় ছাত্রদল-শিবির ক্যাডাররা?

সাবেক সহ-সম্পাদক কায়সারুজ্জামান মামুন বলেন, বিএনপির ক্যাডারদের দায়িত্ব দেয়া ছাড়াও যারা কোনো দিন আওয়ামী লীগ করেনি, কোনো ইউনিটে দায়িত্বপালন করেনি, তাদের কেন্দ্রীয় নেতা বানানো হয়েছে টাকার বিনিময়। এটা আমাদের জন্য এবং আওয়ামী লীগের জন্য অনেক বড় অসম্মানের।

আরেক সাবেক সহ-সম্পাদক রাশিদুল বাশার ডলার বলেন, রাজপথে থেকেছি আমরা, কষ্ট করেছি আমরা। আর পদ পায় অন্য দলের ও অপরিচিত লোকজন। অফিসের পিয়ন ও কাজের লোক যদি কেন্দ্রীয় নেতা হয় তাহলে সেই দলের সম্মান কোথায় থাকে?

এর আগে ২০তম সম্মেলনে দলের সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়ে গত ২৬ অক্টোবর ধানমন্ডিতে দলীয় সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে সম্পাদকমন্ডলীর বৈঠক শেষে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, দলের গঠনতন্ত্রে কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদকের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০০ করার যে বিধান রয়েছে, আমরা এর বাইরে যাব না। এই কমিটির সদস্য সংখ্যা ১০০ মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।

  • উৎসঃ ইনকিলাব

Mountain View

Mountain View

Mountain View