বইমেলায় প্রকাশিত হলো কবি মোহাম্মদ এমরান’র ২য় একক কাব্যগ্রন্থ

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৪:০৮ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৬, ২০২১ | আপডেট: ৪:০৮:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৬, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক: এবারের অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হলো বরিশালের কৃতিসন্তান কবি মোহাম্মদ এমরানের ২য় একক কাব্যগ্রন্থ “কেঁদে ফিরে স্বাধীনতা”। বইটি প্রকাশ করেছে আবরার পাবলিকেশন্স। ৯৬ পৃষ্ঠার বইটিতে ছোট বড় মিলিয়ে কবিতা রয়েছে ৭৭ টি। বই মেলায় ৪১০ নং আবরার পাবলিকেশন্স এর স্টলে পাওয়া যাচ্ছে বইটি। বইয়ের প্রচ্ছদ এঁকেছেন নুরুল ইসলাম পেয়ার। বইটির বিনিময় মূল্য ধরা হয়েছে ২’শ টাকা।

এর আগে গত বছর অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছিল কবি মোহাম্মদ এমরানের প্রথম একক কাব্যগ্রন্থ ‘জীবন এক জলকণা’। ৬৬ টি কবিতা নিয়ে সেই কাব্যগ্রন্থটি রচিত হলেও ছড়ার ন্যায় কিছু কবিতা ছড়িয়ে রয়েছে। তরুণ কবি হৃদয়ের আবেগ, সংযম এবং কাব্যের ভাষা সুরুচি ও বৈচিত্র বোধের পরিচায়ক। ঢাকার নোলক প্রকাশন কর্তৃপক্ষ প্রকাশনার মত বিরাট দায়িত্ব গ্রহণ করলেও ৬৬ টি কবিতার মধ্যে ‘জীবন এক জলকণা’ নামের কোন কবিতা নেই। এরকম দৃষ্টান্ত অনেক কাব্যগ্রন্থে আছে। বইটির প্রচ্ছদ এঁকেছেন ওয়ালিউল ইসলাম। গ্রন্থটি কবিতা মহলে বেশ সাড়া জাগিয়েছিল।

২০২০ সালে কবির আরও দুটি যৌথ কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়। একটি করোনা মহামারী উপজীব্য করে লেখা স্বপ্নকথা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত “মৃত্যুর মিছিল” এবং অন্যটি বঙ্গবন্ধুর জন্ম শত বার্ষিকী উপলক্ষে লেখা কবি ও কবিতার ভূবণ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত “শতবর্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি” বই দুটিও পাঠক মহলে বেশ সমাদৃত হয়েছে।

রসায়নের ছাত্র কবি মোহাম্মদ এমরান প্রকৃতি প্রেমী, শিক্ষাদীক্ষায় বুদ্ধিদীপপ্ত ও রাজনীতি সচেতন। তিনি পেশায় একজন বীমা কর্মকর্তা। জন্ম ১ জানুয়ারি ১৯৮০ সালে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। বাবা মরহুম জাহাঙ্গীর আলম ডিহিদার পেশায় একজন প্রধান শিক্ষক ছিলেন। মা রেহান-আরা-বেগম একজন ধর্মভীরু সু-গৃহিনী। কবি মোহাম্মদ এমরান বরিশাল সরকারী ব্রজমোহন কলেজ থেকে রসায়ন শাস্ত্রে অধ্যাপনা শেষ করে বীমা পেশায় আত্মনিয়োগ করেন। বর্তমানে বরিশাল সিটির তিন নং ওয়ার্ডের পুরানপাড়া’য় রেহান-আরা মঞ্জিলে কবির স্থায়ী নিবাস। কবি’র ছয় ভাইবোন, তিনি দু’ভাইয়ের মধ্যে ছোট। ভাই বোনেরা সবাই উচ্চতর ডিগ্রিধারী। নানান ব্যস্ততার মাঝেও লেখা-লেখি, সামাজিক ও মানবিক কাজ’কে তিনি অগ্রাধিকার দেন। যারা দেশকে ভালবাসেন, প্রকৃতিকে ভালবাসেন, দেশের মানুষকে নিয়ে ভাবেন, তারাই তার এ কাব্যের প্রেরণা।