অষ্টম শেণী পাশ যখন ডাক্তার! নেই নার্স ডাক্তার তারপরও ক্লিনিক

প্রকাশিত: ১০:২৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২২, ২০১৮ | আপডেট: ১০:২৬:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২২, ২০১৮
অষ্টম শেণী পাশ যখন ডাক্তার! নেই নার্স ডাক্তার তারপরও ক্লিনিক

যশোরের চৌগাছা ও মহেশপুরে সীমান্তবর্তী এলাকা পুড়াপাড়া বাজারে সুমি নামে একটি বেসরকারি ক্লিনিক অবস্তুিত। ক্লিনিকে সার্বক্ষণিক এক জন ডাক্তার থাকার কথা,ডিপ্লোমা ধারি নার্স থাকার কথা থাকলেও সেখানে কোন ডাক্তার কিংবা নার্স নেই । নেই চিকিৎসা দেয়ার মতো উন্নত পরিবেশ। অপারেশন থিয়েটার দেখলে মনে হবে গৃহস্থবাড়ির রান্নাঘর। অনেকটা ঢাল নেই, তলোয়ার নেই নিধিরাম সরদারের মতো। বেশির ভাগ ক্লিনিকে ডাক্তার ও নার্স না থাকলেও কীভাবে লাইসেন্স নবায়ন হয় তা নিয়ে সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছে। এই মানহীন ক্লিনিক ব্যবসা শ্রেফ বাণিজ্যিক বলেও অনেকের অভিমত। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা. রাশেদা সুলতানা জানান, এ বিষয়ে আমরা খুবই কঠোর। শর্ত পূরণ করা না হলে কারো লাইসেন্স নবায়ন করা হবে না। তিনি বলেন, ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে আমরা কারো লাইসেন্স নবায়ন করিনি। তাছাড়া এখন থেকে বিষয়টি মন্ত্রণালয় দেখভাল করছে। তিনি এ-ও বলেন, আমরা অভিযোগ পেলেই ত্রুটিপূর্ণ ক্লিনিকগুলো সিল গালা করে বন্ধ করে দিচ্ছি। মহেশপুর পুড়াপাড়া বাজার যেখানে ৫০০০ হাজার লোকের বসবাস একটি মাত্র সুমি ক্লিনিক তাও আবার নেই কোন দক্ষ সার্জন নেই কোন সার্টিফিকেট ধারি নার্স নেই কোন দক্ষ ল্যাব টেকনেশিয়ান দির্ঘ্য ২৫ বছর ধরে এধরনের প্রতারনা করে আসছে স্বামী আর স্ত্রী মিলে। অপারেশনের কাজ করেন রাতের অন্ধকারে সাধারন মানুষের চোখে ধুলা দিয়ে ক্লিনিক মালিক মোস্ত নিজে।আর মাঝে মাঝে লোক দেখানোর জন্য সার্জন আনেন জীবননগর থেকে এম এ আলী যার খোজ নিয়ে দেখা যায় সে ভারত থেকে আসা এক জন গ্রাম্য ডাক্তার। ক্লিনিক মালিক মোস্তর দাপটের ভয়ে কেউ সুমি ক্লিনুকের বিরুদ্ধে কথা বলেনা। এভাবে চলছে সুমি ক্লিনিকের রাম রাজত্য। দীর্ঘ দিন ধরে প্রতারনার শিকার হচ্ছে এলাকার নিরিহ সাধারন মানুষ। সুমি ক্লিনিক তারা দুজন স্বামী আর স্ত্রী পরিচালনা করেন।এ ব্যাপারে ক্লিনিক মালিক মোস্ত বলেন সবাই যে ভাবে চালাচ্ছে আমিও সে ভাবে চালাচ্ছি।আপনারা যা পারেন তাই লেখেন।