মারা গেছেন ঢাকাই সিনেমার কিংবদন্তী অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান

এ আল মামুন এ আল মামুন

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ১০:০৯ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২১ | আপডেট: ১০:০৯:পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২১

অনলাইন ডেস্কঃ মারা গেছেন ঢাকাই সিনেমার কিংবদন্তী অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান। আজ (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা দিকে নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন গুণী এই অভিনেতা (ইন্নালিল্লাহি… রাজিউন)।তার মৃত্যুতে চলচ্চিত্রা এবং নাটকঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।এ তথ্য প্রতিঘণ্টা ডটকমকে নিশ্চিত করেছেন এটিএম শামসুজ্জামানের ভাই সালেহ জামান সেলিম।মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।

এর আগে গত বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে পুরান ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল এটিএম শামসুজ্জামানকে। তার অক্সিজেন লেভেল কমে গিয়েছিল। হাসপাতালে ডা. আতাউর রহমান খানের তত্ত্বাবধানে ছিলেন জনপ্রিয় এ অভিনেতা।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জীবন্ত কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান। শুধু চলচ্চিত্রেই নয়, নাটকের পর্দায়ও সমানভাবে জনপ্রিয় তিনি। এছাড়া একাধারে তিনি নির্মাতা, চিত্রনাট্যকার, কাহিনিকার, সংলাপ রচয়িতা ও গল্পকার।

১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধূরির বিষকন্যা চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবেএটিএম শামসুজ্জামানের চলচ্চিত্র জীবনের শুরু । প্রথম কাহিনী ও চিত্রনাট্য লিখেছেন জলছবি চলচ্চিত্রের জন্য। ছবির পরিচালক ছিলেন নারায়ণ ঘোষ মিতা, এ ছবির মাধ্যমেই অভিনেতা ফারুকের চলচ্চিত্রে অভিষেক।

এ পর্যন্ত তিনি শতাধিক চিত্রনাট্য ও কাহিনী লিখেছেন। এছাড়াও খান আতাউর রহমান, কাজী জহির, সুভাষ দত্তদের সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। এরপর ২০০৯ সালে প্রথম পরিচালনা করেন শাবনূর-রিয়াজ জুটির এবাদত নামের ছবিটি।

অভিনয়ের জন্য আজীবন সম্মাননাসহ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন ছয় বার, তন্মধ্যে দায়ী কে? (১৯৮৭) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে; ম্যাডাম ফুলি (১৯৯৯), চুড়িওয়ালা (২০০১) ও মন বসে না পড়ার টেবিলে (২০০৯) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ কৌতুক অভিনেতা বিভাগে; এবং চোরাবালি (২০১২) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে পুরস্কৃত হন। এছাড়া, ৪২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের সময় তিনি আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হন।

শিল্পকলায় অবদানের জন্য ২০১৫ সালে তিনি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত হন