বরগুনার আমতলীতে ডায়েরিয়ার প্রকোপ হাসপাতালে ঔষধ সংঙ্কট

আল নোমান আল নোমান

বরগুনা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ৩০, ২০২০ | আপডেট: ১২:১৭:পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ৩০, ২০২০

তীব্র শীতের কারনে বরগুনার আমতলীতে ডায়েরিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। গত এক সপ্তাহে ৩০ জন ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঔষধ সঙ্কট রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পরেছে রোগীর স্বজনরা। ঔষধ সংঙ্কট থাকায় রোগীর স্বজনদের বাহির থেকে অধিকাংশ ঔষধ কিনতে হচ্ছে এমন অভিযোগ রোগীর স্বজনদের।
জানাগেছে, শীত বৃদ্ধির সাথে সাথে উপজেলার প্রত্যান্ত অঞ্চলে পানি বাহিত রোগের প্রার্দূভাব দেখা দিয়েছে। গ্রাম-গঞ্জে শিশু ও বৃদ্ধরা ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। গত এক সপ্তাহে ৩০ জন রোগী আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু ও বৃদ্ধ। আমতলী ও তালতলী উপজেলার ৪৫ টি কমিউনিটি ক্লিনিক ও তিনটি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রতিদিন অন্তত দুই’ শতাধিক মানুষ পানি বাহির রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। এর মধ্যে গুরুতর আক্রান্তরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে। এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঔষধ সংঙ্কটের কারনে রোগীদের বাহির থেকে অধিকাংশ ঔষধ কিনতে হচ্ছে এমন অভিযোগ রোগীর স্বজনদের। বাহির থেকে ঔষধ কিনতে হওয়ায় ভোগান্তিতে পরেছে রোগীর স্বজনরা। দ্রুত তারা হাসপাতালে ঔষধ সরবরাহের দাবী জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘুরে দেখা গিয়েছে, ছয়জন ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে চারজন শিশু। তাদের হাসপাতালে থেকে শুধু মাত্র ডায়েরিয়া সেলাইন ছাড়া আর কিছুই দেয়া হচ্ছে না। অধিকাংশ ঔষধ রোগীর স্বজনদের বাহির থেকে কিনতে হচ্ছে।
ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত শিশু মাহিরার বাবা মোঃ মামুন মীর বলেন, হাসপাতাল থেকে সেলাইন ছাড়া আর কিছুই দেয়া হচ্ছে না। সকল ঔষধ বাহির থেকে কিনতে হচ্ছে।
ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত শিশু মুছার মা রেহেনা, আমির হামজার মা রিপা ও সামিয়ার মা সানজিদা বলেন, হাসপাতালে থেকে কোন ঔষধ দেয়া হচ্ছে না, অধিকাংশ ঔষধ বাহির থেকে কিনতে হচ্ছে। দ্রুত ঔষধ সরবরাহের দাবী জানান তারা।
আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সংকর প্রসাদ অধিকারী সিরাপ সাসপেনশন সঙ্কটের কথা স্বীকার করে বলেন, করোনার কারনে স্বাস্থ্য কর্মীরা গ্রামে-গঞ্জে মানুষকে সচেতন করতে না পারায় ডায়েরিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে।