কলাপাড়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের সদস্যদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীর সাংবাদিক সন্মেলন ॥

প্রকাশিত: ৩:০২ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ২১, ২০২০ | আপডেট: ৩:০২:পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ২১, ২০২০

রাসেল কবির মুরাদ , কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি  ঃ  কলাপাড়ায় এক লক্ষ
টাকা মুক্তিপনের অভিযোগ এনে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের সদস্যদের
বিরুদ্ধে সংবাদ সন্মেলন করেছে এক শিক্ষার্থী। শনিবার কলাপাড়া প্রেসক্লাবে
এ সংবাদ সন্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সন্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মো: ইয়ামিন ইসলাম জানান, বর্তমানে তিনি
বরিশাল ব্রজমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মাষ্টার্স এ
অধ্যায়নরত। গত ২ ডিসেম্বর সন্ধ্যার দিকে লালুয়া ইউনিয়নের বানাতি বাজার
থেকে তিনটি মোটরসাইকেল নিয়ে পাঁচজন বন্ধু কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন।
পথিমধ্যে মাইট ভাঙ্গা এলাকা থেকে অপর এক বন্ধু  শাকিলকে নিয়ে যাওয়ার সময়
সাদা পেশাকে ৭জনের একটি দল আমাদের সড়কে আটকিয়ে মোটরসাইকেল থামাতে বললে
আমরা মোটরসাইকেল থামাই । এসময় তারা আমাদের শরীর তল্লশি করলে আমরাও
তাদেরকে সহযোগিতা করি। শেষে শাকিব ও ফেরদৌসকে হাতকড়া পরিয়ে অপরদের ছেড়ে
দেয় হয়। হাতকড়া পড়ানোর কারন এবং তাদের পরিচয় জানতে চাইলে তারা ডিবি পরিচয়
দিয়ে আমাদের কড়া ভাষায় ধমক দেয় এবং সাথে সাথে দু’টি মোটর সাইকেলের চাবি
নিয়ে আমাদের মোবাইল ফোন গুলো বন্ধ করে দেয়। এরপর একটি মাহিদ্রা গাড়ীতে
করে আমাদের উঠিয়ে শেখ রাসেল সেতু পারাপারের সময় এক লক্ষ টাকা মুক্তিপন
দাবী করে । তাদের এ অন্যায় প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় তারা – ‘শালাগো নিয়ে
চল দেখাইয়া দেই আমাদের কলমের জোড় কতটা’  শব্দ গুলো উল্লেখ করেন ।
পরবর্তীতে উপজেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অফিসে নিয়ে শাকিলকে চর-থাপ্পর দেয়
। এক পর্যায়ে আমরা সকলে অন্যায় আটকের প্রতিবাদ করলে আমাদের সাদা কাগজে
স্বাক্ষর নেয় । পরে আমাদের জব্দকৃত মোটর সাইকেল দু’টি মাদকদ্রব্য
নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরে উপ-পরিদর্শক মো: মোস্তাফিজুর রহমানসহ অন্যান্য
কর্মকর্তারা তাদের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করতেন। যা স্থানীয়দের
দৃষ্টিগোচর হলে তারা এর প্রতিবাদ করে ।  গত ৭ ডিসেম্বর আবারো পৌরশহরে
মোটর সাইকেল চালাতে দেখে স্থানীয়দের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোটর সাইকেলসহ
তাদের থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থী সবশেষে বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরে
কলাপাড়ায় কর্মরত অসৎ ওই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বানোয়াট মামলা
প্রত্যাহারসহ তাদের শাস্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন
করেন।