নাটকীয় জয়ে আসরে টিকে গেল বরিশাল

প্রকাশিত: ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৩, ২০২০ | আপডেট: ১২:৩৩:পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৩, ২০২০

নাটকীয় জয়ে আসরে টিকে গেল বরিশাল। এলিমিনেটর রাউন্ডে তারা আবারও খেলবে টেবিলের ৩-এ থাকা বেক্সিমকো ঢাকার বিপক্ষে।

শুরুতে ব্যাট করে সাইফ, আফিফ ও তৌহিদ হৃদয়ের ফিফটিতে, নির্ধারিত ওভারে ৩ উইকেটে ১৯৩ রান সংগ্রহ করে বরিশাল। জবাব দিতে নেমে, জয় থেকে মাত্র ২ রান আগে থামে ঢাকার ইনিংস। সেঞ্চুরি করেও দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিতে পারেননি নাঈম শেখ। শঙ্কা ছিল আসরের একমাত্র দল হিসেবে কোয়ালিফায়ারের আগে বাদ পড়ার। পুরো আসরের সবচেয়ে অধারাবাহিক ফরচুন বরিশাল নিজেদের একেবারে শেষ ম্যাচে জয় নিয়ে উঠে এলো এলিমিনেটরে। তাও নাটকীয় এক জয়ে। তামিম ইকবালের দল ২ রানে হারিয়েছে মুশফিকুর রহিমের বেক্সিমকো ঢাকাকে।

মিরপুরে টস হেরে ব্যাট ক’রতে নেমে ভালো সূচনা পায় বরিশাল। তামিম ইকবাল আর সাইফ হাসান মিলে উদ্বোধনী জুটিতে তোলেন ৫৯ রান। ১৭ বলে ১৯ রান করে বিদায় নেন তামিম। ঝোড়ো এক সেঞ্চুরি করে নায়ক বনে যাওয়া তরুণ পারভেজ ইমন এদিন ঝড় তু’লতে পারেননি। ১৩ রান করে বিদায় নিয়েছেন। ৪৩ বলে ৫০ রান করে আউট হয়ে যান ওপেনার সাইফ হাসান।

এরপর শুরু হয় দুই তরুণ ব্যা’টসম্যান আফিফ হোসেন ও তৌহিদ হৃদয়ের তান্ডব। দু’জন মিলে গড়েন ৩৮ বলে ৯১ রানের অপরাজেয় জুটি। এসময়ে দু’জন হাঁকিয়েছেন ৯টি বিশাল ছক্কা। ২৫ বলে ৫০ রান করে অপরাজিত থাকেন আফিফ। আর হৃদয় অ’পরাজিত থাকেন ২২ বলে ৫১ রানের একটি ইনিংস খেলে। দুজনের ব্যাটিংয়ে চড়ে, ১৯৩ রানের বড় সংগ্রহ পায় বরিশাল।

বড় টার্গেটকে সামনে রেখে ঝো’ড়ো সূচনা পায় ঢাকাও। নাঈম ও সাব্বিরের ওপেনিং জুটিতে দল পায় ৫২ রান। ১১ বলে ১৯ রান বিদায় নেন সাব্বির রহমান।

অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম এদিন ব্যাট হাতে প্রত্যাশা মেটাতে পারেননি। বিদায় নিয়েছেন ৫ রান করে। একই ওভা’রে খালি হাতে আল আমিনও বিদায় নিলে বিপদে পড়ে যায় ঢাকা।

উদ্ধারকর্তা হয়ে আসেন ইয়াসির রাব্বি। এক’প্রান্ত আগলে রাখা মোহাম্মদ নাঈম শেখের ব্যাটেও ভরসা। ৯.৫ ওভারে দু’জনে গড়েন ১১০ রানের জুটি। একের পর এক বাউন্ডারি আর ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে জয়ের স্বপ্নটা চওড়া করেন তারা।

দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি তুলে নে’ন নাঈম শেখ। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে তার প্রথম সেঞ্চুরিটা আসে মাত্র ৬০ বলে। তবে জয় থেকে মাত্র ২২ রান দূরে থাকতে, ১০৫ রান করে আউট হয়ে যান নাঈম। একই ওভারে ইয়াসির রাব্বিও রান আউটের ফাঁদে পড়ে ফেরেন ৪১ রা’ন করে। শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৭ রান। আকবর আলী চেষ্টা করেছিলেন। ত’বে কামরুল রাব্বির করা ওভার থেকে ১৪ রানের বেশি তুলতে পারেনি ঢাকা। ফলে ২ রানের হার নিয়ে মা’ঠ ছাড়তে হয় ঢাকাকে।