আমার বক্তব্য হলো ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে ভাস্কর্য রাখা নাজায়েজ ও হারাম: মামুনুল হক

প্রকাশিত: ১:০১ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ৮, ২০২০ | আপডেট: ১:০১:পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ৮, ২০২০

সারা দেশের আলেমরা বলছেন, আ’মাদের বক্তব্য কখনোই বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে নয়। বরং স্বা’ধীনতার মহান নেতা মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানকে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে সকল বাংলাদেশি, সকল বাঙালি শ্রদ্ধা করি, ভা’লোবাসি। একজন মুসলিম হিসেবে তার রুহের মা’গফেরাত কামনা করি।

আমার বক্তব্য হলো ইসলামী দৃ’ষ্টিকোণ থেকে ভাস্কর্য রাখা নাজায়েজ ও হারাম- সেটা যথাযথ ক’র্তৃপক্ষকে আমি জানিয়ে দিয়েছি এবং আমরা আমাদের বক্তব্যে এ কথা ‘স্পষ্ট করে দিয়েছি বলেন মামুনুল হক। যদি আল্লাহ কখনও আমাদের রা’ষ্ট্রীয় পর্যায়ে সক্ষমতা দান করেন তাহলে শরিয়াহর আ’লোকে সকল কার্যক্রম ঢেলে সাজাবো ইনশাআল্লাহ।
মামলার প্রসঙ্গে মামুনুল হক বলেন, আমি বারবার বলছি আ’মাদের বক্তব্যে নিজেদের মতামত, মনগড়া ব্যাখ্যা বিকৃতরূপে উপস্থাপন করে রা’ষ্ট্রদ্রোহের বুনিয়াদ সাজিয়েছে।

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব ও বাং’লাদেশ খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মামুনুল হক ব’লেছেন, কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার মাধ্যমে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে। এটা অনাকাঙ্ক্ষিত, দুঃ’খজনক ও নিন্দনীয়। ভাস্কর্য ভাঙার সঙ্গে কেউ কে’উ আমার নাম জড়ানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু অত্যন্ত দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলছি, আমার কোনো বক্তব্যের মাধ্যমে অথবা আমার কোনো কথায় এভাবে আইন হাতে তুলে নেওয়ার কো’নো কথা আমি বলিনি। দেশের আইন-শৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধাশীল কোনো ব্যক্তি এমনটা কখনও করতে পারেন না।

সোমবার রাতে নিজের ফেসবুক পেজে ‘ভা’স্কর্য নিয়ে বিরোধ, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসহ উদ্ভূত সার্বিক প’রিস্থিতির’ ওপর দেয়া বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।