মামী ও ভাগ্নের বিয়ের প্রস্তুতি চলছে !

প্রকাশিত: ২:৪১ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ৭, ২০২০ | আপডেট: ২:৪১:পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ৭, ২০২০

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক এলাকাবাসী বলেন, স্বামী মফিদুল ট্রাক ড্রাইভার হওয়ার কারণে বাড়িতে না থাকার সুযোগেভাগ্নে ও তার মামীর মধ্যে অ’বৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ইতিপূর্বে একদিন অসামাজিক কার্যকলাপ করার সময় ধরাও খেয়েছিল। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামী-ভাগ্নের বিয়ের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা যায়।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে ভাগ্নে সাব্বির এর বাড়িতে অ’নশন শুরু করেন বগুড়ার শিবগঞ্জে বিয়ের দাবীতে এক সন্তানের জননী জেসমিন আক্তার (২২) ভাগ্নের বাড়িতে অনশন করছে।

জানা যায়,মামী ও ভাগ্নে বিভিন্ন সময় পাত্রী দেখার নামে শি’বগঞ্জ পৌর এলাকার ৯নং ওয়ার্ডের লালদহ নয়াপাড়া গ্রামের মফিদুলের স্ত্রী জেসমিন একই গ্রামের সাদ্দামের ছেলে ভাগ্নে সাব্বির (২৩) এর সঙ্গে প’রকিয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

মামী ও ভাগ্নে বিভিন্ন সময় পা’ত্রী দেখার নামে করে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করে তারা। প্রে’মের টানে মামীকে নিয়ে ভাগ্নে সাব্বির গত ২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার রাত ৯টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ঢাকায় একটি হোটেলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ভাড়া নিয়ে তারা রা’ত্রীযাপন করে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সাব্বির এর পিতা সাদ্দাম তার ছেলের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলে তাদের সম্পর্ক মেনে নেবে বলে জানায় এবং বাড়িতে আসতে বলে। এর প্রেক্ষিতে মামী ও ভাগ্নে বাড়ীতে আ’সলে ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবু সাঈদ এর সহায়তায় পৌরসভায় একটি সমঝোতা বৈঠক বসে। তাদের বাবা দুজন দুজনার জি’ম্মায় নিয়ে যায়।মেয়ের স্বামী মফিদুল তার স্ত্রীকে নিয়ে ঘর সংসার করবে না বলে জা’নিয়ে দেয়। পরবর্তীতে মামী জেসমিনকে সাব্বির মুঠোফোনে বলে, আমি তোমাকে নিয়ে ঘর সংসার বাঁধবো তুমি আমার বাড়ীতে এসো। এর প্রে’ক্ষিতে মামী জেসমিন আজ শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সাব্বিরের বাড়িতে চলে আসে।

জেসমিন জানান, আমি সাব্বিরকে ছাড়া বাঁ’চবো না তার সঙ্গে আমার বিয়ে না হলে আমি আ’ত্মহ”ত্যা’র পথ বেঁ’চে নিবো তাতে যা হবার হবে আমি ওরেই চাই। আমি ঢাকায় যাওয়ার সময় সাব্বিরকে ১ ভরী স্বর্ণালংকার ও নগদ ৮০ হাজার টাকা দিয়েছি।

লালদহ গ্রামের ইলিয়াছ বলেন, মামী জেসমিন এর সাথে ভাগিনা সাব্বিরের বিবাহের প্র’স্তুতি চলছে। কাউন্সিলর আবু সাঈদ বলেন, এ বিষয়ে একটি বৈঠক হয়েছে। তবে মেয়ের পরিবার মেয়েকে তাদের জি’ম্মায় চাওয়ায় আমি নিয়ে যেতে বলেছি।