আজ বুধবার (২ ডিসেম্বর) পার্বত্য শান্তিচুক্তির ২৩তম বর্ষপূর্তি

প্রকাশিত: ৩:৪৭ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ২, ২০২০ | আপডেট: ৩:৪৭:পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ২, ২০২০

১৯৯৭ সালের এই দি’নে সরকার ও জনসংহতি সমিতির মধ্যে এই চু’ক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

করোনাকালে স্বা’স্থ্যবিধি মেনে দিবসটি পালনে খাগড়াছড়ি রিজিয়ন ও পা’র্বত্য জেলা পরিষদ দিনব্যাপী ব্যাপক ক’র্মসূচি হাতে নিয়েছে। দীর্ঘ প্রায় ২ দশকের সংঘাত বন্ধে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর শান্তিচুক্তি স্বা’ক্ষরিত হওয়ার পর থেকে পাহাড়ে শা’ন্তির সুবাতাস বইতে শুরু করেছে, উন্নয়’নের ছোঁয়া লেগেছে।
চুক্তির ফলে স্বাভাবিকতা ফিরে আ’সায় দূর পাহাড়ের বুক চিরে রাত-দিন ছুটছে যান’বাহন। এক সময় জে’লার বাইরের অন্য জেলার সঙ্গে ৩টার পর যোগাযোগ করার মতো কোনো ব্যবস্থা ছিল না। পাহাড়ের প’র্যটন স্পট সাজেক ছিল আতঙ্কিত ও বিচ্ছিন্ন। যো’গাযোগ ছিল নিষিদ্ধ। চুক্তির ফলে সেই সাজেক প’র্যটন স্পট আজ পাহাড় ছেড়ে বাংলাদেশের সর্বত্র সুনাম ছ’ড়িয়েছে। গড়ে উঠেছে বড় বড় হো’টেল-রেস্তোরাঁ। প্রতিনিয়ত আ’সছে শত শত পর্যটক।

১৯৯৭ সালের ২ ডি’সেম্বর সরকারের পক্ষে ত’ৎকালিন চিফ হুইপ আবুল হাসনাত আ’বদুল্লার সঙ্গে শান্তিচুক্তিতে স্বাক্ষর ক’রেছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জ’নসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যো’তিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে স’ন্তু লারমা। চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে অ’বসান ঘটে শান্তিবাহিনীর দীর্ঘ প্রায় দু’ই দশকের সংগ্রামের। স্বা’ভাবিক জীবনে ফিরে আসে শান্তিবাহি’নীর সশস্ত্র আন্দোলনকারী স’দস্যরা। শান্তিচুক্তির ফলে প্রাথমিকভাবে শা’ন্তি বাহিনীর সদস্যরা অস্ত্র জমা দিয়ে স্বা’ভাবিক জীবনে ফিরে আসে। স’রকার তাদের সাধারণ ক্ষমা ঘো’ষণা করে।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আ’বদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বা’ণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে পা’র্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের ২৩ ব’ছরপূর্তি উপলক্ষে পার্বত্য এলাকার সক’ল অধিবাসীকে আন্তরিক শু’ভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ নি’ষ্পত্তির ক্ষেত্রে বিশ্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি’চুক্তি একটি অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হ’য়ে থাকবে।

এছাড়া বাণীতে প্র’ধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার পা’র্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের সর্বত্র শা’ন্তি বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর।

তিনি আশা প্রকাশ ক’রেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পার্বত্য চ’ট্টগ্রাম অঞ্চলের মানুষের আর্থ-সা’মাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে জাতির পি’তার সুখী-সমৃদ্ধ ও শা’ন্তিপূর্ণ স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গ’ড়ে তুলতে সক্ষম হবেন। পা’র্বত্য শা’ন্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নে সবার স’হযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

এছাড়া সারা’দেশে সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় পার্ব’ত্য এলাকায় বিগত সময়ে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। পা’হাড়ে শান্তির পাশাপাশি সেখানে বসবা’সকারীদের আর্থ-সামা’জিক জীবনেও এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন।

সূত্র: বাসস