শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত: ২:৫৬ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১৯, ২০২০ | আপডেট: ২:৫৬:পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১৯, ২০২০

শি’ক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি বলেছেন, বি’শ্বব্যাপী চলমান মহামারি ক’রোনার কারণে আমাদের শি’ক্ষা খাত নানা রকমের ঝুঁকিতে রয়েছে। দী’র্ঘ সময় ধরে আমাদের শি’ক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ বন্ধ রয়েছে। যা’র ফলে কিছু শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার স’ম্ভাবনা রয়েছে। বা’ল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম বৃদ্ধি পে’তে পারে। অ’নেক শিক্ষার্থী আর্থিকভাবে ক্ষ’তিগ্রস্ত হচ্ছে। মা’নসম্মত শিক্ষা অর্জন বা’ধাগ্রস্ত হচ্ছে।

 

ক’রোনাকালীন ও করোনা-পরবর্তী শি’ক্ষা কার্যক্রম নিয়ে জাতিসংঘ প্র’তিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়ের স’ময় এসব কথা বলেন ডা. দী’পু মনি। সোমবার (১৭ নভেম্বর) রা’তে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সর’কারি বাসভবনে জাতিসংঘ প্র’তিনিধিদের সঙ্গে এ মতবি’নিময় সভা অ’নুষ্ঠিত হয়।

বুধ’বার (১৮ নভেম্বর) শিক্ষা ম’ন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ ক’র্মকর্তা এম এ খায়েরের পাঠানো বা’র্তায় গণমাধ্যমকে এ তথ্য জা’নানো হয়েছে।

তিনি বলেন, স’ব প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও ক’রোনার কারণে ২০২০ সালের এইচএসসি প’রীক্ষা নেওয়া সম্ভব হ’য়নি। ২০২১ সালে অনুষ্ঠিতব্য এ’সএসসি এবং এইচএসসি প’রীক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক ক্লাস না হওয়ায় সি’লেবাস সমাপ্ত করা এ’খন একটা বড় চ্যালেঞ্জ। তা ‘ছাড়া কারিগরি শিক্ষার ক্ষে’ত্রে ব্যবহারিক ক্লাসসমূহ অনলাইনে নেওয়া স’ম্ভব হচ্ছে না। অ’ন্যদিকে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতি’ষ্ঠান বন্ধ থাকায় আমাদের শি’শুরা সাইকোলজিক্যাল বিভিন্ন সমস্যায় ভু’গছে।

তিনি বলেন, ক’রোনায় শিক্ষা খাতের বিভিন্ন চ্যা’লেঞ্জ মোকাবিলায় ডিজিটাল প্র’যুক্তি আমাদের সহায়তা করেছে। শি’ক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা ক’রার মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে সং’সদ টেলিভিশনের মাধ্যমে মাধ্য’মিক পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ’শিক্ষা পর্যায়ে অনলাইন শি’ক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তা’রপরও আমাদের প্রায় ১০ শতাংশ শি’ক্ষার্থী শিক্ষা কার্যক্রমের বা’ইরে রয়েছে। মোট শিক্ষার্থীর তু’লনায় ১০ শতাংশ অনেক বড় এ’কটি সংখ্যা। আমরা কোনও একজন শি’ক্ষার্থীকে পেছনে রেখে আ’গাতে চাই না।

শিক্ষা’প্রতিষ্ঠান পুনরায় খুলে দেওয়ার বি’ষয়ে শিক্ষা মন্ত্রী বলেন, এখনই শি’ক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা সরকার ভা’বছে না। মন্ত্রী বলেন, বাং’লাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে ঘ’নবসতিপূর্ণ একটি দেশ। এখানে ফি’জিক্যাল ডিসটেন্স মেইনটেইন করা অ’ত্যন্ত দুরূহ কাজ। পাশা’পাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দি’লে শিশুদের সঙ্গে তাদের অ’ভিভাবকদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেতে হয়। সে ক্ষে’ত্রে করোনার সংক্রমণ বে’ড়ে যেতে পারে। য’দি ও শিশুদের কোভিডে আক্রান্ত হ’ওয়ার ঝুঁকি কম কিন্তু তারা নীরব বাহক হ’তে পারে। অন্যদিকে এই পরিস্থিতি’তে অনেক অভি’ভাবক তাদের সন্তানদের স্কুলে পা’ঠাতে চান না। তা’ই সরকার এই প’রিস্থিতিতে বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্র’ম চালিয়ে নেয়ার ওপর গু’রুত্বারোপ করছে।