চট্টগ্রামে পচছে পেঁয়াজ, ৫০ কেজির বস্তা দশ টাকা

প্রকাশিত: ৫:২৪ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৮, ২০২০ | আপডেট: ৫:২৪:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৮, ২০২০

১ কে’জি নয়, পেঁয়াজের পুরো ৫০ কেজির ব’স্তা’ বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১০ টা’কায়। বিশ্বের নানা দে’শ থেকে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে ড’লারে কেনা পেঁ’য়াজ পচে যাওয়ায় এমন দুরবস্থা। এম’নকি টাকা দিয়ে গাড়ি ডে’কে এনে ফেলেও দেয়া হচ্ছে পচা পেঁ’য়াজ। এতে কোটি কোটি টা’কা ক্ষতির মুখে পড়েছেন আমদানিকারকরা।

খাতুন’গঞ্জের প্রতিটি আড়তের সামনে পড়ে আছে শত শত বস্তা’ পচা পেঁয়াজ। রপ্তানিকারক দে’শে জাহাজ ভর্তি করার সময় ক’ন্টেইনার সংক্রান্ত অস’চেতনতার কারণে পচে যা’চ্ছে পেঁয়াজ। এ’তে কোটি কোটি টাকা ক্ষ’তির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

জারিফ ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের আমদানিকারক ম’ঞ্জুর মোরশেদ বলেন, প’চে যাচ্ছে কারণ মাল ঠিকভাবে ডে’লিভারি হচ্ছে না। তারপর শীপের মধ্যে তাপমাত্রার সমস্যা হচ্ছে।

নজরু’ল এ্যান্ড সন্স এর আমদানিকারক মামু’নুর রশিদ বলেন, ২০ শতাংশ টাকাও আমাদের রিক’ভারি হবে না। কি’ছু কিছু পেঁয়াজ একদম ফে’লে দিতে হচ্ছে একটাকাও পা’ওয়া যাচ্ছে না।

একে’তো গ্যাঁজ ও পানি ঝরে পচে যাচ্ছে। তা’র ওপর ছড়াচ্ছে দু’র্গন্ধ। খাতু’নগঞ্জে ৫০ কেজির ও’জনের বস্তার পেঁ’য়াজ বিক্রি হচ্ছে মা’ত্র ১০ থেকে ১৫ টাকায়।

কয়েজন পেঁয়াজ ব্যবসায়ী বলেন, ভাল পেয়াজ যদি আমরা বিক্রি করি ৪০ থেকে ৫০ টাকা সেখানে আমরা বিক্রি করছি ১৫ টাকা, ১০ টাকা, ৫ টাকা। কিছু বস্তা হিসেবে বিক্রি করে দিছি, কিছু ফেলে দিছি। পচা পেঁয়াজের কারণে এখানে গন্ধ ছড়াচ্ছে। পচা যাওয়া পেঁয়াজ ফেলে দিতে হচ্ছে, এই পেঁয়াজ ফেলতেও টাকা লাগতেছে।

এ অবস্থায় ক্ষতি সামাল দিতে সরকারের তদারকি বাড়ানোর দাবি ব্যবসায়ী নেতাদের।

খাতুনগঞ্জ হামিদুল্লাহ মিয়া মার্কেট ব্যবসায়ী আড়তদার সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মিন্টু বলেন, কোটি কোটি টাকা লোকসান, এখন কিন্তু সরকারের মাথা ব্যথা নেই। প্রশাসনেরও মাথা ব্যথা নেই, তারা এটা দেখভাল করছে না।’

ভারত রপ্তানি বন্ধের পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয় পেঁয়াজ। পাকিস্তান ও মিয়ানমারসহ নানা দেশের পেঁয়াজে ধরছে পচন।