ভৈরবে ইলিশ শিকারের দায়ে ৫ জেলের কারাদণ্ড

প্রকাশিত: ৩:৩০ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৩১, ২০২০ | আপডেট: ৩:৩০:পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৩১, ২০২০

কিশোরগঞ্জের ভৈ’রবের মেঘনা নদীতে চলমান সরকারি নি’ষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ শি’কার করার দায়ে ৭ জেলেকে আটকের পর পাঁচ’জনকে এক বছর করে সাজা দি’য়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অ’পর দুইজনকে করেছেন পাঁচ হাজার টা’কা করে জরিমানা।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকা’লে উপজেলা নির্বাহী ক’র্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লুবনা ফা’রজানার নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত আ’টক ৭ জেলেদের এ দণ্ডাদেশ দে’ন। এ সময় তাকে সহায়তা করেন উপ’জেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ল’তিফুর রহমানসহ ভৈ’রব নৌ-থানার পুলিশ।

সি’নিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. লতিফুর রহ’মান জানান, শুক্রবার স’কাল ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্ত নৌ পুলিশের সহযোগিতায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লু’বনা ফারজানার নেতৃত্বে উপজেলার মৌ’টুপি, লুন্দিয়া, খলাপাড়া, শ্যামপুর ইত্যাদি এলাকায় অভিযান চালায় মৎস্য বি’ভাগ।

অভি’যানে নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ শিকার ও কারেন্ট’জাল ব্যবহার করে মাছ ধরার অপরাধে ৭ জে’লেকে আটক এবং নদী’তে মাছ শিকাররত অবস্থায় এক লাখ মি’টার নিষিদ্ধ কারেন্টজালসহ উদ্ধার ক’রা হয়।

পরে সকাল সাড়ে ১০টার দি’ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লুবনা ফারজানা পরিচালি’ত ভ্রাম্যমাণ আদালত আটক জেলে আবু বাক্কার, বাক্কী মিয়া, ফরিদ মিয়া, ছাত্তার মিয়া, রমজান মিয়া ও কাউছার মিয়াকে এক বছ’র করে কারাদণ্ড এবং সামসু মিয়া নামের অপর এক জেলের ৫ হাজার টাকা জরিমানা ক’রেন।

উদ্ধার করা এ’ক লাখ মিটার কারেন্টজাল নির্বাহী ম্যাজি’স্ট্রেটের উপস্থিতিতে উপজেলা পরিষদ চ’ত্বরে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বং’স করা হয়।

এ সময় নির্বাহী ম্যা’জিস্ট্রেট ও উপজেলা নি’র্বাহী কর্মকর্তা লুবনা ফারজানা সাংবাদিকদের জানান, ‘ইলি’শের প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভে’ম্বর পর্যন্ত চলমান এই নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ শিকা’র ও নিষিদ্ধ কারেন্টজা’ল ব্যবহার করার অপরাধে এইসব জেলেদের আটকের পর মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ আইনের ১৯৫০ সালে’র আইনে তাদের এই’সব’ শাস্তি প্রদান করা হয়।

সরকার ঘো’ষিত নিষিদ্ধ সময় আগামী ৪ নভেম্বর পর্য’ন্ত এই অভিযান অব্যা’হত থাকাসহ নিষিদ্ধ কারেন্টজাল ব্যব’হার করে মাছ শিকার বন্ধে সা’রা বছর আমাদের কার্যক্রম চলমান থাক’বে।