গ্রেফতারের সময় মদ্যপ অবস্থায় যা বললেন ইরফান

প্রকাশিত: ২:৪৯ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৭, ২০২০ | আপডেট: ২:৪৯:পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৭, ২০২০

‘হু আর ইউ? অ্যা’ম আই এ ক্রিমিনাল? উই’ল ইউ অ্যারেস্ট মি?’ গ্রে’ফতারের আগে ম’দ্যপ অবস্থায় এভাবেই র‌্যাব সদ’স্যদের উদ্দেশে বলতে থাকেন হাজী সে’লিমের ছেলে ইরফান সেলিম।

সো’মবার (২৬ অক্টোবর) পুরান ঢাকায় ‘চান সরকার দাদা বা’ড়িতে’ র‍্যাবের নির্বাহী ম্যা’জিস্ট্রেট, র‍্যাব-৩ ও র‍্যাব-১০ এর ‘সদস্যরা যখন পৌঁছান তখন তিনি তখন চার তলা’য় নিজ কক্ষে অ’বস্থান করছিলেন। এ’সময় বাসার কেয়ারটেকারের ডাকে দরজা খো’লেন ইরফান। তখন ম’দ্যপ থাকায় তিনি ঢুলছি’লেন। নির্বাহী ম্যাজি’স্ট্রেট ও র‍্যাব কর্মকর্তাদের দে’খে তিনি রেগে উঠে ব’লেন, ‘হু আর ইউ? অ্যা’ম আই এ ক্রিমিনাল? উই’ল ইউ অ্যারেস্ট মি?’

অ’ভিযানে থাকা র‌্যাব সদ’স্য ও কর্মকর্তা’দের সঙ্গে কথা বলে এমন ত’থ্য মিলেছে।

এর আ’গে দুপুর থেকে সন্ধ্যা’ পর্যন্ত হাজী সেলিমের ছেলে ইরফা’নের বাড়িতে অভিযান চা’লিয়ে অন্তত ৩৮টা অবৈধ ওয়া’কিটকি ‍উদ্ধার করে’ছে র‌্যাব। এসব ওয়াকিটকি দিয়ে পু’রো ‘পুরান ঢাকা’ নিয়ন্ত্রণ ক’রতে কাউন্সিলর ইরফান। গণ’মাধ্যমের কাছে এমনটিই দা’বি করেছে র‌্যাব।

অভি’যান শেষে মাদক ও অবৈধ ওয়া’কিটকি রাখা ও ব্যবহার ক’রার দায়ে মো. ইরফান সেলিমকে এক বছ’রের কারাদণ্ড দেন  ভ্রা’ম্যমাণ আদালত। সোমবার (২৬ অক্টোবর) স’ন্ধ্যায় র‌্যাবের নির্বাহী ম্যা’জিস্ট্রেট সরোয়ার আলম তাকে এ সাজা দে’ন। এ সময় ইরফা’নের দেহরক্ষী মো. জাহিদুলকে ইসলামেও এক ব’ছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

র‍্যা’বের একজন ঊর্ধ্বতন ক’র্মকর্তা সময় নিউজকে জা’নিয়েছেন, তারা ধারণা করছেন ঢা’কা শহরের বিভিন্ন জা’য়গায় সিসিটিভি ক্যা’মেরা নিয়ন্ত্রণ করা এবং ঢাকা শহরে অ’বৈধভাবে কোনো সিগন্যালিংয়ের জ’ন্য ব্যবহার করা হতো।

সরে’জমিনে বাড়ির ভিতরে ঘুরে র‌্যাব ক’র্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জা’না যায়, হাজী সেলিমের ছে’লে পুরান ঢাকা তা’র নিয়ন্ত্রণে রাখতেন এবং তথ্য সং’গ্রহের জন্য সম্পূর্ণ ওয়্যারলেস নে’টওয়ার্কের মধ্যে রেখেছেন। এজন্য তিনি অবৈ’ধভাবে ভিপিএস ডিভাইস ব্য’বহার করতেন। এই ডিভাইস আ’ইনশৃঙ্খলা বাহিনী ট্র্যাক করতে পা’রেন না। সরকারি অনু’মোদ ছাড়াই তিনি এই ভিপিএস নেটওয়ার্কিং সি’স্টেম করেছিলেন। এসব ডি’ভাইসের মাধ্যমে তিনি ঘরে বসেই পুরো পুরান ঢা’কার তথ্য সংগ্রহ করতে পারতেন। তবে এই জা’তীয় যন্ত্রাদি সরকারি কর্মকর্তা ছা’ড়া ব্যবহারের অনুমোদন নেই। এ’গুলো কোনো আইন শৃ’ঙ্খলা বাহিনী ন’জরদারিতেও রাখতে পা’রে না।

র‌্যাব ক’র্মকর্তারা বলছেন, বিটিআরসির অ’নুমোদন ছাড়াই তিনি তার বা’সায় এই ভিপিএস ডিভাইসের মা’ধ্যমে ওয়্যারলেস নে’টওয়ার্কিং সিস্টেম ক’রেছিলেন।