নেত্রকোনায় ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, আটক ১

প্রকাশিত: ৫:২৪ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৬, ২০২০ | আপডেট: ৫:২৪:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৬, ২০২০

নেত্রকোনায় টি’ভি দেখার লোভ দেখিয়ে ৫ বছরের শি’শুকে ধ’র্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘট’নায় তাহের মিয়া (৬০) নামের এক জনকে আ’টক করেছে পুলিশ। পৌর এলা’কার কাটলী খালপাড় এলাকায় শনি’বার (২৪ অক্টোবর) ধ’র্ষণের ঘটনা ঘটে।

পরে রো’ববার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শিশুর মা বাদী হয়ে তা’হেরের বিরুদ্ধে নেত্রকোনা ম’ডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ অভিযুক্ত তাহেরকে সেদিন ‘রাতেই আটক করে। জিজ্ঞাসা’বাদ শেষে সোমবার (২৬ অক্টোবর) আ’দালতে সোপর্দ করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পু’লিশ সুপার মো. আকবর আলী মু’নসী জানান, অভিযোগের সাথে সাথেই অভিযুক্তকে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়েছে। ‘প্রাথমিক  জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত তাহের মি’য়া ঘটনার কথা স্বীকা’র করেছে। পরে তাকে সোমবার দুপুরে আদালতে সো’পর্দ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ভি’কটিমের বাড়ি ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে’ছি আমরা। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তবে তিনি আরো জা’নান, জেলাবাসী এই ধর’নের যে কোনো ঘটনায় তাৎক্ষ’নিক পুলিশকে জানালে সর্বোচ্চ আ’ন্তরিকতার সাথে পুলিশ বিষয়টি দেখ’বে। এর কো’নো ব্যত্যয় ঘটবে না।

ভি’কটিমের পরিবার ও প্রতিবেশীরা জানান, পৌর শহ’রের কাটলি খালপাড় এলাকার এ’ক মালিকের বাড়িতে ৯ টি পরিবার একসাথে ভাড়া থাকেন। তা’দের মধ্যে তাহের মিয়াও তার প’রিবার নিয়ে থাকেন। তাহের মিয়া’র স্ত্রী বাবার বাড়িতে যাওয়ার পর শনিবার পাশের ঘরের ৫ বছ’রের এক শিশুকে টিভি দেখার কথা ব’লে তাহের মিয়া নি’র্যাতন করে।

পরে দীর্ঘ’ক্ষণ শিশুটিকে না পেয়ে শি’শুর মা দাদী খোঁজাখুঁজি করতে থা’কলে তাহের মিয়া নি’জেই আওয়াজ দেন তার ঘরে শিশুটি টিভি দেখছে। এসময় শি’শুটিকে আনতে গেলে ভেতর থেকে দ’রজা আটকানো থাকায় শি’শুটির মা চিৎকার চেঁচামেচি করেন। প’রে দরজা খুলে দিলে তা’হের মিয়ার ঘর থেকে শি’শুকে উদ্ধার করা হয়।

রোববার সন্ধ্যায় নেত্র’কোনা মডেল থানায় মামলা দায়ে’রের পর তাহেরকে আটক করে’ পুলিশ। অন্য’দিকে শিশুটিকে নেত্রকোনা আ’ধুনিক সদর হাসপাতালে চি’কিৎসা দিয়ে সোমবার দু’পুরে বাড়ি পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় অভি’যুক্ত তাহেরের স্ত্রী বলেন, আ’মি আমার জায়ের কা’ছে খবর পেয়ে বাবার বাড়ি থেকে ছু’টে এসেছি। এসে দেখি স্বামী পলাতক। তিনি বলেন, ধর্ষ’ণ করেছে মনে হ’চ্ছে না। কিন্তু যাই করেছে তা ক’রা ঠিক হয়নি।

এদিকে, এ ঘট’নায় এলাকায় অন্যান্য শিশু ও অ’ভিভাবকদের মাঝে আতংক বি’রাজ করছে।