ধর্ষণের অভিযোগ থেকে বাঁচতে ভুয়া বিয়ে, গ্রেফতার ৩

প্রকাশিত: ২:৩৯ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৬, ২০২০ | আপডেট: ২:৩৯:পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৬, ২০২০

ফরিদপুরের সালথায় এক ত’রুণীকে (১৮) কৌশলে উঠিয়ে নি’য়ে টানা ৫ দিন ধ’র্ষণের পর নিজেকে বাঁ’চাতে ভুয়া বিয়ে করার অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ব্যা’পারে সালথা থানায় অপহরণ ও ধ’র্ষণের অভিযোগে একটি মামলা ক’রেছেন ওই তরুণীর বাবা। অ’ভিযোগের ভিত্তিতে রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে অ’ভিযুক্ত ও ভুয়া কাজীসহ তি’নজনকে গ্রে’ফতার করেছে পুলিশ।

মা’মলার এজাহার ও ধর্ষিতার পরিবারের লোকজনদের সা’থে কথা বলে জানা যায়, ওই তরুণীর বাড়ি উপজেলার রামকান্তুপুর ই’উনিয়নের একটি গ্রামে। সম্প্রতি মু’ঠোফোনে ওই তরুণীর সাথে একই উ’পজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের খারদিয়া গ্রা’মের এনায়েত হোসেন মৃধার (৪২) প’রিচয় হয়। গত ২ অক্টোবর বিকালে ওই ত’রুণীকে স্থানীয় বাহিরদিয়া বাজার এ’লাকা থেকে কৌশলে গাড়িতে উ’ঠিয়ে ঢাকার আশুলিয়া এলাকায় নিয়ে যায় এ’নায়েত।

সেখানে বাসা ভা’ড়া নিয়ে ওই তরুণীকে বিয়ে প্রলোভন দে’খিয়ে টানা ৫ দিনে একাধিকবার ধ’র্ষণ করে এনায়েত। এরপর ধ’র্ষণের অভিযোগ থেকে নিজেকে বাঁ’চাতে গত ৮ অক্টোবর ঢাকার আ’শুলিয়া থেকে সালথার পা’র্শ্ববর্তী বোয়ালমারীতে উপজেলায় এসে এক ব্য’ক্তিকে ভুয়া কাজী ও ওই কাজীর ভা’ইকে ভুয়া সাক্ষী বানিয়ে তরুণীর কাছ থেকে সু-কৌ’শলে স্বাক্ষর নিয়ে একটি সাজানো কাবিননামা তৈ’রী করেন এনায়েত। পরে তা’রা স্বামী-স্ত্রী সেজে বাড়িতে আসেন। বাড়ি আ’সার পর ওই তরুণীকে তার বাবার বা”ড়িতে দিয়ে আসে এনায়েতের প’রিবার।

মো. এনায়েত হোসেন মৃধা এ’কজন মাংস ব্যবসায়ী। তিনি এ প’র্যন্ত অন্তত ৫টি বিয়ে করেছেন। তা’র প্রত্যেক স্ত্রী’রই ছেলে-মেয়ে রয়েছে।

সালথা থানার পুলিশ রোববার স’কালে প্রথমে এনায়েতকে গ্রে’ফতার করে বোয়ালমারী উপজেলার ম’য়েনদিয়া বাজার এলাকা থেকে। পরে তার দে’ওয়ার তথ্য অনুযায়ী, বোয়ালমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের চা’লিনগর গ্রাম থেকে কথিত কাজী বসিরুল ইসলাম (৪০) ও তা’র ভাই হোসাইন মোল্লাকে (২৭) গ্রে’ফতার করে।

ঘটনার স’ত্যতা নিশ্চিত করে সালথা থানার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, মামলা হ’ওয়ার পর এনায়েত, কথিত কাজী ও কা’বিননামায় সাক্ষী ওই কাজীর ভাইকে গ্রে’ফতার করেছে পুলিশ। তিনি বলেন, কথিত ওই কা’বিননামায় সাক্ষী হিসেবে আরো দু’ইজনের নাম রয়েছে তাদের গ্রে’ফতার চেষ্টা চলছে।