লঞ্চের কেবিনে তরুণীর লাশ, এখনো মামলা হয়নি: আটক ৩

প্রকাশিত: ১:২১ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৪, ২০২০ | আপডেট: ১:২১:পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৪, ২০২০

চাঁদপুরে যাত্রীবাহী লঞ্চে’র কেবিনে তরুণীয় লাশ উদ্ধারের ঘ’টনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। তবে এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে আটক করেছে নৌ পুলিশ। এরা হচ্ছেন- লঞ্চের’ স্টাফ রাসেল খান (২৮), সুজন মোল্লা (২২) এবং মাসুম গাজী (৪২)। এই তিনজনই এম’ভি আব এ জমজম নামে যাত্রীবাহী লঞ্চে গ্রি’জারম্যান।

এদিকে ঘটনার এক দি’ন পার হয়ে গেলেও পরিচয় মেলেনি তরুণীর। এমনকি সঙ্গী পালিয়ে যাও’য়া ব্যক্তিটিরও। মামলা হলে এই তিনজনকে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে জ’নিয়েছেন, নৌ পুলিশ থানার ও’সি কবির হোসেন খান।

শুক্রবার দুপুরে তিনি আরো জানান, এমভি আব-এ-জ’মজম লঞ্চের মালিক পক্ষ বাদী হয়ে মা’মলা করার কথা রয়েছে। এদিকে, সদর মডেল থানার ওসি মো. নাসিমউদ্দিন জানান, মা’মলা রুজুর পর তদন্ত কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে পু’লিশ তরুণীর মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে পরবর্তী ধাপের কা’জ শুরু করবে।

এর আগে গত বৃহস্পতি’বার সন্ধ্যায় চাঁদপুর লঞ্চ টার্মিনালে অবস্থানকারী এমভি আব এ জমজমের দ্বি’তীয় তলার ২৩৫ নম্বর তালাবদ্ধ কেবিন থেকে ২৫ বছর বয়সী ওই তরুণীর ম’রদেহ উ’দ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় সিআইডি, পিবিআই, নৌ পুলিশ ও জেলা পুলিশ মর’দেহ ও ঘটনাস্থলের বিভিন্ন আদালত সং’গ্রহ করে। তবে লঞ্চটিতে সিসি ক্যামেরা না থাকায় তরুণীর সঙ্গে কেবিনে অবস্থানকারী এবং পরবর্তীতে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তির প’রিচয় এখনো নিশ্চিত হবে পারে’নি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা।

গত বুধবার মধ্যরাতে রাজ’ধানীর সদরঘাট থেকে চাঁদপুরের উদ্দেশে ছেড়ে আসে এ’মভি আব-এ-জমজম। লঞ্চটি ছাড়ার আগে তরুণীর সঙ্গে আসা ব্যক্তিটি ৭০০ টাকার বি’নিময়ে লঞ্চের স্টাফ সুজন মোল্লা থেকে কে’বিনটি ভাড়া নেন। তবে লঞ্চটি চাঁদপুর টার্মিনালে পৌঁছালে কেবিনে তালাবদ্ধ ক’রে তরুণীর সঙ্গের ব্যক্তিটি গাঢাকা দে’য়। তরুণীর মরদেহের সুরতহালে প্রা’থমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে ধ’র্ষণের পর তরুণীর পড়নের স্যালোয়ারের ফি’তা গলায় জড়িয়ে ফাঁস দিয়ে এই হত্যাকাণ্ড সং’ঘটিত হয়।

খোঁ’জ নিয়ে জানা গেছে, সিআইডি এবং পিবিআই তথ্য প্রযু’ক্তি ব্যবহার এবং ক্রাইমসিন থেকে প্রয়ো’জনীয় আলামত সংগ্রহ করে ফরেনসিক পরীক্ষা-নি’রীক্ষা শুরু করেছে। ‘

প্রসঙ্গত, বিগত ২০১৬ সা”লে ঠিক একই লঞ্চের কে’বিন থেকে আরেক তরুণীর ম’রদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সেই ঘট’নার ৪ বছর পার হলেও এখনো কো’নো কূল-কিনারা হয়নি।

অভি’যোগ রয়েছে, রাজধানী সদ’রঘাট থেকে চাঁদপুরের উদ্দে’শে রাতে ছেড়ে আসা যা’ত্রীবাহী বেশকিছু লঞ্চের কে’বিনে উঠতি বয়সী তরুণ-তরুণীরা অবস্থান ক’রেন। ভোর রাতে এসব লঞ্চ চাঁদপুরে পৌঁছালে শহরের বিভি’ন্ন স্থানে ঘুরে ফিরে তা’রা আবার নিজ নি’জ গন্তব্যে ফিরে যায়।

চাঁদপুরে আ’ইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বশীল কর্মক’র্তা এবং সুশীল সমাজের প্রতি’নিধিরা বলেছেন, রাজধানীর সদরঘাটে এই বিষয় একটু নজরদারি করা হলে হয়তো এ’মন অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়ানো স’ম্ভব। না হয়, একটার পর এ’কটা ঘটনা ঘট’বেই।