তিন যুবকের বুদ্ধিমত্তায় বড় দুর্ঘটনা থেকে বাঁচল ট্রেন

প্রকাশিত: ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৪, ২০২০ | আপডেট: ১২:২৬:পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৪, ২০২০

হাতে লাল রং’য়ের টি শার্ট দেখিয়ে ট্রেন দুর্ঘটনা রু’খে দিয়েছে তিন যুবক। শুক্রবার বিকেল সা’ড়ে ৪টার দিকে বগুড়ার আদমদীঘির সা’ন্তাহার ও রাণীনগর স্টেশনের কেল্লাপাড়া রে’লব্রিজ থেকে ১২০ ফুট দক্ষিণে ঘটনাটি ঘ’টে। রেলওয়ে লাইন ভা’ঙা দেখে লাল টি শা’র্ট দেখিয়ে পাথরবাহী ট্রে’নটি থামিয়ে দেয় তিন যুবক। ফ’লে তিন যুবকের বুদ্ধিমত্তায় দু’র্ঘটনা থেকে রক্ষা পায় ট্রে’নটি।

পাথরবাহী ও’ই ট্রেনের চালক সুজাউদৌলা জা’নান, তিন যুবক লাল রঙের গে’ঞ্জি দিয়ে ট্রেন থামানোর সংকেত দি’চ্ছিল। লাল কাপড় দেখে তি’নি ট্রেনটি গতিরোধ করে থা’কিয়ে দেন। এ সময় তিনি নি’চে নেমে তাদের সঙ্গে কথা বলে জা’নতে পারেন সামনে রেললাইন ভা’ঙা রয়েছে। এ তিন যুবকের সা’হসিকতা ও দূরদর্শিতায় দুর্ঘটনার ক’বল থেকে ট্রেনটি রক্ষা পায়।

যু’বক সারোয়ার, রনি ও নাঈম হোসেন জা’নায়, প্রতিদিনের মতো তারা ও’ই দিন বিকেলে রেললাইন ধরে হাঁটাহাটি ক’রছিল। তারা কে’ল্লাপাড়া রেল ব্রিজের দিকে যা’ওয়ার সময় দেখতে পায় রেল লাইন ভা’ঙা। এর কয়েক মিনিটের মধ্যেই দেখে সা’মনের দিক থেকে একটি ট্রে’ন চলে আসছে। তারা জানতো লা’ল কাপড় দেখালে ট্রেন থেমে যা’য়। কিন্তু লাল কাপড় না থাকলেও এ’কজনের কাছে থাকা টি শা’র্ট  উঁচিয়ে ট্রেনটি দু’র্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করতে স’ক্ষম হয়।
সা’হসী এই তিন যুবক হলো- উপজেলার সান্তাহার ইউ’নিয়নের পাল্লাগ্রামের জবেদ প্রামা’নিকের ছেলে সারোয়ার, এ’কই গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে রনি হো’সেন ও আলমের ছেলে নাঈম হো’সেন।

স্থানী’য় ই’ব্রাহীম, ওমর ফারুক ও লোকমান ব’লেন, এই লাইনে দুপুর পর্যন্ত বেশ ক’য়েকটি ট্রেন চলাচল করে। দু’পুরের পর হঠাৎ এ ঘ’টনাটি ঘটে। তি’ন যুবক বি’ষয়টি না জানতে পারলে বড় ধ’রনের দুর্ঘটনা ঘটে যেত।

সান্তাহার রে’লওয়ে স্টেশনের পরিবহন প’রিদর্শক হাবিবুর রহমান জানান, পার্বতীপুর-খুল’না রেলপথের সান্তাহার জং’শন স্টে’শনের অদূরে কেল্লাপাড়া রেল ব্রি’জ এলাকায় ৮ ইঞ্চি রেললাইন ভে’ঙে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে।

খ’বর পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত কাজ শু’রু করা হয়। যে কারণে বিকেল থেকে রাত ৮টা পর্য’ন্ত ট্রেন চলাচল বন্ধ থা’কে। লাই’ন মেরামতে দুই ঘণ্টার চে’ষ্টায় আবারও ট্রেন চলাচল স্বা’ভাবিক হয়।

কাটা লাইনটি না’শকতামূলক কোনো ঘটনার ঘ’টার জন্য কেউ করেছে কিনা ক’থাটা জানতে চাইলে সান্তাহার রে’লওয়ের ঊ’র্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী আ’ফজাল হোসেন বলেন, রেল লা’ইনের ওই অংশ অনেক পুরাতন হওয়ায় ও’ই স্থানে ভেঙে গে’ছে। খবর পে’য়ে পিডব্লিউআই বিভাগ ওই অংশের রেল পরি’বর্তন করেছেন।