ভোলায় ক্রিকেট প্রশিক্ষণার্থীদের সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর দাবি

প্রকাশিত: ২:৫১ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১৯, ২০২০ | আপডেট: ২:৫১:পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১৯, ২০২০

করোনা দু’র্যোগ কাটিয়ে মাঠে সরব হয়েছেন ভো’লার ক্রিকেটাররা। দীর্ঘ বিরতির পর ভো’লা ক্রিকেট একাডেমীর শুরু করা এ অনুশীলনে শতাধিক প্রশিক্ষণার্থী অং’শ নিচ্ছেন। তরুণদের মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রা’খতে নানা প্রতিকূলতার মাঝেও খেলাধুলা চালিয়ে যাচ্ছে অ’লাভজনক এ প্রতিষ্ঠানটি। ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে জি’মনেশিয়াম, ইনডোর, অনুশীলন উ’পযোগী মাঠসহ সুযোগ সু’বিধা বাড়ানোর দাবি খে’লোয়াড়দের।

মেঘাচ্ছন্ন আ’বহাওয়ার মধ্যেই অনুশীলন করতে ভোলা গজনবী স্টে’ডিয়ামে উপস্থিত হন ভোলা ক্রিকেট একাডেমীর ক্রিকেটার। ওয়ার্ম আ’প ও ব্যায়ামের পরই শুরু হয় অনুশীলন। ছো’ট ছোট দলে মাঠজুড়ে চলে দীর্ঘ অনুশীলন। ব্যাটিং, ক্যা’চিং, ফিল্ডিং ও নেটে অ’নুশীলনের মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টার কমতি নেই প্র’শিক্ষণার্থীদের। স্বপ্ন তাদের জাতীয় ক্রি’কেটারদের খাতায় নাম লেখানো।

প্র’শিক্ষণার্থী ক্রিকেটাররা বলেন, ‘সুযোগ সুবিধা যদি এ’খানে আরও ভালো করা হয় তাহলে আমরা আ’রও ভালো সুযোগ পাবো এবং আরও ভালোভাবে শিখতে পা’রবো এবং ভবিষ্যতে জাতীয় দলে খেলতে পারবো। আমার স্ব’প্ন জাতীয় দলে খেলা এবং একজন বড় ক্রি’কেটার হওয়া।’

শুষ্ক মৌসুমে অ’নুশীলন চললেও সুযোগ সুবিধার অভাবে বছরে প্রা’য় ৬ মাস থাকতে হয় মাঠের বা’ইরে। ইনডোর, পিচ জি’মনেশিয়ামসহ আধুনিক সুযোগ সুবিধা না থাকায় প্র’তিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন দেশের একমাত্র দ্বীপজেলার খে’লোয়াড়রা।

খে’লোয়াড়রা বলেন, ‘ভোলাতে একটাই ক্রিকেট স্টেডিয়াম এই স্টে’ডিয়ামে সব ইভেন্ট খেলা হয়, ফুটবল, ক্রি’কেট যত খেলা আছে সব এখানে হয় সে কা’রণে আমরা ঠিকমত অনুশীলন করতে পারিনা। আমাদের পিচটা প্র’য়োজন, আর হচ্ছে আমরা বছরে ৬ মাদের জন্য মাঠে অ’নুশীলন করতে পারিনা। আর আ’মাদের ইনডোরটা অনেক ছোট।’

আর মা’ঠসহ নানা প্রতিকূলতার মধ্যেই ক্রি’কেটকে এগিয়ে নেয়ার প্রচেষ্টার কথা জানালেন এ’কাডেমীর প্রশিক্ষকরা।

ভোলা ক্রি’কেট একাডেমীর প্রশিক্ষক আবদুল আলিম আরিফ ব’লেন, ‘মাঠের কন্ডিশন ভালো না, এক মা’ঠে ফুটবল ক্রিকেট সবই হয়। দেখা যায় ফুটবলের জন্য আমরা মাঠে অ’নুশীলন করতে পারিনা।’

ভোলা ক্রি’কেট একাডেমীর প্রশিক্ষক তৌহিদ চৌধুরী বলেন, ‘এ’কাডেমীর মূল উদ্দেশ্য হল, ইয়াং জে’নারেশন যেন মাদক থাকে এবং জাতীয় পর্যায়ে খে’লতে পারে।’

তবে সী’মাবদ্ধতার মধ্যেও ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে নানা উ’দ্যোগের কথা জানালেন জেলা ক্রীড়া সং’স্থার কর্মকর্তা।

ভোলা জেলা ক্রীড়া সং’স্থার অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক মুনতাছির আ’লম রবিন চৌধুরী বলেন, ‘ক্রীড়া সংস্থা থে’কে আমরা এই স্টেডিয়ামের ৪৬ কোটি টাকার একটা টে’ন্ডারের অপেক্ষায় আছি সেটা হয়ে গেলে যে যে অ’সুবিধা আছে সেগুলো অনেকটাই পূ’রণ হয়ে যাবে।’

ভোলা ক্রি’কেট একাডেমীতে ২শতাধিক প্র’শিক্ষণার্থী রয়েছেন। তারা সপ্তাহে দুদিন সকালে ও ৩দিন বি’কালে অনুশীলন করেন।

Print Friendly, PDF & Email