বিএনপির ১০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১০:৫৫ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২, ২০১৭ | আপডেট: ১১:৩৮:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২, ২০১৭
বিএনপির ১০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

আগামী ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ১০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। ৫ নভেম্বর থেকে ১৪ নভেম্বর এই কর্মসূচি হবে। বৃহস্পতিবার বিকেলে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যৌথসভা শেষে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচির ঘোষণা করেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি জানান, ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ১০ দিনব্যাপী কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৭ নভেম্বর নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশে সকাল ৭টায় দলীয় পতাকা অর্ধনমিত করা হবে। সকাল ১০টায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে পোস্টার ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে বিএনপি। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির বাইরে স্থানীয় পর্যায়ে মহানগর-জেলা ও উপজেলা-থানা-ইউনিয়নেও ৭ নভেম্বর উপলক্ষে আলোচনা সভাসহ অন্যান্য কর্মসূচি পালন করবে বলে জানান জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব।

এদিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আজকে এমন একটা একদলীয় শাসনব্যবস্থার মধ্যে আমরা আছি, যে শাসনব্যবস্থার মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব আবার বিপন্ন হতে চলেছে, দেশের গণতন্ত্র ইতিমধ্যে ধ্বংস হয়ে গেছে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকেও নস্যাৎ করে ফেলা হয়েছে। আমরা দেখছি দেশে একদলীয় শাসনব্যবস্থাকে ভিন্নভাবে আবার এখানে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জনগণ ও সৈনিকরা এক অভূতপূর্ব অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে পুনরায় জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠা করবার একটা উদ্যোগ নেয়া পর সফল হয়েছিল। এই দিবসটিকে এজন্য সারাদেশবাসী একে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল। ৭ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধে চেতনা ও স্বাধীনতার যে চেতনা তাকে সুসংহত করা হয়েছিল, দেশের স্বাধীনতাকে সুসংহত করা হয়েছিল। এর নেতৃত্বে ছিলেন জনগণ ও সৈনিকেরা, তারা সেদিন জিয়াউর রহমানকে সেই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে নিয়ে এসেছিলেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যার পর রাজনৈতিক পালাবদলের এক পর্যায়ে সেনানিবাসে বন্দি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ৭ নভেম্বর মুক্ত হন। এই দিবসটিকে বিএনপি ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি’ দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।

এর আগে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে এই যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব মজিবুর রহমান সারোয়ার, হাবিব উন নবী খান সোহেল, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুস সালাম আজাদ, মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, তাইফুল ইসলাম টিপু, মুনির হোসেন, আবদুল আউয়াল খান, মহানগর দক্ষিণের কাজী আবুল বাশার, উত্তরের মুন্সি বজলুল বাসিত আনজু, স্বেচ্ছাসেবক দলের দলের শফিউল বারী বাবু, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাদেক আহমেদ খান, আবুল হোসেন, যুব দলের মোরতাজুল করীম বাদরু, নুরুল ইসলাম নয়ন, কৃষক দলের তকদির হোসেন জসিম, ওলামা দলের এম এ মালেক, শাহ নেসারুল হক, মৎস্যজীবী দলের রফিকুল ইসলাম মাহতাব, তাঁতী দলের আবদুল কালাম আজাদ, জাসাস হেলাল খান, শ্রমিক দলের নুরুল ইসলাম খান নাসিম প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মানবকণ্ঠ