বরিশালের মাদকবিক্রেতা এখন নিরাপদ বিক্রয় স্থান হিসাবে নির্বাচন করেছে বিএম কলেজ ক্যাম্পাস

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৪:১৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৩, ২০১৮ | আপডেট: ৪:১৭:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৩, ২০১৮

সৈয়েব হোসেন সম্রাট ঃ বরিশালের নামকরা মাদকবিক্রেতা এখন নিরাপদ বিক্রয় স্থান হিসাবে নির্বাচন করেছে কলেজ ক্যাম্পাস, ব্রজমোহন কলেজ বা বি.এম কলেজ বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ও প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণাংশে বরিশাল শহরে অবস্থিত। ১৮৮৯ সালে প্রখ্যাত সমাজসেবক, রাজনীতিবিদ ও শিক্ষানুরাগী অশ্বিনীকুমার দত্ত কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন।
বরিশাল বি. এম. কলেজ , দক্ষিন বাংলার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বিদ্যাপীঠ। সত্য, প্রেম, পবিত্রতা এর ধারক ও বাহক হলেও রাতের আধারে পুরো ক্যাম্পাস, মাদকের স্বর্গরাজ্য হয়ে যায়, সন্ধার পরে দামি দামি মটরসাইকেল নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে মাদকবিক্রেতা ও সেবনকারীরা। তাদের কার্যক্রম চলে প্রায় রাত 11 টা পর্যন্ত। বরিশালের নামকরা মাদকবিক্রেতা এখন নিরাপদ বিক্রয় স্থান হিসাবে নির্বাচন করেছে বিএম কলেজ ক্যাম্পাস, বিশেষ করে স্মোক (বিড়ি পয়েন্ট) চলে অনারগোল মাদক সেবন, যার ফলে সন্ধার পরেই ক্যাম্পাসে চলে ছিনতাই সহ অপরাদ মূলক নানা করর্ম কান্ডো, ছাত্র,ছাত্রীদের অভিযোগ , এদিকে নজর দিচ্ছে না কলেজ প্রশাসন ও বাকসু, নেতাকর্মীরা, হোস্টেলে থাকা ছাত্ররা মহা বিপদ ও আতংকে থাকতে হয়। ছাত্র,ছাত্রীদের বলছেন, ক্যাম্পাসে সন্ধার পর পুলিশ মোতায়েন করা হোক এবং অভিযান চালানো হোক। মাঝেমধ্যে পুলিশ আসলেও “বিড়ি পয়েন্ট” কোনো পুলিশ যায় না বলে অভিযোগ করেন সাধারন ছাত্র,ছাত্রীরা । মাদকবিক্রেতা ও সেবনকারী সবাই বহিরাগত বলে জানায় কলেজ ছাত্রোরা, প্রোশাসন কিছুই বলছে না, অভিযোগ সাধারন ছাত্র,ছাত্রীদের ক্যাম্পাসকে মাদকমুক্ত রাখার দাবী জানান সাধারন ছাত্র,ছাত্রীরা ।। মাদক দ্রব্য হলো একটি ভেষজ দ্রব্য যা গ্রহণে মানুষের স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উপর প্রভাব পড়ে এবং যা আসক্তি সৃষ্টি করে। মাদক দ্রব্যে বেদনানাশক কর্মের সাথে যুক্ত থাকে তন্দ্রাচ্ছন্নতা, মেজাজ পরিবর্তন, মানসিক, আচ্ছন্নতা রক্তচাপ পরিবর্তন ইত্যাদি । মাদক দ্রব্য গ্রহণ করলে মানুষের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য নেতিবাচক পরিবর্তন ঘটে এবং দ্রব্যের উপর নির্ভরশীলতা সৃষ্টির পাশাপাশি দ্রব্যটি গ্রহণের পরিমাণ ক্রমশ বাড়তে থাকে ব্যক্তির এই অবস্থাকে বলে মাদকাসক্তি এবং যে গ্রহণ করে তাকে বলে মাদকাসক্ত মাদকাসক্তি বলতে মাদকের প্রতি আসক্তিকেবোঝায়। বিভিন্ন ধরণের মাদক হতে পারে। মাদক বা ড্রাগস হলো বিষধর সাপের বিষাক্ত ছোবলের মতো যা প্রতিনিয়ত একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে ধীরে ধীরে তার দংশনে নিঃশেষ করে দেয়। যার প্রভাব আমরা আমাদের যুব সমাজে বেশি দেখিতে পাই। কিন্তু আমরা কখনো ভেবে দেখেছি কি? যুব সমাজের এই পরিণতির জন্য অনেকাংশে দায়ি শুধুমাত্র মাদক দ্রব্য এবং মাদকাসক্তি সম্পর্কে পরিপূর্ণ জ্ঞান না থাকা !