দশমিনায় ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা

শৈত্য প্রবাহের প্রভাবে

প্রকাশিত: ৮:৩০ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১৩, ২০১৮ | আপডেট: ৮:৩০:পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১৩, ২০১৮
দশমিনায় ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা

তীব্র শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে পটুয়াখালী দশমিনার জনজীবন। আর মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বেশ কয়েকদিন যাবত অব্যাহত হওয়ার কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন কেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। কনকনে ঠান্ডা বাতাস আর ঘন কুয়াশা বাড়িয়ে দিচ্ছে শীতের তীব্রতা। শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় শীত ও শীতজনিত বিভিন্ন রোগে শিশু ও বৃদ্ধরা নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, কোল্ড ডায়রিয়া, হাপানি, সিওপিডি রোগে আক্রান্ত হয়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি হচ্ছেন।

গতকাল শনিবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সরেজমিনে ঘুরে মেডিক্যাল অফিসার ডা: মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত ৩-৪ দিনে কোল্ড ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডা জনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে প্রায় ২০ জন শিশু এবং চিকিৎসা নিয়েছে প্রায় ৬০-৭০ জন শিশু। শিশু ছাড়াও ডায়রিয়া, হাপানি ও সিওপিডিসহ ঠান্ডা জনিত ১০-১২ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছে ২০-৩০ জন রোগী।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা মো. গোলাম মস্তফা বলেন, শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে ঠান্ডাজনিত রোগের সংখ্যা বেড়ে যায়। এসময় শিশুদের ডায়রিয়া হয়ে থাকে। তবে ভয়ের কিছু নেই এ ডায়রিয়া ৫ দিনের ভিতরেই কমে যায়। শীতে শিশুদের ঠান্ডা থেকে দুরে রাখতে হবে এবং ভ্রমণে শিশুদের না নেয়ার পরামর্শ দেন তিনি। শিশু ও বৃদ্ধদের যেকোন রোগে বাড়িতে না রেখে হাসপাতালে রোগীকে নিয়ে আসার অনুরোধও করেন তিনি।
ঠান্ডা বেশি লাগার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে ঠান্ডা বেশি মনে হচ্ছে এ অবস্থা আরো ৩-৫ দিন থাকবে।