মিন্নি-নয়ন বন্ডের বিয়ের গোপন তথ্য আদালতে ফাঁস করলেন কাজি

প্রকাশিত: ৩:২৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২০ | আপডেট: ৩:২৭:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২০

বহুল আ’লোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হ’ত্যা মা’মলায় মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) জে’লা ও দায়রা জজ আ’দালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি ও নয়ন ব’ন্ডের বিয়ের কাজি মো. আনিচুর রহমান।

একই দিন আ’দালতে আরও সাক্ষ্য দেন মা’মলার অ’পর দুই সাক্ষী মো.কা মাল হোসেন এবং মিনারা বেগম। এ নিয়ে মা’মলার প্রাপ্তবয়স্ক আ’সামিদের বি’রুদ্ধে ২৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করেছেন বরগুনা জে’লা ও দায়রা জজ আ’দালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান।

এ বিষয়ে রিফাত হ’ত্যা মা’মলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মজিবুল হক কিসলু বলেন, মিন্নি ও নয়ন ব’ন্ডের বিয়ের কাজি মো. আনিচুর রহমান মঙ্গলবার আ’দালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

কাজি আনিচুর রহমান বলেছেন, ‘২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর মিন্নি ও নয়ন ব’ন্ডের বিয়ে আমি সম্পন্ন করি। ওই দিন নয়ন ব’ন্ডের কয়েকজন বন্ধু আমাকে নয়ন ব’ন্ডের বাসায় নিয়ে যায়। তখন বাসায় নয়ন ব’ন্ডের মা এবং মিন্নিসহ অনেক লোক উপস্থিত ছিলেন। নয়ন ব’ন্ডের বাসায় বসেই পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে মিন্নি ও নয়ন ব’ন্ডের বিয়ে দেই আমি।’

আ’দালতে আনিচুর রহমান আরও বলেন, ‘বিয়ে সম্পন্ন করার পর আমি জানতে পারি মিন্নি বরগুনা পৌরসভা’র আবু সালেহ কমিশনারের ভাইয়ের মে’য়ে। তখন আমি সালেহ কমিশনারকে আমা’র মোবাইল থেকে কল দিয়ে মিন্নি ও নয়ন ব’ন্ডের বিয়ের খবর জানাই। তিনি আমাকে বিয়ের কথা গো’পন রাখতে বলেন। এরপর মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কি’শোরও আমাকে ফোন করে বিবাহের বিষয়টি গো’পন রাখতে অনুরোধ করেন।’

কাজি আনিচুর রহমান আ’দালতে আরও বলেন, ‘এরপর আমি জানতে পারি কুমা’রী পরিচয়ে রিফাত শরীফের সঙ্গে মিন্নির বিয়ে হয়েছে। রিফাত শরীফের সঙ্গে বিয়ের পরদিন মিন্নির বাবা আমাকে ফোনে বলেন, মিন্নি ও নয়ন ব’ন্ড আগামীকাল আপনার কাছে যাবে। আপনি তাদের ডিভোর্স করিয়ে দিয়েন। কিন্তু মিন্নির বাবার কথা অনুযায়ী ওই দিন তারা আমা’র কাছে আসেনি। এর পরদিন ফোন করে আবারও আমাকে একই কথা বলেন মিন্নির বাবা কি’শোর। ওই দিনও ডিভোর্সের জন্য মিন্নি ও নয়ন ব’ন্ড আমা’র কাছে না আসায় মিন্নির বাবাকে ফোন দেই। তখন মিন্নির বাবা আমাকে বলেন, ওরা দুজনে কমিটমেন্ট করেছে বিয়ের কথা কাউকে জানাবে না। গো’পন রাখবে। আপাতত থাক।’

আইনজীবী মজিবুল হক কিসলু বলেন, সাক্ষ্য দেয়ার সময় মিন্নি ও নয়ন ব’ন্ডের বিয়ের কাজি মো. আনিচুর রহমান আ’দালতে বিয়ের রেজিস্টার বালাম উপস্থাপন করেন। এটি গ্রহণ করেন আ’দালত। এতে বুঝা যায় মিথ্যা বলছেন মিন্নি, নয়নের সঙ্গেও বিয়ে হয়েছিল তার।

গত ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত হ’ত্যাকা’ণ্ড ঘটে। গত ১ সেপ্টেম্বর ২৪ জনকে অ’ভিযু’ক্ত করে প্রাপ্ত ও অ’প্রাপ্তবয়স্ক; দুভাগে বিভক্ত করে আ’দালতে প্রতিবেদন দেয় পু’লিশ। এর মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অ’প্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জন। মা’মলার চার্জশিটভুক্ত প্রাপ্তবয়স্ক আ’সামি মো. মু’সা এখনও পলাতক। পাশাপাশি রিফাতের স্ত্রী’ আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি এবং মা’মলার অ’প্রাপ্তবয়স্ক ছয় আ’সামি জামিনে। বাকিরা কারাগারে।

গত ১ জানুয়ারি রিফাত হ’ত্যা মা’মলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আ’সামির বি’রুদ্ধে চার্জ গঠন করেন বরগুনা জে’লা ও দায়রা জজ আ’দালত। এরপর ৮ জানুয়ারি অ’প্রাপ্তবয়স্ক ১৪ আ’সামির বি’রুদ্ধে চার্জ গঠন করেন বরগুনার শি’শু আ’দালত।

রিফাত হ’ত্যা মা’মলার প্রাপ্তবয়স্ক আ’সামিরা হলেন রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজি, আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইস’লাম সিফাত, রেজওয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকট’ক হৃদয়, মো. হাসান, মো. মু’সা, আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, রাফিউল ইস’লাম রাব্বি, মো. সাগর এবংকা ম’রুল ইস’লাম সাইমুন।

বহুল আ’লোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হ’ত্যা মা’মলায় মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) জে’লা ও দায়রা জজ আ’দালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি ও নয়ন ব’ন্ডের বিয়ের কাজি মো. আনিচুর রহমান।

একই দিন আ’দালতে আরও সাক্ষ্য দেন মা’মলার অ’পর দুই সাক্ষী মো.কা মাল হোসেন এবং মিনারা বেগম। এ নিয়ে মা’মলার প্রাপ্তবয়স্ক আ’সামিদের বি’রুদ্ধে ২৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করেছেন বরগুনা জে’লা ও দায়রা জজ আ’দালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান।

এ বিষয়ে রিফাত হ’ত্যা মা’মলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মজিবুল হক কিসলু বলেন, মিন্নি ও নয়ন ব’ন্ডের বিয়ের কাজি মো. আনিচুর রহমান মঙ্গলবার আ’দালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

কাজি আনিচুর রহমান বলেছেন, ‘২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর মিন্নি ও নয়ন ব’ন্ডের বিয়ে আমি সম্পন্ন করি। ওই দিন নয়ন ব’ন্ডের কয়েকজন বন্ধু আমাকে নয়ন ব’ন্ডের বাসায় নিয়ে যায়। তখন বাসায় নয়ন ব’ন্ডের মা এবং মিন্নিসহ অনেক লোক উপস্থিত ছিলেন। নয়ন ব’ন্ডের বাসায় বসেই পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে মিন্নি ও নয়ন ব’ন্ডের বিয়ে দেই আমি।’

আ’দালতে আনিচুর রহমান আরও বলেন, ‘বিয়ে সম্পন্ন করার পর আমি জানতে পারি মিন্নি বরগুনা পৌরসভা’র আবু সালেহ কমিশনারের ভাইয়ের মে’য়ে। তখন আমি সালেহ কমিশনারকে আমা’র মোবাইল থেকে কল দিয়ে মিন্নি ও নয়ন ব’ন্ডের বিয়ের খবর জানাই। তিনি আমাকে বিয়ের কথা গো’পন রাখতে বলেন। এরপর মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কি’শোরও আমাকে ফোন করে বিবাহের বিষয়টি গো’পন রাখতে অনুরোধ করেন।’

কাজি আনিচুর রহমান আ’দালতে আরও বলেন, ‘এরপর আমি জানতে পারি কুমা’রী পরিচয়ে রিফাত শরীফের সঙ্গে মিন্নির বিয়ে হয়েছে। রিফাত শরীফের সঙ্গে বিয়ের পরদিন মিন্নির বাবা আমাকে ফোনে বলেন, মিন্নি ও নয়ন ব’ন্ড আগামীকাল আপনার কাছে যাবে। আপনি তাদের ডিভোর্স করিয়ে দিয়েন। কিন্তু মিন্নির বাবার কথা অনুযায়ী ওই দিন তারা আমা’র কাছে আসেনি। এর পরদিন ফোন করে আবারও আমাকে একই কথা বলেন মিন্নির বাবা কি’শোর। ওই দিনও ডিভোর্সের জন্য মিন্নি ও নয়ন ব’ন্ড আমা’র কাছে না আসায় মিন্নির বাবাকে ফোন দেই। তখন মিন্নির বাবা আমাকে বলেন, ওরা দুজনে কমিটমেন্ট করেছে বিয়ের কথা কাউকে জানাবে না। গো’পন রাখবে। আপাতত থাক।’

আইনজীবী মজিবুল হক কিসলু বলেন, সাক্ষ্য দেয়ার সময় মিন্নি ও নয়ন ব’ন্ডের বিয়ের কাজি মো. আনিচুর রহমান আ’দালতে বিয়ের রেজিস্টার বালাম উপস্থাপন করেন। এটি গ্রহণ করেন আ’দালত। এতে বুঝা যায় মিথ্যা বলছেন মিন্নি, নয়নের সঙ্গেও বিয়ে হয়েছিল তার।

গত ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত হ’ত্যাকা’ণ্ড ঘটে। গত ১ সেপ্টেম্বর ২৪ জনকে অ’ভিযু’ক্ত করে প্রাপ্ত ও অ’প্রাপ্তবয়স্ক; দুভাগে বিভক্ত করে আ’দালতে প্রতিবেদন দেয় পু’লিশ। এর মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অ’প্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জন। মা’মলার চার্জশিটভুক্ত প্রাপ্তবয়স্ক আ’সামি মো. মু’সা এখনও পলাতক। পাশাপাশি রিফাতের স্ত্রী’ আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি এবং মা’মলার অ’প্রাপ্তবয়স্ক ছয় আ’সামি জামিনে। বাকিরা কারাগারে।

গত ১ জানুয়ারি রিফাত হ’ত্যা মা’মলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আ’সামির বি’রুদ্ধে চার্জ গঠন করেন বরগুনা জে’লা ও দায়রা জজ আ’দালত। এরপর ৮ জানুয়ারি অ’প্রাপ্তবয়স্ক ১৪ আ’সামির বি’রুদ্ধে চার্জ গঠন করেন বরগুনার শি’শু আ’দালত।

রিফাত হ’ত্যা মা’মলার প্রাপ্তবয়স্ক আ’সামিরা হলেন রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজি, আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইস’লাম সিফাত, রেজওয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকট’ক হৃদয়, মো. হাসান, মো. মু’সা, আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, রাফিউল ইস’লাম রাব্বি, মো. সাগর এবংকা ম’রুল ইস’লাম সাইমুন।