‘আমার ক্যারিয়ারে কোনো কলঙ্ক লাগাতে চাই না’ – পূজা চেরি

এ আল মামুন এ আল মামুন

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ১২:২৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০ | আপডেট: ১২:২৭:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০

বিনোদন ডেস্ক: সরকার প্রতিবছর কিছু চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য অনুদান দিয়ে থাকে। সম্প্রতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে অনুদান পাওয়া সিনেমার নাম ঘোষণা করা হয়। এই তালিকায় ‘হৃদিতা’ নামে সিনেমার নাম রয়েছে। কিন্তু সিনেমাটি নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছেন জাদুরকাঠি মিডিয়ার কর্ণধার চিত্রপ্রযোজক মো. মিজানুর রহমান। অনিয়ম এবং অনুদানের শর্ত ও নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে ‘হৃদিতা’ ছবির প্রযোজককে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে রবিবার। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এ ছবির অনুদান বাতিল ও শুটিংসহ যাবতীয় কার্যক্রম স্থগিতের জন্য তথ্য সচিব এবং ছবি সংশ্লিষ্ট নয়জনকে নোটিশ দিয়েছেন জাদুকাঠি মিডিয়ার কর্ণধার মো. মিজানুর রহমান। তার পক্ষে আইনি নোটিশটি পাঠিয়েছেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী আফতাব উদ্দিন ছিদ্দিকী।

কিছুদিন আগে ছবিটিতে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয় চিত্রনায়িকা পূজা চেরি ও এবিএম সুমন। অভিযোগের সূত্র ধরে যোগাযোগ করা হয় পূজার সাথে। এক প্রশ্নের জবাবে পূজা বলেন, গল্পটি আমার কাছে ভালো লেগেছে। তাছাড়া আনিসুল হক স্যারের গল্প সব মিলিয়ে ছবিটি করার আগ্রহ দেখাই। অভিযোগ ও নোটিশের ব্যাপারে আমি অবগত নই। অনুদানের ছবি বলেই ছবিটি করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হই। যদি ছবির অনুদান বাতিল হয় তাহলে আমি ছবিটি করব না। সাইনিং মানি ফেরত দেব। বির্তকিত কোনো চলচ্চিত্রে কাজ করব না। শুধু ‘হৃদিতা’ নয় কখনই বির্তকিত চলচ্চিত্রে কাজ করব না। আমি আমার ক্যারিয়ারে কোনো কলঙ্ক লাগাতে চাই না।

ছবিটি অক্টোবারের মাঝামাঝি সময় শুটিং হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগেই ছবিটির কার্যক্রম স্থগিতের নোটিশ পাঠানো হয়। ২৪ সেপ্টেম্বর রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এবং ২৭ সেপ্টেম্বর ই-মেইলে পাঠানো ওই নোটিশে একই সঙ্গে হৃদিতা’র জন্য ইতোমধ্যে ছাড়কৃত অনুদান ফেরত এবং অনুদানের মতো সরকারের একটি মহতী উদ্যোগকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়।

২০১৯ সালে পরিচালক ইস্পাহানি আরিফ জাহান ‘ড্রিমগার্ল’ নামে সিনেমা নির্মাণ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। দেশের প্রায় সব গণমাধ্যমে প্রকাশ হয় একই উপন্যাস অবলম্বনে ‘ড্রিমগার্ল’ ছবির কাস্টিং, সাইনিং, মহরত ও শুটিং প্রস্তুতির খবর। তখন চিত্রনায়িকা অধরা খান ও রোশানকে জুটি করে ছবির মহরত হয়।