শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে যা জানালেন গণশিক্ষা সচিব

প্রকাশিত: ১২:০৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০ | আপডেট: ১২:০৫:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০

# দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এরপর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে কিনা সে ঘোষণা আসবে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর। তার আগেই প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার বিষয়ে জো’র আলোচনা চলছে। এদিকে, আংশিকভাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার কোনও সুযোগ নেই বলে জানিয়ে দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। গ্রামাঞ্চলে ২৫ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দিতে শিক্ষক ও মাঠপর্যায়ের কর্মক’র্তাদের প্রস্তাবের পর এই তথ্য জানায় মন্ত্রণালয়।

# মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, ‘করো’না পরিস্থিতি অনুকূলে না এলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে না। আংশিকভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কোনও সুযোগ নেই।’ গত ৮ মা’র্চ দেশে প্রথম করো’না রোগী শনাক্ত হয়। এর পর করো’নার বিস্তার রোধে ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় নিয়ে ১৭ মা’র্চ থেকে সারাদেশে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। কয়েক দফায় এ ছুটি বাড়িয়ে আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত সর্বশেষ ছুটি নির্ধারণ করা রয়েছে। করো’না পরিস্থিতি অনুকূলে এলে নতুন স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে কী’ভাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালিত হবে, তার একটি নির্দেশিকা প্রস্তুত করে পাঠানো হয়েছে বিদ্যালয়গুলোতে। এ ছাড়া ১ নভেম্বর থেকে সংক্ষিপ্ত পাঠ পরিকল্পনা প্রণয়ন করে তা প্রকাশ করেছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)। সেই হিসাবে পুরো অক্টোবরই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। করো’না পরিস্থিতি অনুকূলে না এলে নভেম্বরেও বিদ্যালয় খোলা হবে না।

# প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম-আল হোসেন গতকাল বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা সর্বাগ্রে বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। পরিস্থিতি অনুকূলে না এলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে না। যে যাই প্রস্তাব দিক; প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে না। বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি বদরুল আলম সমকালকে বলেন, ‘জে’লা পর্যায়ে ২৫ শতাংশ স্কুল খুলে দেওয়ার প্রস্তাবটি বাস্তবসম্মত নয়। কর্মক’র্তারা বর্তমান পরিস্থিতিতেও প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দেওয়ার পক্ষে মতামত দিয়েছেন- বিষয়টি ভাবতেই অ’বাক লাগছে। যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, উচ্চ বিদ্যালয়, মাদ্রাসা এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি; সেখানে তারা কী’ করে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার পক্ষে মতামত দেন? কোমলমতি শি’শুরা বিদ্যালয়ে এসে কতটুকু সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে পারবে? বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্ম’দ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, করো’না পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দিলে তা হবে আত্মঘাতী।