আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি,সেই গণতন্ত্র,যা সাধারণ মানুষের কল্যাণ সাধন করে- মোঃআজিজুল হুদা চৌধুরী সুমন 

প্রকাশিত: ১:৫৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০ | আপডেট: ১:৫৩:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০

 

রাজনীতিতে গণতন্ত্র অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ বিষয় হলেও বাংলাদেশের রাজনীতিতে আদৌ কি কোনো গণতন্ত্র আছে?বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো চলছে একক নেতৃত্ব ও নেতাকেন্দ্রিক ব্যবস্থায়।দুর্ভাগ্যের হলেও এটাই সত্যি,দেখা যাচ্ছে, একজন নেতা যাবতীয় সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।নিজের ইচ্ছাকেই সবার মাথায় চাপিয়ে দিচ্ছেন।

আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলো কোন পথে পরিচালিত হচ্ছে?গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা ভাল নাকি আমাদের এক জন অত্যন্ত শক্তিশালী নেতা প্রয়োজন?শক্তিশালী নেতা বলতে কী বোঝায়? যিনি একনায়কের মতো নিজের হাতে দেশের সমস্ত ক্ষমতা সীমাবদ্ধ করে রাখবেন? যাঁর কথাতেই দল চলবে,দেশ চলবে।

গণতন্ত্রের একটা বড় দিক হল মৌলিক অধিকার। যেমন বাক স্বাধীনতা। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, কেউ বিরুদ্ধমত প্রকাশ করলেই তাকে বিদ্রোহী বলে চিহ্নিত করা হচ্ছে কিংবা দল থেকে বহিষ্কার করা হচ্ছে।

দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করাই হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলোর  প্রধান কাজ। কিন্তু, হয় তার উল্টো। প্রথমে নিজের উন্নতি, তার পরে দলের উন্নতি এবং শেষে কিছু বাঁচলে আম জনতার কথা ভাবা হচ্ছে। তাই দেশের এক বড় অংশের মানুষ দিনের পর দিন বঞ্চনার শিকার। এক দিকে ধনীরা আরও ধনী হচ্ছে, গরিবেরা আরও গরিব হচ্ছে। আজও দেশের বড় অংশের দু’বেলা অন্ন জোটে না। অন্ন বস্ত্র বাসস্থান স্বাস্থ্য শিক্ষা সাধারণ মৌলিক চাহিদাটাও তাদের জুটছে না।

জাতীয় রাজনৈতিক নেতারা সুবিধাভোগী এক উচ্চশ্রেণির মানুষ।যে রাজনীতি ব্যাক্তিগত ও দলীয় স্বার্থকে নিয়ন্ত্রণ করে, সেই রাজনীতি আর যাই হোক,জনগণের মাঝে দেশাত্মবোধের জাগরণ ঘটাতে পারে না।