ভা’রত সীমান্তে তিন গুণ শক্তি বাড়িয়েছে চীন

প্রকাশিত: ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০ | আপডেট: ১০:৫৬:পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০

লা’দাখে চিনা বা’হিনীর আগ্রা’সন আসলে দীর্ঘ পরি’কল্পনা ফসল। ডো’কলামে সংঘা’তের পর ভা’রতের সঙ্গে প্রকৃত নিয়’ন্ত্রণরেখা (এল’এসি) বরা’বর এলাকা’গু’লি নি’জেদের কব্জার মধ্যে নিয়ে আ’সাই লক্ষ্য ছিল ড্রা’গ’নদের। তাই লা’দাখ-সহ ভা’রতের পূর্ব দিকে এল’এসি বরা’বর সাম’রিক শক্তি বৃদ্ধি’তে মনো’নিবেশ করে চিন। তার পর থেকে গত তিন বছরে সেখানে নিজেদের শক্তি তিন গুণ বাড়িয়ে নিতে সফল হয়েছে তারা। ভূ-রাজনৈতিক সংক্রান্ত মা’র্কিন গোয়েন্দা তথ্য সংগ্র’হকারী সংস্থা স্ট্র্যা’টফরের একটি রি’পোর্টে দাবি করা হয়েছে, প্রকৃত নি’য়ন্ত্রণ’রেখা (এলএসি) বরা’বর নিজে’দের শক্তি তিন গুণ বা’ড়িয়ে নিতে সফল হয়েছে চী’ন।

ভা’রতের গণমাধ্যম বলছে, চলতি বছরের প্রায় পুরো সময়ই সীমান্ত উত্তে’জনার পরিপ্রেক্ষিতে স্থিতাবস্থা ফেরাতে এই মুহূর্তে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় আসতে চাইছে চীন-ভা’রত। এর মধ্যেই এলএসি বরাবর চীনের শক্তি বৃদ্ধি নিয়ে মা’র্কিন সংস্থার রিপোর্ট দিল্লির মা’থাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্যাটেলাইট ফুটেজ দেখে এলএসি বরাবর চীনা বাহিনীর সাম’রিক নির্মাণ ও পরিকাঠামোর অবস্থান পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে বিশ্লেষণ করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে স্ট্র্যাটফর।

তাতেই ডোকলাম এবং লাদাখ সংঘাতের পরের পরিস্থিতির মধ্যে বিস্তর ফারাক ধ’রা পড়েছে, যা ভা’রতের নিরাপত্তার জন্য অ’ত্যন্ত দুশ্চিন্তাজনক হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে আশ’ঙ্কা কূটনীতি বিশেষজ্ঞদের।

ওই রিপোর্টে বলা হয়, এলএসি সংলগ্ন এলাকায় কমপক্ষে ১৩টি নতুন সাম’রিক অবস্থান গড়ে তুলতে শুরু করেছে চীন। এরমধ্যে তিনটি বিমানবাহিনী ঘাঁটি, পাঁচটি স্থায়ী আকাশসীমা প্রতিরক্ষা কেন্দ্র এবং পাঁচটি হেলিপোর্ট রয়েছে।

লাদাখ সংঘাতের পরই হেলিপোর্টগুলো নির্মাণের কাজ শুরু হয় বলে দাবি করা হয়েছে ওই রিপোর্টে।

এ ছাড়াও রেডিও সিগন্যাল, রাডার এবং উন্নত প্রযু’ক্তির মাধ্যমে শত্রুপক্ষের অবস্থান নির্ধারণ করার জন্য রয়েছে ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন।

পারমাণবিক ক্ষমতা সম্পন্ন দুই দেশের সঙ্গে অমীমাংসিত ২২ মাইল প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা রয়েছে। ১৯৬২ সাল থেকে অরুনাচল, সিকিম ও লাদাখ সীমান্তে প্রতিবেশী দুই দেশের সঙ্গে একাধিক সং’ঘর্ষ হয়েছে।