ফসলি জমি ও নদী কাটছে বাবুগঞ্জের তাজ ব্রিকস! এলাকাবাসীর লিখিত অভিযোগ

আরিফ হোসেন আরিফ হোসেন

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৭:১৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০ | আপডেট: ৭:২৮:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০

বাবুগঞ্জ: ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (দোয়ারিকা)সেতুর পশ্চিম পাশে সুগন্ধ্যা নদীর পলি মাটি ও ফসলি জমির মাটি রাতের আধারে কেটে নিচ্ছে বাবুগঞ্জের তাজ ব্রিকসের মালিক পক্ষ বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে ।

 

দ্রুত ফসলি জমি থেকে অবৈধ মাটি কাটা এবং নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে ২১ সে সেপ্টেম্বার সোমবার সকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন এলাকাবাসী।


এলাকাবাসীর লিখিত অভিযোগসূত্রে জানা জায়, বাবুগঞ্জ উপজেলার উত্তর দেহেরগতিতে নিয়ম না মেনে কয়েক বছর আগে গড়ে উঠেছে তাজ ব্রিকস নামের ইট ভাটা। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া দ্বারিকা এলাকার মুক্তাল মাস্টারের পুত্র মোঃ সাগর ফকির ফসলী জমিতে ড্রাম চিমনির ব্রিকসটি স্থাপন করে। প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাতের আধারে সুগন্ধা নদীর পাশের ফসলি জমির মাটি কেটে সাবার করছে সাগর ফকির । নদীর মাটি কাটার ফলে ধ্বংস হচ্ছে নদী পাড়ের আবাদী জমিসহ বসতঘর ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। ইট ভাটার পরিবহন চালায় সুগন্ধা তীরের রামপট্টি এলাকার ভেরী বাঁধ টি যাতায়াতের অনুপযোগী হয়ে পরেছে। তাছাড়া উত্তর দেহেরগতি হতে সুগন্ধ তীরের লঞ্চঘাটে যাতায়াতের রাস্তা দখলকরে ঘর উঠানোর ফলে ঐ এলাকার মানুষ সাগর ফকিরের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে।

এ ব্যাপারে তাজ ব্রিকস-এর মালিক মোঃ সাগর ফকির বলেন, অামার বিরুদ্ধে অানিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি অভিযোগের সত্যতা যাছাইয়ে সরজমিনপরিদর্শন করতে বলেন। দেহেরগতি ইউপি চেয়ারম্যান মসিউর রহমান বলেন তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ অামীনুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের সত্যতা পেলে অাইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য গত বছর অবৈধভাবে ইট ভাটা চালানোর অভিযোগে সংবাদ প্রকাশ হলে তাজ ব্রিকসটি ভেঙ্গে দিয়েছিলো পরিবেশ অধিদপ্তর।পরবর্তীতে অাবারো পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রাশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ইটপোড়ার কাজ শুরু করে তাজ ব্রিকস।