হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কি’শোরীকে ধর্ষণ

প্রকাশিত: ৯:৫৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০ | আপডেট: ৯:৫৫:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০

হাসপাতা’লে চিকিৎসাধীন এক কি’শোরী রোগীকে ধ’র্ষণের অ’ভিযোগ উঠছে। ঘটনাটি ঘটেছে মানিকগঞ্জ জে’লার সাটুরিয়া উপজে’লার সাটুরিয়া উপজে’লা স্বাস্থ্য কম্পেপ্লেক্সে। এ ঘটনায় গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ৭ সদস্য বিশিষ্ট ত’দন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সাটুরিয়া উপজে’লা স্বাস্থ্য কর্মক’র্তা ডাঃ মামুনুর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ত’দন্ত কমিটিকে আগামী দুই কর্ম’দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে গত ১১ সেপ্টেম্বর রাতে। এতদিন বিষয়টি ধামা চাপা দেবার অ’ভিযোগ উঠে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বি’রুদ্ধে। এক প্রকার বাধ্য হয়ে এ ঘটনা ৮ দিন পর ত’দন্তের জন্য সাত সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে কর্তপক্ষ। ১১ সেপ্টেম্বও ধ’র্ষণের রাতে সাটুরিয়া হাসপাতা’লে ওই রাতে যারা ডিউটি করেছে তারা হলেন, ডা. স্বপন কুমা’র সুর, নার্স দুলালী ও সুমি আক্তার, ওয়ার্ড বয় মাজেদ।

# ধ’র্ষিতার বাবা বলেন, গত ৩ সেপ্টেম্বর ১৫ বছরের ওই কি’শোরীকে জ্বার ও শরীর ব্যাথা নিয়ে সাটুরিয়া হাসপাতা’লে ভর্তি করা হয়। ধীরে ধীরে সুস্থ্য হয়ে উঠলে তাকে ১২ সেপ্টেম্বর হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র (ছুটি) দেয়া হবে বলে ১১ সেপ্টেম্বর রাতে নার্স তার পরিবারকে জানায়। ১১ সেপ্টেম্বর রাত আনমানিক ১১ টার দিকে হাসপাতা’লের এক যুবক তাকে ধরে নিয়ে ধ’র্ষণ করে।

# ধ’র্ষিতার মা বলেন, ঘটনার দিন মে’য়েকে বেডে না পেয়ে খোজাখুজি করে বারান্দায় পরে থাকতে দেখি। তখন ঐ তরুণীর র’ক্তক্ষণ হচ্ছে দেখে বিষয়টি তিনি নার্সকে বলি। কর্তব্যরত নার্স কি’শোরীর অবস্থা বেগতিক দেখে ডাক্তার ডেকে আনেন। পরে তাকে মানিকগঞ্জ ২৫০ শষ্যা হাসপাতা’লে রেফার্ড করা হয়। বর্তমানে আমা’র মে’য়েকে এক আত্বীয় বাড়িতে রাখা হয়েছে।
ধ’র্ষিতার বাবা বলেন, ধ’র্ষককে আম’রা চিনিনা। তবে হাসপাতা’লে মহিলা ওয়ার্ডে সিসি ক্যামেরা রয়েছে। ওই ক্যামেরার ফুটেজ দেখলে ধ’র্ষককে চেনা যাবে। মে’য়ের বিয়ের কথা চিন্তা করে মুখ বুঝে চুপ রয়েছি, অ’ভিযোগ করিনি। ওই সময় ডাক্তার বা নার্সদের ডেকে পাওয়া যায়নি। তারা নিশ্চয় ধ’র্ষকের ব্যাপারে তথ্য দিতে পারবেন।

# এই ঘটনার নিয়ে কয়েকদিন ধরেই সাটুরিয়া হাসপাতাল পাড়ায় কানঘুষা চলছে। সিসি ক্যামেরা বেষ্টিত রোগীর বেডে কিভাবে এ ঘটনা ঘটেছে তা নিয়ে উঠেছে পশ্ন। হাসপাতা’লের রোগী ও স্থনীয় মানুষ জানায়, হাসপাতা’লে চিকিৎসা নিতে আসেন অনেক নারী। তাদের নিরাপত্তা হাসপাতাল রয়েছে সিসি ক্যামেরায়। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ চেক করলেই ধ’রা পরবে ওই মে’য়েকে কে ধ’র্ষণ করেছে। তারা অ’ভিযোগ করে বলেন হাসপাতাল কর্কৃপক্ষ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ না দেখে তরুণীর ধ’র্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ায় চেষ্টা করছেন। তবে ঘটনার ২ দিন পর থেকে ঐ রাতে ডিউটিরত ওয়ার্ড বয় মাজেদ ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ছুটিতে আছেন।

# সাটুরিয়া উপজে’লা স্বাস্থ্য কর্মক’র্তা ডা. মামুনুর রশীদ বলেন, এ ঘটনায় শি’শু বিশেষজ্ঞ ডা. সাদিককে প্রধান করে গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সাত সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে। দুই কর্ম দিবসে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। হাসপাতা’লে ভিতরে এ ঘটনা যেই ঘটাক না কেন তার বি’রুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

# সাটুরিয়া উপজে’লা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল আলম বলেন, চিকিৎসা নিতে আসা তরুণীর ধ’র্ষণের ঘটনাটি খুবই নিন্ধনীয়। আশা করি ত’দন্ত কমিটি দ্রুত প্রতিবেদন পেশ করবেন এবং অ’প’রাধীকে সনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।