জামায়াত কি বিএনপি থেকে দূরে সরে যাচ্ছে?

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৮:৩৩ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ৯, ২০১৮ | আপডেট: ৮:৩৩:পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ৯, ২০১৮

মামুন : ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল জামায়াতে ইসলামী জোটের প্রধান শরিক বিএনপি থেকে কি দূরে সরে যাচ্ছে? ‘নিবন্ধন বাতিল’ হয়ে যাওয়া এ ইসলামী দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন উপনির্বাচনে মেয়র পদে একজন প্রার্থীকে সমর্থন ঘোষণা করার পরই এমন একটি প্রশ্ন উঠেছে। তবে এর আগেও সিলেট সিটি কর্পোরেশেন নির্বাচনের জন্য জামায়াত তাদের মহানগর সভাপতি অ্যাডভোকেট এহছানুল মাহবুব জোবায়েরকে প্রার্থী ঠিক করে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে বিএনপির সঙ্গে আগের মতো জামায়াতের ‘গাটছড়া’ যে নেই তা আগে থেকেই বুঝা যাচ্ছিল। গত এক বছরে বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা কিংবা মহাসচিব পর্যায়ের যে বৈঠকগুলো হয়েছে তাতে জামায়াতের কোনো প্রতিনিধিকে অংশ নিতে দেখা যায়নি।
তবে গেল বছরের নভেম্বরে রংপুরে ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দু সম্প্রদায়কে দেখতে যাওয়াপর পথে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্পষ্টভাবেই জানিয়ে দিয়েছেন যে, আমাদের জোট অটুট আছে। আগামী নির্বাচনে আমাদের জোটেই জামায়াত থাকবে। জোটে থেকেই জামায়াত বিএনপির সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেবে।

এদিকে জামায়াতের একাধিক নেতা মনে করেন, বিগত বছরখানেক থেকে জোটের প্রধান বিএনপি নানা কারণে দলটির নেতাদের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখছে। দলটির এক কেন্দ্রীয় নেতা মানবকণ্ঠকে বলেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বঞ্চনা থেকে রক্ষা পেতে বিএনপির নেতারা কৌশলে জামায়াতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখছেন সত্য, তবে সেই সঙ্গে ‘অনেকটা দূরত্বও’ বজায় রাখছেন। বিএনপিসহ জোটের নেতারা যখন এড়িয়ে চলছেন, ঠিক সে জন্য জামায়াতও একলা চলার নীতি গ্রহণ করছে। জামায়াতের এ নেতা মনে করেন, বিশ দলীয় জোটে জামায়াত আছে, থাকবে। জোট আগামীতে আরো অটুট হবে। তবে তিনি আরো মনে করেন, জোট ও জামায়াতের সাংগঠনিক কার্যক্রম এক হতে পারে না। তা সম্পূর্ণই পৃথক।

দলটির ঢাকা মহানগীর এক কর্মপরিসদ সদস্য মানবকণ্ঠকে জানান, জামায়াত তার দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে ঢাকা উত্তর সিটির উপনির্বাচনে। এর আগে কেন প্রার্থীর নাম ঘোষণা দেয়া হয়নি জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, তা রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করেছে।

উল্লেখ্য, দলের ঢাকা উত্তরের আমির ও নির্বাহী পরিষদ সদস্য ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিনকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) উপনির্বাচনে মেয়র প্রার্থী দিয়েছে জামায়াত। ৩ জানুয়ারি বিকেলে অনানুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয় দলের এই সিদ্ধান্ত। যেহেতু স্থানীয় নির্বাচন এখন রাজনৈতিক দলের প্রতীকে অনুষ্ঠিত হয়, সেহেতু নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাওয়ায় জামায়াত প্রার্থী দিতে পারে কিনা- তা আলোচনার বিষয়। তবে অনেকে মনে করেন যে, নিবন্ধন না থাকায় জামায়াত কোনো নির্বাচনেই অংশ নিতে পারবে না। তাই স্থানীয় নির্বাচনেও জামায়াত প্রার্থী ঘোষণা করতে পারে না। কিছুদিন আগে নতুন একটি রাজনৈতিক দল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) তাদের দলের এক নেতা কণ্ঠশিল্পী শাফিন আহমেদকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। তবে এ দলের চেয়ারম্যান বলেছেন, আমাদের যেহেতু নিবন্ধন নেই, তাই আমরা নির্বাচনে প্রার্থী দিতে পারি না। আমরা ওই প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়েছি। জামায়াতে ইসলামী কি তাদের দলের ঢাকা নগর নেতা সেলিম উদ্দিনকে সমর্থন করছেন, না প্রার্থী ঘোষণা করেছেন, তা জানার জন্য কোনো নেতাকে পাওয়া যায়নি। তবে এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, নিবন্ধন না থাকায় জামায়াত স্থানীয় নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে প্রার্থিতা ঘোষণা করতে পারে না।
তবে হঠাৎ করে জোটের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা ব্যতিরেকে জামায়াত প্রার্থিতা ঘোষণা করল তা খতিয়ে দেখছে বিএনপি ও ২০ দলীয় জোট। তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এমনিতে নির্বাচন কমিশনে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল। পাশাপাশি বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটে আলোচনার আগেই ঢাকা উত্তরে প্রার্থী দেয়ার সিদ্ধান্ত নিল দলটি।

সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, জামায়াত প্রার্থী মনোনয়ন দেয়ায় অনেকটাই চমকে গেছে বিএনপি ও ২০ দলীয় জোট। দলটির আকস্মিক এই সিদ্ধান্তের পর চিন্তায় পড়েছে বিএনপিও। জামায়াতের প্রার্থিতা দেয়ার কারণ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন বিএনপির শীর্ষ দায়িত্বশীল নেতারা।

বিএনপির একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, আপাতত জামায়াতের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন তারা। এ বিষয়ে জোটের বৈঠকে অন্য শরিক দলগুলোর মাধ্যমে আলোচনায় আনা হবে বিষয়টি। যদিও ২০ দলীয় জোটের কয়েক নেতা মনে করেন, জামায়াত কেবল উত্তর সিটির উপ-নির্বাচন ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দর কষাকষি করতেই আগাম প্রার্থিতা দিল। যদিও তফসিল ঘোষণার আগে জোটকে আলোচনার কোনো সুযোগ না দিয়ে একক প্রার্থী দেয়ার বিষয়টি ‘রহস্যজনক’।
আবার কোনো কোনো নেতা জামায়াত ও বিএনপি উভয়কেই দাম্ভিক বলে মন্তব্য করেছেন। তাদের ভাষ্য, জামায়াত ব্যবহারে দাম্ভিকতার পরিচয় দিয়ে আসছে। আর বিএনপির বিরুদ্ধে অভিযোগ, সবশেষ রংপুর সিটি কর্পোরেশন (রসিক) নির্বাচনে জোটের কোনো নেতাকেই কিছু জানায়নি তারা।
জামায়াতের প্রার্থী দেয়ার খবরে অনেকটাই বিস্মিত জোটের শরিক বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ। তিনি মানবকণ্ঠকে বলেন, খবরটা জেনে কিছুটা অবাকই লাগছে। জামায়াত তো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেনি। আর আমার মনে হয়, দর কষাকষি করতেই জামায়াতের এরকম অবস্থান নেয়া। এটা করতেই হয়তো জামায়াত প্রার্থী দিল। বাকিটা আমার জানা নেই।

২০ দলীয় জোটের গুরুত্বপূর্ণ একটি দলের এক মহাসচিব বলেন, জামায়াত ভালো করেই জানে, তাদের প্রার্থী একা একা কোনোদিন মেয়র হতে পারবে না। এটা মূলত আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে লড়াই। আমার মনে হয়, অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে দল হিসেবে স্বতন্ত্র অবস্থান দেখাতেই প্রার্থী দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

খেলাফত মজলিসের এক নেতার ভাষ্য, তফসিল ঘোষণা হবে, আমরা বসবো, এমনটাই হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই জামায়াত প্রার্থী ঘোষণা করে দিল। আমি ঠিক জানি না, এটা কেন করল তারা।

জোটের সমন্বয়ক ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ বিষয়ে জানেন না বলে মন্তব্য করলেও এই দলের সম্ভাব্য প্রার্থী তাবিথ আউয়াল বলছেন ভিন্ন কথা। তার ভাষ্য, আমি জেনেছি। তবে আনষ্ঠানিকভাবে জানি না জামায়াত মনোনয়ন দিয়েছে কিনা। জামায়াতের প্রার্থিতার কারণে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তাবিথ আউয়াল বলেন, আমি নীতিগতভাবে মনে করি, যত বেশি প্রার্থী হবে তত ভালো। তাহলেই না নির্বাচন বলা যাবে। আর অফিসিয়ালি বলার আগে এ বিষয়ে কিছু মন্তব্য করতে চাই না।

জামায়াতের আগেভাগে প্রার্থী দেয়ার বিষয়ে কথা হয় দলের ভারপ্রাপ্ত আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ এক নেতার সঙ্গে। তিনি বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে এখনো নিশ্চয়তা তৈরি হয়নি। জোটের ওপর কোনো ধরনের প্রভাব পড়বে কিনা তা তফসিল ঘোষণার পর বোঝা যাবে।

এ প্রসঙ্গে জোটের অন্যতম নেতা ও বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গণি বলেন, তফসিল ঘোষণার আগে প্রার্থী ঘোষণা হতেই পারে। আলাদাভাবে কোনো দল চাইলে তা করতেই পারে। কিন্তু জোটের প্রার্থী কে হবেন, তা তফসিল ঘোষণার পরই বোঝা যাবে।

জামায়াতের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, প্রথমত দলের জনশক্তিকে কাজে লাগানো ও ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই ডিএনসিসিতে মেয়র প্রার্থী দেয়া হয়েছে। ঢাকা মহানগর উত্তরের প্রায় ২৫ লাখ ভোটারের মধ্যে দলীয় ভোটারের সংখ্যা অনেক কম হলেও দলীয় ভাবমূর্তি কেমন তা দেখতে চায় দলটির নীতিনির্ধারকরা। দ্বিতীয়ত, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটবদ্ধতার নজির একেবারে কম। এ কারণেও দলটির শীর্ষনেতারা মনে করেছেন, মেয়র প্রার্থিতা দেয়া উচিত।

জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তরের প্রভাবশালী এক সদস্য ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য বলেন, প্রার্থী জিতবে নাকি হারবে তা বিবেচ্য নয়। বিএনপি তো জিজ্ঞাসাও করে না প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে। আমরা মনে করি, জামায়াতের অবস্থা আগের চেয়ে ভালো। তাই মেয়র প্রার্থী মনোনয়ন দেয়া হলো।

১৯৯৪ সালেও অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম। এখন তিনি কারাগারে।

দলের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, গত বছরের ডিসেম্বরে মেয়র প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়ে ঢাকা মহানগর উত্তরে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাভুটি হয়। শাখার নেতাকর্মীরা ভোট দিয়ে কয়েকজনের নাম কেন্দ্রে পাঠানোর পর ভোটপ্রাপ্তির ফলে মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এগিয়ে থাকেন। এর সূত্র ধরে সম্প্রতি সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয় কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ।

ওই সূত্রটি আরো জানায়, নির্বাচনী প্রচারণা করা হবে অনানুষ্ঠানিকভাবেই। দলের প্রার্থীর তথ্য দেয়া হবে গণমাধ্যমে। আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সংবাদ সম্মেলনের সুযোগ না থাকায় প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেয়া হবে কিনা তা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ভারপ্রাপ্ত আমিরের ঘনিষ্ঠ এক নেতা বলেন, অনানুষ্ঠানিকভাবে আমাদের প্রার্থীর প্রচার হয়ে যাবে।

অনেকটাই গোপনে থেকে কতটা নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে, এমন প্রশ্নে ঢাকা মহানগর জামায়াতের এক নেতা জানান ‘তুরস্কে এ কে পার্টিও ভেতরে-ভেতরে কাজ করে ক্ষমতায় গিয়েছিল। জামায়াত প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে সমানভাবেই কাজ করে। আমাদের প্রতি মানুষ আগের চেয়ে বেশি সহানুভূতিশীল বলে মনে করি।’

তারা জানায়, দ্রুতই নির্বাচন পরিচালনা ও গণসংযোগসহ সব ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সমন্বয় কমিটি গঠন ও পোস্টার করা হবে। যতটা সম্ভব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে গণসংযোগের প্রস্তুতিও ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে বলে দাবি ওই সূত্রের।

২০১৫ সালের নির্বাচনে ২২টি ওয়ার্ডে দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছিল জামায়াত। তাদের প্রত্যেকেই স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করেছিল। সিলেটেও জোটের সঙ্গে আলোচনার আগেই দলীয় প্রার্থী হিসেবে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মহানগর আমির অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের প্রচারণা চালাচ্ছেন।

একটি সূত্র জানায়, মনোনীত মেয়র প্রার্থী মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি। ছাত্র রাজনীতি শেষ করে জামায়াতের রমনা থানার দায়িত্বশীল হিসেবে যোগ দেন তিনি। পরবর্তী সময়ে এই থানার সভাপতি, এরপর অবিভক্ত ঢাকা মহানগর কমিটির সহকারী সেক্রেটারি পদে দেখা গেছে তাকে। পরে গত বছরের শুরুর দিকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণে ভাগ হলে তিনি উত্তরের আমির নির্বাচিত হন। তার গ্রামের বাড়ি সিলেটে।

জামায়াতের নির্ভরযোগ্য সূত্রটির ভাষ্য, মেয়র প্রার্থী দেয়া হলো, এখন বিএনপি আলোচনা করবে। এমনকি জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করা হলে মেয়র বাদ গেলেও ১৮টি নতুন ওয়ার্ডে নির্বাচন হবে। সেগুলোতে কাউন্সিলর চাওয়া হবে বিএনপির কাছে। সেক্ষেত্রে ১৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে কমপক্ষে ৮টি ওয়ার্ডে জোটের সমর্থন চাওয়া হবে।

বর্তমানে জামায়াতের মনোনীত দু’জন ঢাকা মহানগর উত্তরে মহিলা নেত্রী কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্বরত বলে জানা গেছে। নতুনভাবে ঢাকা উত্তর সিটিতে আরো ১৮টি ওয়ার্ড যুক্ত হয়েছে। এগুলোতে প্রার্থী দেয়া নিয়ে দর কষাকষি করতে চায় জামায়াত। এ বিষয়টি জোটের সঙ্গে আলোচনার পর দেখা যাবে। মানবকণ্ঠ