অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে নৌপুলিশের বিশেষ অভিযান

এ আল মামুন এ আল মামুন

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ১০:৪০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৩, ২০২০ | আপডেট: ১০:৪০:অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৩, ২০২০

আহমেদ সাব্বির রোমিও: অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে নৌ পুলিশের বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে গতকাল বৃহস্পতিবার। নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরিদা পারভীননের ( লিগ্যাল,মিডিয়া এন্ড ট্রেনিং) স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গণমাধ্যমকে অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর ভূগর্ভে বড় বড় গহ্বরের সৃষ্টি হচ্ছে এবং পানির চাঁপ বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীর পাড় সহ লোকালয় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে নদীতে আইন শৃংখলা রক্ষার পাশাপাশি অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে নৌ পুলিশ ।

নৌ পুলিশের ডিআইজ মো আতিকুল ইসলাম বিএমএম(বার), পিপিএম (বার) গতকাল দুপুরে মেঘনা নদীতে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এই অভিযান পরিচালনা করেন।

সম্প্রতি বন্যার প্রভাব ও মেঘনা নদীতে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের ফলে শতাধিক ঘরবাড়ি সহ ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।এতে স্থানীয় জন সাধারণ মারাত্মকভাবে ক্ষতি হচ্ছে। এছাড়াও মেঘনা নদী সংলগ্ন এলাকায় বিভিন্ন স্থাপনা যেমন- কমিউনিটি ক্লিনিক, বিদ্যালয়,মসজিদ – মাদরাসা, কবরস্থান, ঈদগাঁ ইত্যাদি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, অব্যাহত নদী ভাঙ্গনের ফলে বসতভিটা ও ফসলি জমি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন সাধারণ মানুষ। মেঘনা নদীতে অপরিকল্পিতভাবে বালু মহালের ইজারা নেয়া প্রভাবশালী ব্যক্তিরা নির্দিষ্ট সীমারেখা অতিক্রম করে বালু উত্তোলনে করে আসছে । দীর্ঘ দিন ধরে এসব বালু মহালের ইজারাদাররা মেঘনা নদীতে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে নিয়ম বর্হিভূতভাবে অধিক গভীর হতে বালু উত্তোলন করছেন। মেঘনা ও মেঘনা পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ভাঙ্গনের ভয়াবহতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
এসব বালু উত্তোলনে জড়িতদের বিরুদ্ধে থাকায় স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ করে আসছেন ।

এ অভিযান পরিচালনা কালে অতিরিক্ত ডিআইজি মোল্লা নজরুল ইসলাম সহ অন্যান্য পুলিশ সুপার গন উপস্থিত ছিলেন। নৌ পুলিশের এই বিশেষ অভিযানে মেঘনা নদীর নলচড় নামক স্থান হতে ড্রেজারের মাধ্যমে ১১৭ ফিট পাইপ দিয়ে নদীর ৮০ ফিট গভীরে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন কালে দুইটি ড্রেজার ও একটি বাল্কহেড আটক করা হয়। এ বিষয়ে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়।