মাদারীপুরে সন্ত্রাসী তান্ডবে অর্ধশতাধিক বাড়িঘর, দোকান ভাংচুর

নাজমুল হক নাজমুল হক

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক

প্রকাশিত: ২:০৮ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১২, ২০২০ | আপডেট: ২:১১:অপরাহ্ণ, আগস্ট ১২, ২০২০

মাদারীপুর প্র‌তি‌নি‌ধি

মাদারীপুর পৌর শহরের পাকদি এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দফায় দফায় দুই পক্ষের হামলায় অর্ধশতাধিক বসতঘর ও দোকান ভাংচুরসহ লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় আইয়ুব আলী না‌মে ৭০ বছরের এক বৃদ্ধ আহত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এ সংঘর্ষ চলে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিথুন খলিফাকে মারধর করে নাজমুল হাসান নামে এক যুবক। এ ঘটনার পড়ে নাজমুল হাসানকে মেরে আহত করে মিথুন খলিফা। এরপরেই পু‌রো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে সংঘর্ষ।
এব্যাপারে পাকদি এলাকার আইয়ুব আলী, সামচুল হক, আঃ রব বেপারী, সোবাহান মাস্টার, বেল্লাল বেপারীসহ বেশকিছু লোক অভিযোগের সুরে বলেন, হাই বেপারীর নির্দেশে মনিরুজ্জামান ফারুক আমাদের এলাকায় হামলা চালিয়ে দোকান ও বসতঘর ভাংচুর করেছে। আমাদের সাথে তাদের কোন ঝামেলা নেই। আমাদের বসতঘর ও দোকান তারা শুধু শুধু ভাংচুর করেছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
ভাংচুর হওয়া আরেক দোকান মালিক রহমান খলিফা বলেন, আমার দোকানের টিভি ফ্রিজ সবই ভাংচুর করেছে। ফারুক, তুষার, সোহাগ বেপারীসহ বেপারি বাড়ির লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম বলেন, আমার দোকানে ভাংচুর ও লুটপাট চালিয়েছে বেপারী বাড়ির লোকজন। আমি এর বিচার চাই।
মনিরুজ্জামান ফারুক বলেন, শাকিল, সোহাগ সাব্বিরসহ বেশ কয়েক জন সন্ত্রাসী মিলে আমার দোকান ও বাসায় ভাংচুরসহ লুটপাট করেছে।
এই ব্যাপারে হাই বেপারী বলেন, দুই পক্ষই আমার লোক। মারামারি ঘটনার সাথে আমি জড়িত না।
এব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) বদরুল আলম মোল্লা বলেন, পরিস্থিতি শান্ত রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে। থানায় এখনো কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবো।

জিএম/নাজমুল