জন্ম নিবন্ধন কেন এতো জরুরী

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১২:১২ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৩, ২০২০ | আপডেট: ১২:১২:অপরাহ্ণ, জুলাই ২৩, ২০২০

মোঃ জহিরুল ইসলাম জন্ম নিবন্ধন:

 

শিশু জন্মের পর সরকারি খাতায় প্রথম নাম লেখানোই হল জন্ম নিবন্ধন। একটি শিশুর জন্ম আইনগতভাবে জানান দেয়ার একমাত্র পথই হল জন্ম নিবন্ধন। নবজাতকের একটি নাম ও একটি জাতীয়তা নিশ্চিত করতে এটি প্রথম আইনগত ধাপ। এটি একজন মানুষের প্রথম রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।

সূতরাং ভবিষ্যতে রাষ্ট্রের সকল সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে পূর্ণাঙ্গ ও প্রতিষ্ঠিত মানুষ হওয়ার জন্য জন্ম নিবন্ধন প্রয়োজন। জন্ম নিবন্ধন না করালে রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া যায় না। মর্যাদা পাওয়া যায় না। সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায় না। আইনগত সমস্যার সমাধান করা যায় না।

► কোথায় জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করতে হয়: ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন এবং তার আওতাধীন ওয়ার্ড কমিশনারের কার্যালয়ে।

► রাষ্ট্রের যেকোনো সেবা গ্রহণে বয়স প্রমাণের জন্য জন্ম নিবন্ধন সনদ বা তার সত্যায়িত ফটোকপি ব্যবহার করতে হবে। সেবাগুলো হচ্ছে: জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, বিবাহ নিবন্ধন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, সরকারি-বেসরকারি-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ভোটার তালিকাভুক্তি, জমি ক্রয়-বিক্রয়, নামজারি ও নিবন্ধন, ব্যাংক হিসাব খোলা, ট্রেড লাইসেন্স, আমাদানি বা রপ্তানির লাইসেন্স, গ্যাস, পানি, টেলিফোন ও বিদ্যুৎ সংযোগ, করদাতা নিবন্ধন ও সনদ (টিআইএন), ঠিকাদারি লাইসেন্স, বাড়ির নক্সা অনুমোদন, গাড়ি নিবন্ধন ইত্যাদি।

 

উল্লেখ্য যে, জন্মনিবন্ধন না থাকলে যে কেউ উপরোক্ত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন এবং বিভিন্ন সনদের জন্ম তারিখ ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে যা পরবর্তীতে সমস্যার কারন হতে পারে। ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন না করলে ৫০ টাকা ফি দিতে হবে অতএব শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন করাতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে শিশুর টিকা কার্ড, স্কুলে ভর্তির জন্ম তারিখ ও জন্ম নিবন্ধনের তারিখ যাতে একই হয় এবং ভোটার তালিকা করার সময় যাতে জন্মের তারিখ একই থাকে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।