সড়ক বিভাগের অবহেলায় দুর্ঘটনার শিকার যাত্রীবাহী পরিবহন, আহত-১৬

প্রকাশিত: ৮:২০ অপরাহ্ণ, জুলাই ২১, ২০২০ | আপডেট: ৮:২০:অপরাহ্ণ, জুলাই ২১, ২০২০

ঝালকাঠির রাজাপুরে সড়ক বিভাগের অবহেলায় দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে সৈকত এন্টারপ্রাইজ (ঢাকা মেট্রো-ব ১৪-৮৬৩৬) নামে একটি যাত্রীবাহী পরিবহন। এতে পরিবহনে থাকা ১৬জন গুরুতর আহত হন এবং বাকি সকলেই কম/বেশি আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (সোমবার দিবাগত) রাত দেড়টায় ভান্ডারিয়া-ঝালকাঠি আঞ্চলিক মহাসড়কে উপজেলার সমবায় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক আহত সকলকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে গুরুতর আহত ৫জনকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
গুরুতর আহতরা হলো পাথরঘাটার আব্দুল মজিদের পুত্র মামুন (৩০), শাহ-আলম এর পুত্র মহিবুল্লাহ (২৮), মঠবাড়ি আতাহার মিস্ত্রীর পুত্র শাহ-আলম (৬৫), পিতা অজ্ঞাত অলিউল্লাহ (৫০), ভান্ডারিয়ার আবুল কালাম এর পুত্র আবুল হোসেন (৩২)।
স্থানীয়রা জানায়, চট্ট্রগ্রাম থেকে পাথরঘাটর উদ্যেশে ছেড়ে আসা সৈকত এন্টারপ্রাইজ নামের পরিবহনটি উপজেলার সমবায় নামক স্থানে আসা মাত্রই সড়কের ওপর দীর্ঘদিন যাবত ঝুঁকে থাকা শিশু গাছের সাথে লেগে পরিবহনটির উপরের অংশ উপড়ে যায়। এ সময় পরিবহনে থাকা ১৩ জন যাত্রী সহ চালক, চালকের সহকারি ও সুপারভাইজার আহত হয়।
স্থানীয়রা আরো জানায়, বারবার বিভিন্ন ভাবে সড়ক ও জনপদ কে সড়কে ঝুঁকে থাকা গাছ কর্তনের ব্যাপারে দৃষ্টিপাত করার চেষ্টা করলেও এদিকে তাদের দৃষ্টি পরেনি। তাদের অবহেলার কারনেই বার বার এরকম দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে জনসাধারনকে। ভান্ডারিয়া-ঝালকাঠি আঞ্চলিক মহাসড়কের দুই পাশে এ রকমের অনেক গাছ ঝুঁকে রয়েছে। যে কোন সময় ঘটতে পারে এর চেয়েও বড় কোন দুর্ঘটনা। তাই ভবিষ্যতে এরকম আর কোন দুর্ঘটনা যেন না ঘটে এ জন্য এখনি সড়ক বিভাগের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবী স্থানীয়দের।
ঝালকাঠি সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শামীমা ইয়াসমিন বলেন, সড়কের পাশের কিছু গাছ সড়ক বিভাগের আর কিছু গাছ বনবিভাগের। আমাদের অতি ঝুঁকিপূর্ণ গাছ গুলো কেটে ফেলা হয়েছে। সাধারন ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো থেকে দুর্ঘটনা এড়াতে মার্কিং করা হয়েছে। বাকি বনবিভাগের ঝুকিপূর্ণ গাছগুলো অপসারনের জন্য একাধিকবার চিঠি দেয়া হয়েছে। তাতে কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব দেয় নি।