বাবুগঞ্জে ২৭ মন ১০ কেজির কালা বাবুর দাম হাঁকা হয়েছে ১২ লাখ!

আরিফ হোসেন আরিফ হোসেন

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৪:২৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ২০, ২০২০ | আপডেট: ৪:২৭:অপরাহ্ণ, জুলাই ২০, ২০২০

বাবুগঞ্জ(বরিশাল)প্রতিনিধি॥ ঈদুল আজহা সামনে রেখে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের মো. আমিনুল ইসলাম সিজান সিকদারের পরিচর্যায় বড় হওয়া ষাঁড়ের নাম রেখেছেন ‘কালা বাবু’ কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা কালা বাবুর ওজন ২৭ মন ১০ কেজি। সাড়ে ৮ ফুট লম্বা ও ৭ ফুট ৮ ইঞ্চি উচ্চতার। কালা বাবুর দাম হাঁকা হয়েছে ১২ লাখ টাকা। সাড়ে তিন বছর আগে মো. আমিনুল ইসলাম সিজান সিকদারের মেঝো ভাই মোঃ সুমন সিকদার’র খামারে জন্ম হয় কালো ও সাদা রঙের ফ্রিজিয়ান প্রজাতির ষাঁরটি। জন্মের সাড়ে ৭ মাস বয়সে ভাইয়ের কাছ থেকে ক্রয় করে কোন প্রকার ক্ষতিকর ও মোটাতাজা করন ঔষধ ছাড়াই দেশীয় খাবার খাইয়ে লালন-পালন করা হয়েছে। শান্ত প্রকৃতির ও গায়ের রং কালো হওয়ায় মো. আমিনুল ইসলাম সিজান সিকদার শখ করে ষাঁরটির নাম রেখেছেন ‘কালা বাবু’। তিনি তার ব্যাবসার অবসর সময় শখ করে ষাঁরটি লালন-পালন করেছেন।

মো. আমিনুল ইসলাম সিজান সিকদার যায়যায়দিনকে বলেন, আমি শখ করে ফ্রিজিয়ান প্রজাতির ষাঁরটি রালন-পালন করে তার নাম রেখেছি কালা বাবু। উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসের পরামর্শক্রমে ক্ষতিকর ঔষধ ছাড়াই দেশীয় খাবার খাইয়ে ষাঁড়টিকে বড় করছি। এখন পর্যন্ত বাজারে ওঠানোর চিন্তা নেই ষাঁরটি কিনতে বাড়িতেই বিভিন্ন লোকজন আসছে। কালা বাবুর দাম ৬-৭ লাখ টাকা বলেছেন। কিন্তু আমার চাহিদা ১২ লাখ টাকা। আমার জানা মতে, কালা বাবু এ উপজেলার সবচেয়ে বড় ষাঁড়। বর্তমান মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে বাজারে না নিয়ে বাড়ি থেকেই বিক্রির চেষ্টা করছি।
বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শাহ আলম যায়যায়দিনকে বলেন, ষাঁরটি লালন-পালনের জন্য সিজান সিকদার নিয়মিত পরামর্শ নেন। ক্ষতিকর ঔষধ ছাড়াই দেশীয় খাবার সবুজ ঘাঁস, শুকনো খর ও গমের ভূষি খাইয়ে ষাঁড়টিকে এ পর্যন্ত তৈরি করেছেন। ষাঁরটি এ উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বড়। এই মহামারি করোনাকালীন সময় ষাঁরটির ন্যায্যমূল্য পেলে তবেই তার পরিশ্রমের সার্থকতা আসবে। ##