বাংলাদেশে ‘জ’ঙ্গি কার্যক্রম’ চালান ভা’রতীয় এই তরুণী

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৪:৪৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৮, ২০২০ | আপডেট: ৪:৪৪:অপরাহ্ণ, জুলাই ১৮, ২০২০

রাজধানী ঢাকা থেকে ধ’র্মান্তরিত ভা’রতীয় এক মু’সলিম নারীকে গ্রে’ফতার করেছে পু’লিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রা’ইম (সিটিটিসি)।সদরঘাট এলাকা থেকে গ্রে’ফতারকৃত ওই নারী ভা’রতীয় নারী জ’ঙ্গি ও নিষিদ্ধঘোষিত জ’ঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবির অন্যতম সদস্য বলে জানানো হয়েছে।পু’লিশ বলছে, গ্রে’ফতারকৃত আয়েশা জান্নাত মোহনা ওরফে জান্নাতুত তাসনিম (২৫) ধ’র্মান্তরিত মু’সলিম। আগে তার নাম ছিল প্রজ্ঞা দেবনাথ।পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জে’লায় তার বাড়ি। ওমানপ্রবাসী এক বাংলাদেশির সঙ্গে বিয়ের পর আয়েশা এ দেশে এসে জ’ঙ্গিবাদী কর্মকা’ণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

সূত্রে জানা গেছে, ওমান প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক আমির হোসেন সাদ্দামকে মুঠোফোনে বিয়ের পর বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য আয়েশা গত বছরের অক্টোবরে চলে আসেন।ঢাকার কেরানীগঞ্জ ও নারায়নগঞ্জের ফতুল্লার বেশ কয়েকটি মাদ্রাসায় পরিচয় গো’পন করে শিক্ষকতা করছিলেন আয়েশা। নব্য জেএমবির নারী শাখার প্রধান আসমানী গ্রে’ফতার হওয়ার পর আত্মগো’পনে চলে যান আয়েশা। তবে সাংগঠনিক কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

তিনি বলেন, এর আগে থেকে সে নব্য জেএমবির নারী শাখার সঙ্গে অনলাইনে যোগাযোগ রাখতো। সেখান থেকে সে উদ্বুদ্ধ হয়ে মু’সলমান হয় এবং এক পর্যায়ে নব্য জেএমবির নারী শাখার প্রধান আসমানী খাতুনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা হয়।গত ৪ ফেব্রুয়ারি উত্তর কমলাপুর এলাকা থেকে আসমানী খাতুন ওরফে আসমা ওরফে আমাতুল্লাহ সিটিটিসির হাতে গ্রে’ফতার হয়েছিলেন। ২৮ বছরের এই নারীর বি’রুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মা’মলা হয়।

ওই মা’মলায় রি’মান্ড শেষে তিনি এখন কারাগারে রয়েছেন। ওই মা’মলাতেই ভা’রতীয় এই তরুণীকেও গ্রে’ফতার দেখানো হয়েছে।সাইফুল বলেন, এই তরুণী একাধিকবার বৈধভাবে বাংলাদেশে এসেছেন। তার এই আসা-যাওয়ার কারণ কি ছিল তা জানার চেষ্টা হচ্ছে। সর্বশেষ গত অক্টোবরে স্বামী সাদ্দামের পরাম’র্শে তাসনিম বাংলাদেশে এসে আসমানীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেন।

তিনি বলেন, গ্রে’ফতারের সময় তার কাছ থেকে একটি ভা’রতীয় পাসপোর্ট, বাংলাদেশের জাতীয় পরিচপত্র ও মোবাইল ফোন উ’দ্ধার করা হয়েছে।সিটিটিসির কর্মক’র্তারা বলছেন, ২০০৯ সালে নবম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় তাসনিম অনলাইনের মাধ্যমে ইস’লাম ধ’র্মের প্রতি আকৃষ্ট হয়।

এরপর ধ’র্মান্তরিত হয়ে অনলাইনে ইস’লাম নিয়ে পড়াশোনা শুরু করে। সেখান থেকে নব্য জেএমবির সদস্যরা তাকে দলে ভেড়ান।সিটিটিসি কর্মক’র্তা সাইফুল বলেন, এরপর থেকে আসমানীর পরাম’র্শে সে সংগঠনের জন্য অর্থ সংগ্রহ ও সদস্য সংগ্রহের কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। তার আরও বেশ কিছু সহযোগী আছে।

তাদের গ্রে’ফতারের চেষ্টা চলছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আয়েশা জানান, তিনি ২০১৬ সাল থেকে ভা’রত থেকে নিয়মিত বিরতিতে বাংলাদেশে আসা যাওয়া করেন।বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত সংগঠনের সদস্যদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের দায়িত্বও পালন করেছেন।সিটিটিসি কর্মক’র্তা ইম’রান হোসেন বলেছেন, আয়েশার কাছ থেকে তারা বেশকিছু কাগজপত্র পেয়েছেন। ওই কাগজপত্রগুলো যাচাই বাছাইয়ের জন্য ভা’রতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে তাদের।