রাজাপুরে ভুমিহীন কৃষকের ২০টি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ,

প্রকাশিত: ৩:৫০ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৬, ২০২০ | আপডেট: ৩:৫০:অপরাহ্ণ, জুলাই ১৬, ২০২০

ঝালকাঠির রাজাপুরের সাকরাইল গ্রামের চেয়ারম্যান বাড়ির ব্রীজ সংলগ্ন এলাকার খালের পাড়ে সরকারিভাবে বন্ধবস্ত পাওয়া ভুমিহীন কৃষক মৌজে আলী ও তার ছেলে কৃষক হালিম হাওলাদারের ওই জমিতে লাগানো বিভিন্ন প্রজাতির ২০টি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়ায় প্রতিপক্ষদের অব্যাহত হুমকিতে পরিবার নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এ কৃষক পরিবার।
১৬ জুলাই দুপুরে কৃষক মোঃ হালিম হাওলাদার অভিযোগ করে জানান, ৯ জুলাই বিকেলে ওই এলাকার মৃত মনা হাওলাদারের ছেলে প্রতিপক্ষ শহিদুল্লাহ হাওলাদারসহ কয়েকজন মিলে সরকারিভাবে বন্ধবস্ত পাওয়া জমিতে রোপনকৃত বড় সাইজের ১০ টি মেহগনি, ৩টি রেইনট্রি, ৫টি চাম্পুলসহ বিভিন্ন প্রজাতির ২০টিরও বেশি গাছ কাটা শুরু করে। এ সময় বাধা দিতে গেলে দাড়ালো দাও নিয়ে তাকে ও বৃদ্ধ বাবাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধাওয়া করে এবং গালমন্দ, বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি, খুন জখমের হুমকি দেয়। জীবনের ভয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে প্রতিকক্ষরা বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সব বড় সাইজের ২০টিরও বেশি গাছ কেটে স্বমিলে নিয়ে যায়।
১৯৯২-৯৩ সালে ভূমিহীন হিসেবে সরকারিভাবে জমি বন্দোবস্ত পাওয়ার পর গাছগুলো রোপন করা হয়েছিলো। এ ঘটনার দিন রাতে পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ অভিযোগ দিতে বললে হালিম ১০ তারিখ রাজাপুর থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরির্দশন করে গাছের গোড়ার ছবি তুলে আনে। কিন্তু ঘটনার পর ৭ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। বর্তমানে প্রতিপক্ষের অব্যাহত হুমকিতে গর্ভবতী স্ত্রী, ২ শিশু সন্তান ও বৃদ্ধ বাবাসহ সকলে পরিবারের লোকজন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও অভিযোগ করেন হালিম।
অভিযুক্ত শহিদুল্লাহ হাওলাদার জানান, তিনি কোন গাছ কাটেন নি। এক ব্যক্তির কাছ থেকে তিনি জমি ক্রয় করায় সেই ব্যক্তির সাথে বিরোধ থাকায় তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।
অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাওয়া রাজাপুর থানার এসআই বদিউজ্জামান জানান, স্থানীয় বিরোধকে কেন্দ্র করে গাছ কাটার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন আছে, স্থানীয়দের থানায় ডেকে প্রকৃত ঘটনা জেনে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।