বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ৩১ মার্চের মধ্যে উৎক্ষেপণ

প্রেস ব্রিফিংয়ে তারানা

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৭:১৯ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ৮, ২০১৮ | আপডেট: ৭:১৯:পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ৮, ২০১৮
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ৩১ মার্চের মধ্যে উৎক্ষেপণ

ডেস্ক রিপোর্ট : আগামী ২৭ থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে দেশের মর্যাদার প্রতীক ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে সদ্য তথ্য মন্ত্রণালয়ে বদলি হওয়া প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম; যিনি দেশের প্রথম এ স্যাটেলাইটটির নির্মাণ প্রক্রিয়ার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। গতকাল রবিবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, ভারপ্রাপ্ত সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ ও প্রধান তথ্য কর্মকর্তা কামরুন্নাহার উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রণালয় বদল হওয়ার পর গতকালই তিনি প্রথম সচিবালয়ে যান।

তার সময়ে ডাক ও টেলিযোগযোগ বিভাগের সাফল্যের চিত্র তুলে ধরে তারানা হালিম বলেন, সাধারণ মানুষের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। এসবের মধ্যে কলড্রপে ক্ষতিপূরণ, মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি), ইন্টারনেট সেবার মান বাড়ানো, অবৈধ ভিওআইপির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানসহ বিভিন্ন বিষয় উল্লেখযোগ্য। তিনি বলেন, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম রেজিস্ট্রেশনের মতো বিষয় চালু করার চ্যালেঞ্জও সফলভাবে অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছিলাম আমরা।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণের তারিখটি আমি সারপ্রাইজ হিসেবে রেখেছিলাম। দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতার জায়গা থেকে বলছি যে, ফ্লোরিডার যে উৎক্ষেপণ স্টেশন থেকে এটি মহাকাশে পাঠানো হবে, তাদের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ২৭ থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে তারিখ নির্ধারণ করা আছে। কোনো ধরনের দুর্বিপাক-দুর্যোগ দেখা না দিলে এই তারিখের মধ্যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে উৎক্ষিপ্ত হবে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের দায়িত্ব পালনকালে যেসব কাজ করেছেন তার ফসল আগামী এপ্রিলে মাসে পাওয়া যাবে বলে মন্তব্য করেন তারানা হালিম। তিনি বলেন, তখন বুঝবেন আমি সেখানে কী কী কাজ করেছি। টেলিটকের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের জন্য ৬০০ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করেছিলাম, যা একনেকে অনুমোদনও হয়েছিল। কিন্তু নানা কারণে অর্থমন্ত্রী বরাদ্দ দিচ্ছিলেন না। এটা নিয়ে অনেকদিন দেনদরবারও করেছি। সব শেষে এই রদবদলের সাত-আটদিন আগে অর্থ মন্ত্রণালয় এ টাকা বরাদ্দ করেছে।

তিনি বলেন, টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেসিস) গত ২৭ বছর ধরে লোকসানে ছিল। আমি দায়িত্ব নেয়ার পর সেটাকে লাভজনক করেছি। তবে ওই মন্ত্রণালয়ের সব সাফল্য আমার নয়। আমি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মতো একজন কর্মী হিসেবে কাজ করেছি। তাই এই সাফল্য সবার। এটি আওয়ামী লীগের ও সরকারের সাফল্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, একটি চ্যালেঞ্জিং মন্ত্রণালয় থেকে অন্য একটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আমি সেখানেই কাজ করব। চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করা শিখেছি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে। অসততা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করেছি, আগামীতেও করব। প্রধানমন্ত্রী আমাকে শিখিয়েছেন কথা কম বলে কাজ বেশি করতে।

সূত্র : ভোরের কাগজ