ভা’রতের ঢুকে পড়েছে চীনা সে’নারা, বানাচ্ছে স্থায়ী স্থাপনা

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৬, ২০২০ | আপডেট: ১০:৪৫:পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৬, ২০২০

সীমান্তে তীত্র উত্তে’জনার মধ্যেই ভা’রতের অভ্যন্তরে ডুকে পড়েছে শত শত চীনের সে’না সদস্য। তারা পাহাড় কে’টে রাস্তা, নদীর ওপরে কালভা’র্ট, অন্তত ১৬টি সে’না ছাউনির ছবি আগেই ধ’রা পড়েছিল উপগ্রহ চিত্রে। ভা’রত-চীন সে’না কমান্ডার পর্যারে তৃতীয় বৈঠকের পরেও গলওয়ান উপত্যকা থেকে তাদের পরিকাঠামো সরিয়ে নেওয়ার কোনও লক্ষণই দেখাচ্ছে না চীন। বরং ভা’রতীয় সে’না সূত্রের খবর, চীন নির্মাণকাজ বাড়িয়েই চলেছে। এখন গলওয়ান নদীর তীরে অন্তত ১৯টি শি’বির তৈরি করেছে তারা। পিচের রাস্তাও তৈরি করা হয়েছে।

গালওয়ান উপত্যকার পেট্রোলিং পয়েন্ট ১৪-এর কাছে চীনা সে’নার তাবু তৈরি নিয়েই সং’ঘর্ষ হয়েছিল ভা’রতের সে’নাদের সঙ্গে। তাররেও ওই এলাকাসহ গলওয়ানে তাঁবু, রাস্তা তৈরির কাজ থামায়নি চীনা সে’নারা।

সে’না সূত্রের দাবি, গলওয়ান নদীর বাঁকে যে এলাকায় চীনা শি’বিরগুলো তৈরি হয়েছে, তার কৌশলগত তাৎপর্য অনেক। কারণ তা থেকে গলওয়ান নদীর তীরে ভা’রতীয় সে’না শি’বিরের ওপরে সরাসরি নজর রাখা যায়। ওই এলাকায়, বস্তুত পেট্রোলিং পয়েন্ট ১৪-এর কাছেই গলওয়ান নদী শাইয়োক নদীতে মিশেছে। ভা’রতীয় সে’না সূত্রের মতে, ওই এলাকায় বরাবরই টহল দিত তারা। কিন্তু চীনা শি’বিরের জন্য আর সেটা সম্ভব নয়। কারণ, এক সে’না ক’র্তার কথায়, ‘‘চীনা সে’নারা ভা’রতীয় ভূখণ্ডের মধ্যে ১৪৯ মিটার ঢুকে এসেছে।’’

সে’না সূত্রের মতে, ওই এলাকায় এখন তৈরি তাঁবু নিয়ে এসে বসাচ্ছে চীনা সে’নারা। গোলাপি ত্রিপলের বদলে দেখা যাচ্ছে কালো ত্রিপল। ভা’রতীয় সে’নাদের চলাচলে বাধা দেওয়ার জন্য তৈরি পাথরের বাধা সরিয়ে এলাকা পরিষ্কার করা হয়েছে। বিশেষ ধরনের পোশাকও ব্যবহার করছে চীনারা। ওই পোশাকের নীচের অংশ বর্ষাতির কাপড়ে তৈরি। তাতে নদীতে নেমে কাজ করতে সুবিধা হচ্ছে। এক সে’না ক’র্তার কথায়, ‘‘চীনারা ওই এলাকায় স্থায়ীভাবে থাকার প্রস্তুতি চালাচ্ছে, স’ন্দেহ নেই। পিছু হটার কোনও লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না।’’

সে’না সূত্রের খবর, শ্রীনগর, জম্মুর সুঞ্জওয়ান ও দক্ষিণ কা’শ্মীরের পুলওয়ামা থেকে ক্রমাগত সে’না ও রসদ লাদাখে নিয়ে যাচ্ছে ভা’রতীয় বিমান বাহিনী। মোদি সরকারও সীমান্তে পরিকাঠামো তৈরি থেকে পিছু হটবে না বলে ফের ইঙ্গিত দিয়েছেন দেশটির কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গডকড়ী। তিনি বলেন, ‘‘জম্মু-কা’শ্মীর, অরুণাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, রাজস্থান ও হিমাচল প্রদেশের সীমান্ত এলাকায় একাধিক সড়ক তৈরির কাজ চলছে। প্রয়োজনে রানওয়ের কাজও করতে পারে এমন ১৭টি সড়ক তৈরির কাজ চলছে। তার মধ্যে তিনটির কাজ শেষ হয়েছে।’’ সূত্র: আনন্দবাজার