বরিশালের ৩০টি আঞ্চলিক গানসহ ২০০ গান প্রকাশ করলেন বাংলাদেশ বেতারের শিল্পী জহিরুল ইসলাম রাজু

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৮:০৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ৫, ২০২০ | আপডেট: ৮:০৩:অপরাহ্ণ, জুলাই ৫, ২০২০

বরিশালের ২৫টি আঞ্চলিকগানসহ ২০০ গান প্রকাশ করলেন বাংলাদেশ বেতারের শিল্পী জহিরুল ইসলাম রাজু ।

তিঁনি বাংলাদেশ বেতারের পল্লীগীতির একজন নিয়মিত কন্ঠ শিল্পী । ২০০২ সালে তিনি বাংলাদেশ বেতারে কন্ঠ শিল্পী হিসাবে তালিকাভূক্তি হন ।

২০০৩ সালে তার লেখা প্রথম উপন্যাস ‘‘স্মৃতি ‍ সুখের বা দুঃখের হোক সব সময় করুণ’’ প্রকাশের মাধ্যমে লেখা-লেখির জগতে পা রাখেন এই কন্ঠ শিল্পী, গীতিকার-সূরকার, লেখক ও গবেষক ।

জানাগেছে তিঁনি গীতিকার হিসাবে ২০০টির অধিক গান লিখেছেন, যার মধ্যে কিছু গান খুবই জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ২০০৬ সাথে ‘‘এক ছিলো টোনা আর এক ছিলো টুনি’’ ছড়াটিতে শিখন স্কুলের জন্য গানের সূর দিয়েছেন এই শিল্পী ।

এছাড়াও বরিশাল বিএম কলেজে পড়া অবস্থায় তিনি ও শহীদুল ইসলাম শাহীন বেশ কিছু বরিশালের আঞ্চলিক ও প্যারোডী গানের সূর করেছেন । রোভার স্কাউটে থাকাকালীন তিঁনি বেশ কিছু প্যারোডী গান রচনা করেছেন । ২০০৪ সাথে তিনি বরিশাল বিএম কলেজের ছাত্র হিসাবে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ প্রতিযোগিতায় বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ ২য় জারি শিল্পী নির্বাচিত হন । তিনি উত্তরণ সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথেও সম্পৃক্ত ছিলেন ।

২০০৬ সালের ব্যাংকার্স ক্লাব আয়োজিত দেশত্বাবোধক গানে প্রথম অধিকার স্থান করার কৃতিত্ব লাভ করেন । এছাও সাংস্কৃতিক বিভিন্ন পুরুস্কার ও উপাধিতে ভূষিত হন এই শিল্পী ।

২০১১ সালে তিনি বরিশাল বিভাগের তথ্য কণিকা নামে একটি বই সংকলন করেন যার মধ্যে বরিশাল বিভাগের সকল তথ্য ও মোবাইল/ফোন নম্বর সংযুক্ত করা হয়েছে ।

সংগীতের হাতেখড়ি হয় বরিশালের সনামধন্য ওস্তাদ নুরুল আমিন চৌধুরীর হাতে, শহীদ আলতাফ হোসেন সংগীত বিদ্যালয় । এর পরে তিনি বাংলাদেশ লোক সংগীত পরিষদের বরিশাল বিভাগীয় কমিটির প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন ।

জহিরুল ইসলাম রাজু’র জন্মস্থান ঝালকাঠী জেলার নলসিটি উপজেলাধীন মোল্লারহাট ইউনিয়নে, বসবাস করছেন বরিশাল সিটিতে। তিনি জানান “ গানগুলো বিগত ৭ বছর ধরে লিখেছি এবং গত বছর কপিরাইট আইনে নিবন্ধন করা হয়েছে । বরিশালের আঞ্চলিক গান ছাড়াও রয়েছে আধুনিক, জারিগান, পল্লীগীতি, ভক্তিমূলক ও ছড়া গান । ইতিমধ্যে গানগুলো বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনে প্রেরণ করা হয়েছে ।

করোনা পরিস্থিতির জন্য সবগুলো গানের সূর রেকডিং করা হয়নি, তবে ঘুব শ্রীর্ঘই গানগুলোর রেকডিং করে ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হবে । এছাড়াও যে কেউ গানগুলো ব্যবহার করতে পারবে সে জন্য প্রচার করা হবে।