শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি নিয়ে যা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৭:৪৪ অপরাহ্ণ, জুন ২৭, ২০২০ | আপডেট: ৭:৪৪:অপরাহ্ণ, জুন ২৭, ২০২০

প্রা’ণঘাতী করো’নার প্রাদুর্ভাবের কারণে টানা তিন মাস ধরে বন্ধ রয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কবে খুলবে, এর কোনো ঠিক নেই। খোদ সরকার প্রধান শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, সংক্রমণ পরিস্থিতি উন্নতি না হলে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এমন পরিস্থিতিতে বেশ কিছু বিকল্প উপায় ভাবছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে অন্যতম হল- সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি কমানো। শনিবার (২৭ জুন) এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ই’রাবের) ‘করো’নায় শিক্ষার চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরণে করণীয়’ শীর্ষক এক ভা’র্চুয়াল সেমিনারে বিকল্প উপায়গুলো তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন।

  1. দিনাজপুরে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ
  2. বাউফল চাচাতো ভাইকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা
  3. ‘বাবা-মা করো’না এনেছে’ অজুহাতে ইঞ্জিনিয়ার স্বামীকে নি’র্মম নি’র্যাতন স্ত্রী’র (ভিডিও)
  4. সাহান আরা আবদুল্লাহ’র মৃত্যুতে মুলাদী উপজেলা সমিত ঢাকা’র শোক
  5. চিত্র নায়িকা মুনমুনের স্মৃতিতে আজো অম্লান পরিচালক আজিজ আহম্মেদ বাবুল

 

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ‘অনির্ধারিত বন্ধে দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে এ বছর আর ক্লাস হওয়ার খুব একটা সময় থাকছে না। আম’রা হিসেব করে দেখেছি বছরে ১৩০ থেকে ১৪০ দিন ক্লাস হয় আর সাধারণ ছুটি থাকে ১০০ দিনের মতো। করো’নাকালে পড়াশোনা যাতে স্বাভাবিক হয় এ কারণে আম’রা এই সময়টা কমিয়ে আনার চেষ্টা করছি। এ বছর আম’রা প্রয়োজনে আমাদের শেষনের সময় বাড়িয়ে হলেও শেষ করার চেষ্টা করবো। এবং আগামী বছর আম’রা বিভিন্ন সময়ের ছুটি কমিয়ে সমন্বয় করার চেষ্টা করবো।’

মন্ত্রী বলেন, আম’রা সবাই একই ধরনের চেষ্টা করছি এই করো’নাকালীন সময়। আম’রা দেখছি সরকার এবং বিশেষজ্ঞদের ভাবনা এক। করো’না পরিস্থিতিতে ঝরে পড়ার হার, দারিদ্রের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে, মানুষের চাকরি হা’রানো বা কর্মসংস্থানের হার অনেক বেড়ে যাচ্ছে। বাল্য বিবাহ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাচ্ছে। শি’শুশ্রম বাড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাচ্ছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আম’রা কারিগরিতে শেখাতে চাই। আম’রা যেটুকু শেখানো দরকার আ শেখানো উচিত তা না করে আম’রা কাউকে সার্টিফিকেট দিবো না। প্রাকটিক্যালে নিন্মতম শিক্ষা আম’রা না দিতে পারলে কাউকে সার্টিফিকেট দিবো না। তবে, এখন আর এটি ভাবার সুযোগ নেই যে, একেবারে প্রাকটিক্যাল ক্লাসরুম ছাড়া বা ওয়ার্কশপ ছাড়া আপনি শিখতে পারেন না। এখন কিন্তু ভা’র্চুয়াল ল্যাবরেটরিরও কনসেপ্ট আছে এবং সেটি প্রচলিতও আছে। আম’রা হয়তো এখনো সেই প্রযু’ক্তিতে যাইনি তবে, আম’রা সামনে এ ধরনের প্রযু’ক্তি যাতে ব্যবহার করতে পারি তা নিয়ে কাজ চলছে। পরীক্ষা কেন্দ্রীক পড়াশোনা বা পরীক্ষা নিয়ে যে উৎকণ্ঠা তা এখন কিছুটা হলেও কমবে। এছাড়া যারা দৃষ্টি প্রতিব’ন্ধী বা বাকপ্রতিদ্ব’ন্ডী তাদের জন্য এ সময়টা বেশ কাজে দিবে। তাদের জন্য আমাদের সংসদ টিভির ক্লাসগুলো ভালো হবে। আম’রা এটিকে আরো সহ’জ করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।