আমতলীতে কাল বৈশাখী ঝড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অর্ধ-শতাধিক ঘর বিধ্বস্থ

প্রকাশিত: ১:৩২ পূর্বাহ্ণ, মে ২৯, ২০২০ | আপডেট: ১:৩২:পূর্বাহ্ণ, মে ২৯, ২০২০

কাল বৈশাখী ঝড়ে বরগুনার আমতলী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অর্ধ-শতাধিক ঘর সম্পূর্ণ ও আশিংক বিধ্বস্থ হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে বুধবার রাতে। এতে অন্তত অর্ধ-কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ধারনা করছে সংশ্লিষ্টরা।
জানাগেছে, বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে হঠাৎ প্রবল বেগে কাল বৈশাখী ঝড় আমতলীতে আঘাত হানে। এ ঝড়ের স্থায়ীত্ব ছিল মাত্র আধা ঘন্টা। আধা ঘন্টার কাল বৈশাখী ঝড়ে চাওড়া ইউনিয়নের কাউনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, পুর্ব কুকুয়া গ্রামের আবদুল হক ফকু হাওলাদারের গরুর খামার ঘর,বিধবা দেলোয়ারা বেগমের বসত ঘর, সেকান্দার বেপারীর মুদি মনোহরদি দোকান, শানু মৃধার বসত ঘর এবং পশ্চিম সোনাখালী গ্রামের মিজানুর রহমানঘরসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অন্তত অর্ধ-শতাধিক টিন শেডের ঘর বিধ্বস্থ হয়েছে। এতে অন্তত অর্ধ-কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে ঘুরে দেখাগেছে, চাওড়া কাউনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টিন শেডের ঘর বিধ্বস্থ ও পাশে পাকা ভবনের কানিংশ ভেঙ্গে গেছে। পুর্ব কুকুয়া গ্রামের পাঁচটি ঘর সম্পূর্ন বিধ্বস্থ হয়ে গেছে।
কাউনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ ফেরদৌস আলম রাসেল বলেন, ঘুর্ণিঝড় সিডরে স্কুল ভবটি ভেঙ্গে পরেছিল। ওই সময় তিন লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। গতকাল আবার কাল বৈশাখী ঝড়ে সম্পুর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে পরেছে। বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ না করলে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে সমস্যা হবে।
বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোঃ রাশেদুল হাসান বশির মৃধা বলেন, ভেঙ্গে যাওয়া বিদ্যালয় ভবনটি দ্রুত নির্মাণের দাবী জানাই।
পুর্ব কুকুয়া গ্রামের আবদুল হক ফকু হাওলাদার বলেন, ঝড়ে আমার গরুর খামার ঘর বিধ্বস্থ হয়েছে। এতে অন্তত দুই লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
আমতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, কাউনিয়া বিদ্যালয় ভবন বিধ্বস্থ হওয়ার খবর পেয়েছি। ভবন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরো বলেন, আপাতত ভবন মেরামত করা হবে।
ঘুর্ণিঘড় প্রস্তুতি কর্মসুচী সহকারী পরিচালক কেএম মাহতাবুল বারী বলেন, কাল বৈশাখী ঝড়ের স্থায়ীত্ব ছিল আধা ঘন্টা।
আমতলী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মফিজুল ইসলাম বলেন, কাল বৈশাখী ঝড়ে ২৬ টি ঘর ভেঙ্গে পরেছে। তিনি আরো বলেন,ক্ষয়ক্ষতির তালিকা নিরুপনের চেষ্টা চলছে।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীন বলেন, কাল বৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের ঢেউটিন দেয়া হবে।