ঈদের কেনাকা’টায় ২৩ করো’না রোগী, এলাকায় আতঙ্ক!

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ, মে ১৮, ২০২০ | আপডেট: ১১:৫১:পূর্বাহ্ণ, মে ১৮, ২০২০

চীনের উহান শহর থেকে সারা’বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া কারোন ভাই’রাস বাংলাদেশেও সংক্রমণ শুরু করেছে। ইতোমধ্যে দেশের ৬৪ জে’লায় ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাই’রাস। দেশে করো’নায় আ’ক্রান্ত হয়ে মোট মা’রা গেছে ৩২৮ জন। এছাড়া দেশে মোট করো’নাক্রান্তের সংখ্যা ২২ হাজার ২২৮ জন।। এদিকে দেশের এমন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন জে’লায় ঈদের কেনাকা’টায় ভিড় বাড়ছেই। স্বাস্থ্যবিধি না মানায় বাধ্য হয়ে স্থানীয় প্রশাসন অনেক জায়গায় মা’র্কেট বন্ধের নির্দেশনা দিলেও সেটিও মানছেন না অনেকে। সাতক্ষীরায় ঈদের কেনাকা’টা করতে মা’র্কে’টে গেলেন ২৪ জন করো’না রোগী।

১ লা মে নারায়ণগঞ্জ থেকে একটি ট্রাকে সাতক্ষীরার দেবহাটায় ফেরেন ২৪ জন ইটভাটা শ্রমিক। তাদের দেবহাটা খানবাহাদুর আহসানউল্লাহ কলেজের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। সেখানে ৫ মে এক যুবকের শরীরে করো’না শনাক্ত হয়। এরপর বাকিদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। বাকি ২৩ শ্রমিকের উপসর্গ না থাকায় ১৪ মে কোয়ারেন্টাইন থেকে ছেড়ে দেয়া হয়। কিন্তু দুইদিন পর ২৩ শ্রমিকের সবার করো’না পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। জানা গেছে, আ’ক্রান্ত ২৩ শ্রমিকের মধ্যে এক পরিবারের দুই শি’শু ও তার মা-বাবার করো’না পজিটিভ এসেছে। তারা দেবহাটার খান বাহাদুর আহসান উল্লাহ কলেজে কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন। তাদের বাড়ি সাতক্ষীরা সদরের ধূলিহর এলাকায়।

 

কোয়ারেন্টাইনমুক্ত হয়ে তারা দেবহাটা থকে সাতক্ষীরার বাড়িতে ফেরেন। আ’ক্রান্তদের মধ্যে দেবহাটা সদর ইউনিয়নের একজন গ্রাম পু’লিশও রয়েছেন। বাকি আ’ক্রান্তদের বাড়ি দেবহাটা উপজে’লার বিভিন্ন গ্রামে। দেবহাটা উপজে’লার বাসিন্দা মাহমুদুল হাসান শাওন বলেন, কোয়ারেন্টাইন থেকে ১৪ মে মুক্তির পর এসব শ্রমিক পরিবারের জন্য ঈদের কেনাকা’টা করাসহ বাজারে ঘুরেছেন। কেউ ভ্যান চালিয়েছেন। আ’ক্রান্তরা এলাকায় চষে বেড়িয়েছেন। মা’রাত্মক ঝুঁ’কির মধ্যে পড়ছে দেবহাটা উপজে’লা। হঠাৎ এ খবর পাওয়ার পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। এদিকে, রোববার বিকেল পর্যন্ত সাতক্ষীরায় করো’না শনাক্ত ছিল তিনজন। যশোরের শনাক্ত হওয়া এক স্বাস্থ্যকর্মী ছিলেন সাতক্ষীরায়। এছাড়া ঢাকা থেকে পালিয়ে এসেছেন একজন আ’ক্রান্ত নারী। সব মিলিয়ে এখন সাতক্ষীরায় করো’না আ’ক্রান্তের সংখ্যা ২৯ জন। সুস্থ হওয়া ব্যক্তি যশোরের ওই স্বাস্থ্যকর্মী।