করোনার মধ্যেই কীর্তনখোলায় ভাঙ্গন, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত

প্রকাশিত: ৬:০৩ অপরাহ্ণ, মে ১৬, ২০২০ | আপডেট: ৬:০৫:অপরাহ্ণ, মে ১৬, ২০২০

করোনা মহামারীর মধ্যেই বরিশালে কীর্তনখোলা নদীতে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। গত এক সপ্তাহ ধরে প্রায় প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে চরকাউয়া সাতানী গ্রামের নদী সংলগ্ন এলাকা। হুমকীর মুখে মানুষের ঘরবাড়ি ও বাজার।

ইতিমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীরা এলাকাটি পরিদর্শন করেছে এবং জরুরী ভিত্তিতে কাজ শুরু করা হবে বলে এলাকাবাসীকে আশ্বস্ত করেছে। চরকাউয়া নদী ভাঙনরোধে সংগ্রাম কমিটি  দীর্ঘদিন যাবত চরকাউয়া নদী ভাঙ্গন রোধে চরকাউয়া খেয়াঘাট হতে জনতার হাট সংলগ্ন ছোট নদীর মুখ পর্যন্ত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ, রসুলপুর-পলাশপুর সংলগ্ন ডুবোচর অপসারণ ও বাস্তভিটা হারা নদী ভাঙ্গলীদের স্থায়ী পুনর্বাসনের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। ‘চরকাউয়া নদী ভাঙনরোধে সংগ্রাম কমিটি’র আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ সদস্য মুনাওয়াল ইসলাম অলি জানান, বর্তমান সরকারের পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় ইতিমধ্যে ভাঙ্গন রোধে কাজ শুরু হলেও কিছু কিছু স্থান এখনও ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। অনতিবিলম্বে জরুরী ভিত্তিতে অরক্ষিত প্রায় ৭৫০ মিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন রোধের ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সকল অর্জন নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আমরা অনতি বিলম্বে এ ভাঙ্গন রোধে যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবী জানাচ্ছি।