বীরগঞ্জে প্রতিপক্ষের আঘাতে গরুর বাছুরের মৃত্যু, আহত ২জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, থানায় অভিযোগ

এন.আই.মিলন এন.আই.মিলন

দিনাজপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৬:৪২ অপরাহ্ণ, মে ৫, ২০২০ | আপডেট: ১০:০৫:অপরাহ্ণ, মে ৫, ২০২০

এন.আই.মিলন, দিনাজপুর প্রতিনিধি- দিনাজপুরের বীরগঞ্জে মহিষকে ঘাস খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের কদালের আঘাতে গরুর বাছুর মারা যায়, আহতো ২জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, থানায় অভিযোগ।

বীরগঞ্জ থানায় অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের নন্দাইগাঁও (উত্তরপাড়া) গ্রামের মিয়াজ উদ্দিনের পুত্র হাবিবুর রহমান, মাসিকুর রহমান, আশিকুর রহমান, মৃত সাহাজ উদ্দিনের পুত্র নন্দাইগাঁও বুড়ীরহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক ও তার স্ত্রী পলাশবাড়ী মাইনোর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শারমিন বেগমের ইন্ধনে ১৩/১৪ জন দলবদ্ধ হয়ে ৪মে সোমবার সকালে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষ মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে রফিকুল ইসলামের বাড়ীতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও পুত্র রইসুল ইসলামকে মারধর করে আহতো করে।

হামলা ও মারধরের সময় মিয়াজ উদ্দিনের পুত্র হাবিবুর রহমান রইসুলকে মেরে ফেলার লক্ষে মাথা বরাবর কদালের আঘাত করিলে রইসুল সরে গেলে সেখানে থাকা বাদীর ভাই মোফাজ্জল হোসেনের ১টি গরুর বাছুরের মাথায় বাড়ী লাগলে বাছুরটি ঘটনা স্থলেই মারা যায়।

এসময় চাচা শাহ আলম ভাতিজা রইসুলকে রক্ষা করার জন্য ছুটে এলে তারা তাকেও আঘাত করে আহতো করে। আহত শাহ আলম ও রইসুল ইসলাম ২ জনেই বর্তমানে বীরগঞ্জ সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বীরগঞ্জ থানার এসআই আলন জানায়, পশু হত্যা, ২ জনকে আহত ও ভাংচুর করার কারনে আইনগত ন্যায় বিচার চেয়ে রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে রাতে ১৪ জনের বিরুদ্ধে বীরগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন।

পলাশবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জুয়েলুর রহমান ও ইউপি সদস্য শাজাহান আলী গরুর বাছুর নিহতের ঘটনা স্বিকার করে জানায়, ২দিন পূর্বে ২পক্ষের জমিনের আইলে মহিষকে ঘাস খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে একটি অনাকাক্ষিত ঘটনা ঘটে, যার সুষ্ঠ বিচার ও সমাধানের জন্য ইউপি সদস্য শাজাহান আলীর নেতৃত্বে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্নয়ে ৪মে সোমবার দুপুরে ২ পক্ষকে নিয়ে সালিসী বৈঠক বসার কথা ছিলো। কিন্ত তারা গ্রাম্য আদালতকে অমান্য করে সালিসী বৈঠকে না বসে গায়ের জ্বরে বাড়ীতে হামলা চালিয়ে গরুর বাছুরটিকে মেরে ফালার ঘটকাটি ন্যক্কার জনক। এর সঠিক ও ন্যায় সংগত বিচার হওয়া দরকার।

অপরদিকে বাদী রফিকুলের পুত্র বায়জীদ ৫মে প্রশাসনের দৃষ্ঠি আকর্শন করে জানায়, হাবিবুর ও রাজ্জাক মাষ্টার এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় ক্ষমতার অপব্যাবহার দেখিয়ে মামলার অভিযোগ তুলে নেওয়ার হুমকী দিচ্ছে। এতে তারা স্ব-পরিবারে আতংকে বসবাস করছে।